কবিতা: পরাগায়ন ও শিষ্টাচার
নিজেকে তীব্র আগুনের দিকে ছুটে চলা একটা পতঙ্গ মনে হচ্ছে। যে দ্রুতগতিতে নিজের ভস্মীভূত পরিণতির দিতে ধাবমান। ভালো লাগছে এই ভেবে যে, অবশেষে নিজের জন্য নিরন্তর খারাপ লাগতে থাকাটাকে দূরে সরিয়ে দিতে পেরেছি। এখন শুধুই অপেক্ষা। এবং এই নিষ্ঠুর আমাকে দীর্ঘদিন ধারণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা। সময়, প্রকৃতি আর ভূখন্ডের প্রতি।
কবিতাকে আমি সহজ মনে করি না। আমার কবিতা লেখার অপচেষ্টাগুলো কখনো সফল হয়েছে, এমন দাবিও করি না। যে কারণে ব্যর্থতার দায়টুকু মাথা পেতে নিতেও আপত্তি নেই।
রাত্রিনা তোমার শারীরিক সৌন্দর্য্যও
ঐশ্বর্যময়, সর্বত্র ধন-সম্পদের ছড়াছড়ি
উদয়াস্ত আমি যদি কোনো ঠোঁট চাই
পাওয়ার জন্য, তোমার নধর
ঠোঁট দু’টোই চাইবো।
যদি কখনো কাউকে দেখে আমার
জড়িয়ে ধরে বুকের উত্তাপ
অনুভব করতে ইচ্ছা হয় তো সে তুমি।
কখনো হয়তো তোমার বুকে
খেলা করতেও ইচ্ছে হতে পারে,
কারণ আমার বাহুলগ্না ছাড়া
আর কোনো অবস্থাজনিত
দুরত্বেই তোমাকে আজকাল সহ্য হয় না।
এ সমস্যা ক’দিন থেকেই হচ্ছে
রাত্রিনা তোমাকে ভীষণ চাইছি,
আমি খেলার জন্য নয়, তোমাকে গনগনে
একটা চুল্লি দেখাতে খুঁজি।
কি দরকার ছিলো যদি আগুনে পুড়তেই না জানো
তবে ঝাপ দেবার? আর সিদ্ধান্ত নেবার ভার
একদিন আমার হাতে ছেড়ে দেবার?
তুমি জানতে রাত্রিনা আমি কোনোদিনও
তোমার ইচ্ছে টের পেয়ে তার বাইরে যেতে পারি নি।
তাই কিছুদূর পথ আমার সঙ্গে পাড়ি দেয়াটা তুমি
তোমার ভাষায় হয়তো ‘এনজয়’ করেছ।
কিন্তু আমি এই চুল্লিটা নিয়ে বড় বিপাকে আছি,
কেননা ওটা এখন নিজের চারপাশ পুড়িয়ে
এগুচ্ছে আমার পাঁজরের দিকে।
---





পড়তে অনেক বেশি গদ্য গদ্য লাগলো...
কবিতা খুব ভালো লেগেছে। বকতব্য পরিসকার।
রাত্রিনা নামটাও সুনদর
বিনয়বাবু কেমন আছেন?
কিন্তু আমি এই চুল্লিটা নিয়ে বড় বিপাকে আছি,
কেননা ওটা এখন নিজের চারপাশ পুড়িয়ে
এগুচ্ছে আমার পাঁজরের দিকে।
মারহাবা!
এরপর আর কী বলার থাকতে পারে!
রাত্রিনা! সুন্দর! মুগ্ধপাঠ
রাত্রিনা নামটাও সুনদর
সাবাস মীর! কবিতা পড়ে সুখিত হলাম।
নামটা পছন্দ হইসে
আপনার কবিতাও দারুণ
ঈদ মোবারক প্রিয় বন্ধু। কই আপনি? দেখি না কেন? যেখানেই থাকেন জলদি দেখা দেন্।
মন্তব্য করুন