চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ৮

হিন্দি সিনেমা অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে এসেছে। যেটা ডন-২ দেখে আমার মনে হলো। শাহরুখ খান একটা ভালো থ্রিলার করতে চাচ্ছিলো অনেকদিন ধরেই। রা-১ মার খেয়ে গেলো। বেচারার বোধহয় মন খারাপ ছিলো এজন্য। ওকে আবার আমি ভালো পাই তো খুবই, তাই আমারো মন খারাপ ছিলো। তো ডন-২ দেখে আমার মন খারাপ কেটে গেছে। এখন ওর কি হয়, সেটাই দেখার বিষয়।
সবচাইতে যেটা মজা পাইলাম, সিনেমায় বর্ণ বা অন্যান্য থ্রিলার থেকে নোট তো নেয়া হয়েছেই; পরিচালক এমনকি ক্যাসল অভ ক্যালিয়োস্ত্রো'র দিকেও হাত বাড়িয়েছেন। ভালো নকল দেখে দেখে লেখা প্রশ্নের উত্তরগুলোও আসলে ভালো মার্কস্ই পায়। আর উল্টা রেসিং মনে হয় বলিউডে এইবারই প্রথম দেখলাম। অবশ্য এই ব্যপারে পুরোপুরি নিশ্চিত না আমি। স্বীকার করে রাখলাম।
শেষ দিকে ক্রমাগত একটার পর একটা ঘটনা ঘটতে থাকলেও বোরিং লাগে নি। বিশেষ করে ময়না পাখি নায়িকাটা (প্রিয়াংকা চোপরাকে ময়না পাখি বলে দেয়ার মতো মর্দ-ই-মুকাব্বের মনে হয় না আমি হইসি এখনো) পেটে গুলি খেয়েও যখন মরলো না, তখন আমি আশাবাদী হয়ে উঠলাম যে; নাহ্ পরিচালক আমাকে নিরাশ করবে না। শেষ পর্যন্ত করলোও না।
যাই হোক, পরে মুভিটা মাথা থেকে সরে যাওয়ার পর যে লাইনগুলো আসলো সেগুলো হচ্ছে-
কাউকে কাছে টানার অন্যতম উপায় হচ্ছে তাকে আঘাত করা,
এমনকি যে ওয়েবপেইজটায়
আপনি কখনো যান না ঘৃণা বা আর কিছুবশতঃ
সেটাতেও আপনি রেগুলার যাবেন, যদি সেখানে আপনার নামে কোনো বিষোদগার করা হয়।
---





এই লেখায় এখনো কোনো কমেন্ট নাই
জটিল কথা বলেছেন। আঘাত না করে করুণা করলে কেমন হয়?
মন্তব্য করুন