মনেরো বাগানে ফুটিলো ফুল রে
তৌকির আহমেদ আমার প্রিয় অভিনেতা। নাটকের ক্ষেত্রে। ছোটবেলায় তার নাটক দেখতাম তো, ওই সময়ের আবার কিছু ভিন্ন ব্যপার-স্যপার আছে। বয়োঃসন্ধিকালে কাউকে একবার 'দিল' দিয়ে ফেললে সেটা ফেরত পাওয়া কঠিন। তৌকিরের রূপনগর এবং আরো কিছু হিরোইক অভিনয় সে সময়েই দেখা। কি আর করা।
একই সময়ে খালেদ খান নামে এক ভদ্রলোক ভিলেনের অভিনয় করতো। যে কারণে তাকে কখনোই ভালো চোখে দেখতে পারি নি। এটাকে কি বলা যায়? দিল দিয়ে ফেলার উল্টোযুক্তি? কাউকে একবার চিনে রাখলে সর্বনাশ। জীবনেও আর ভোলার সুযোগ নেই। হতে পারে।
তৌকির আহমেদের সঙ্গে দেখা হওয়ার একটা সুপ্ত বাসনা মনে মনে পোষণ করতাম। কিন্তু দেখা হলে যদি হতাশ হই? তাই কখনো তাকে সামনাসামনি দেখার চেষ্টা করি নি। কৈশোরবেলার একজন নায়ককে বাঁচিয়ে রেখেছি এভাবেই। কিন্তু ইদানীং একটা বিষয় ভাবছি, ঘটনা যদি স্কারলেট জোহানসনের ক্ষেত্রে হয়, তখন কি করবো?
এমনিতে স্কারলেট অন্যান্য মুভিতে মোটামুটি। দ্য প্রেস্টিজ যখন দেখি, তখন ওকে চিনতাম না। ও নিজেকে আলাদা করে চেনায়ও নি। কিন্তু লস্ট ইন ট্রান্সলেশনে? দূর্দান্ত। চিন্তা-ভাবনা করে দেখলাম বব হ্যারিসের মতো বয়সে উপনীত হলে পরে, একদিন মেয়েটির সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া যায়। হেই ইউ, ইট টুক আ হার্ড ওয়র্ক ফর মী টু গেট রীড অভ দ্য লুপ।
ছোটবেলায় হিন্দি সিনেমা দেখতে গিয়ে একবার হোঁচট খেলাম। মাধুরী দীক্ষিতের সামনে। মুভিটার নাম ছিলো সাজান। এটা সম্ভবত একটা স্বাভাবিক ঘটনা। বলিউডের রাস্তায় মাধুরী একটা স্পীড ব্রেকার। ওর সামনে গিয়ে স্পীড কমাতেই হবে। আমি অবশ্য সবার সামনেই একটু করে স্পীড কমাই।
তবে গ্ল্যমার জগতের ছেলেদেরকেই আমার বেশি ভালো লাগে। হয়তো ওদেরকে বার বার চেঞ্জ করতে হয় না বলেই। সিনবাদের মিভের কথা মনে আছে? দারুণ একটা মেয়ে ছিলো! ডুবারও দারুণ ছিলো, ব্ল্যাকি চাকুওয়ালাটার নাম মনে আসছে না, কথা বলতে পারতো না- সেও দারুণ ছিলো; কিন্তু সবার চেয়ে দারুণ ছিলো সিনবাদ নিজেই। মাঝে মাঝে সে মিভের সঙ্গে একটু-আধটু ফ্লার্টিং করতো। মানুষ সাধারণত নিজের স্ত্রী ছাড়া আর কারো সঙ্গে অল্প ফ্লার্টিংএ সন্তুষ্ট হয় না। সিনবাদের যৎসামান্য ফ্লার্টিং দেখতে অনেক মজা লাগতো।
টাইটানিক সিনেমার একটা দৃশ্য নিয়ে কিছু গণ্ডগোল ছিলো। সে সময় ভিডিও ক্যাসেট পাওয়া যেতো। দৃশ্যটা সবার সঙ্গে দেখার উপায় ছিলো না। একদিন আন্টি-আংকেল আর আমরা ভাই-বোনেরা বসে বসে মুভিটা দেখছি, এমন সময় সেই দৃশ্য শুরু হয়ে গেল। আমি ভাবলাম, রিমোট খুঁজে টেপাটেপি করাটা কেমন দেখায়? তাহলেতো সবাই বুঝেই ফেলবে, ওই কাজগুলো কি আমি জানি।
সেই সময় থেকেই লিওনার্দো কে ভালো লাগে। অদ্যবধি সে ভালোলাগা কমে নি একবিন্দুও। দিল চাহতা হ্যায়-এর পর থেকে আমির খানকে ভালো লাগে। এখনো সেই ভদ্রলোকের সমর্থক হিসেবেই আছি। সর্বশেষ মুম্বাই ডায়েরীজ-এ তার চরিত্রটাই একমাত্র চরিত্র ছিলো না। আরো দু'টো জরুরি চরিত্র ছিলো। তাও মুগ্ধ হয়ে আমিরের অভিনয় দেখেছি।
বয়স্কদের মধ্যে ভালো লাগে লিয়াম নিসন আর ক্লিন্ট ইস্টউডকে। ইন্টউডের ওয়েস্টার্ন এখনো দেখা হয় নি। গ্রান টরিনো দেখেছি। ২০০৮ এর মুভি। সামাজিক চড়াই-উৎরাই আর রেস্- দুইটা জিনিসের ওপর বানানো দারুণ সিনেমা। বুড়ো তার প্রিয় গ্রান টরিনো'টা শেষ পর্যন্ত দুষ্টু ছেলেটাকে গিফট করে দিয়ে যায়। আহা!
লিয়াম নিসনের শিন্ডলার্স লিস্টের চেয়েও ভালো লেগেছে টেকেন। এটাও ২০০৮-এর। বাবা-মেয়ের এমন মুভি আমি আর দেখি নি। বাবা আসলে মানুষের জীবনের একটা রিয়েল হিরো। টেকেন-এ যেভাবে দেখানো হয়েছে, সব বাবা হয়তো সেরকম দূর্দান্ত হয় না। কিন্তু ভালবাসে তো সবাই একইরকম ভাবে। এই মুভিটার কথা অনেকদিন মনে থাকবে।
সবশেষে ক্লিকানোর জন্য একটি লিংক...
রসিক ভ্রমর আইলো না





এডি হচ্ছে ছোটবেলায় চট্টগ্রাম থাকার ফল!!!
আহারে মাধুরী:love:
আখিয়া মিলাও কাভি আখিয়া চুরাও।
মাধুরী
তৌকীর আহমেদ কেমনে একজনের প্রিয় অভিনেতা হয়?
প্রিয় অপ্রিয় হওয়া যার যার ব্যপার। মীরের যাকে ভালো লাগবে আপনার তারে ভালো নাও লাগতে পারে -- ভাইসা ভার্সা
দারুন করে লিখেছেন, তবে আমার আপনার সাথে সবটাই মিল আছে। শুধু অমিলটা হলো আমির আমার দু'চোঁখের বিষ।
আমি এখন প্রেমে পড়ছি রায়ান গসলিং-এর। মানে উড়াধুড়া প্রেম। ব্লু ভ্যালেনটাইন বা নোটবুক দেইখা এমন কিছু মনে হয়নাই আমার ওরে। যদিও ব্লু ভ্যালেনটাইনে ওর এ্যাকটিং ফাটাফাটি। কিন্তু প্রেমে পইড়া গেছি হাফ নেলসন দেইখা, আহা, মনে পড়লেই মন উদাস হইয়া যায়।
স্কারলেট জোহ্যানসনকে অবশ্য আমার শুধু সুন্দর মনে হয়। একটা লস্ট ডাম্ব লুক ছাড়া ও আর কোন এক্সপ্রেশন দিতে পারে বইলা আমার মনে হয়না। ওর ব্যাপারটা হইল ওর বাছাই করা চরিত্রগুলাতেও ওকে ঐ লস্ট লুক ছাড়া আর কোন এক্সপ্রেশন দিতে হয়না। কিংবা মুভিতে যারা কাস্টিং ডিরেক্টর থাকে তারাও স্ক্রিপ্টে কোন খুব সুন্দর দেখতে লস্ট এন্ড ডাম্ব মেয়ে চরিত্র থাকলে প্রথমেই স্কারলেট জোহ্যানসনের কথা ভাবে। ডাইভার্সিটি না থাকলে কোন এ্যাকটর এ্যাকট্রেসরে ভাল পাইনা।
আমি টম হ্যাঙ্কস এর বিশাআআআআআআআআআল পাংখা ।
স্কারলেট জোহানসনরে আবেদনময়ী হিসাবেই দেখছি সবসময়
। আয়রন্ম্যান ২ বসুন্ধরায় দেখছিলাম, ঐখানে একশন দেইখা একশন হিরুইন হিসাবেও ভাল্লাগছে 
যেই নায়িকাকে দেখি তারেই পছন্দ হয়
আমির খান মিলসে। আমারও তারে পছন্দ
মাইনষের কত সুখ! সিনেমা, নায়ক-নায়িকা তৌকিরম মাধুরী, কারিনা, বিপাশা নিয়ে ভাবে! হায়রে সুখ! এত সুখে নজর দিতে মন্চায়।
ঐ কিশোর কাল থিকা নায়িকা সব কয়জনরেই তো কমবেশ ভালু পাই
.. সবচে কম ভালু পাওয়া এলিসিয়া সিলভারস্টোন শুনলাম গত সপ্তায় মা হয়েছেন
... বেশী ভালু পাওয়াদের আলাপে না যাওয়াই ভাল
... 
আমার কুট্টিকালের ডাল্লিং
মাধুরী আমারো প্রিয় ছিল
পোষ্ট লেখাটা খুব মজার হইছে
আমিতাভের নাম লন নাই তার মানে পোলাপাইন। বেগম বাজার গিয়া টিকিট কাইটা ভিসিয়ার দেখেন নাই।
মাধুরী সেইরম

ডিং ডং ডিং ... ডিং ডং ডিং ডং ডিং ডং ডিং ডং ডিং
ডিং ডং ডিং ডং
খুব ভালো লাগল ... আগে জানতাম না কিভাবে প্রিয়তে নিতে হয়ে... নিয়ে নিলাম...
মন্তব্য করুন