ইউজার লগইন

হৈ চৈয়েচ্ছার সুলুক সন্ধানে

একি সোনার আলোয় জীবন ভরিয়ে দিলে...।

আধুনিক বাংলা গানের কিছু কিছু লাইন আসলেই রগরগে একদম। এটা অবশ্য আমার নিজের কথা না। ভাষার চলমান বিবর্তন আজ এ কথার জন্ম দিয়েছে। গানটি যখন লেখা হয়েছিলো তখন হয়তো ব্যপারটা এমন (!) ছিলো না কিংবা কোনোদিন এমন হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছিলো না। তাই সে সময় গীতিকার নিশ্চিন্তমনে লিখে চলে গিয়েছেন। আর শালীনতামুক্ত বঙ্গভাষীর দল আজ শব্দগুলোকে কোথায় নিয়ে ঠেকিয়েছে। ওস্তাদ তুলে নাও।

শুরুতে একটা কৌতুক বলি। হাসি না আসলেও ঠা ঠা করে হাসতে হবে এই হচ্ছে কৌতুক পড়ার শর্ত।

১০ বছর ধরে বিএসএফ-এর গুলিতে এক হাজারের বেশি নিরপরাধ বাঙালি হুদাহুদাই খুন হয়ে গেলেন। কেউ টুঁ শব্দটি করার সাহস পেলেন না। আর মন্ত্রী-রাজনীতিবিদরা তো নিজেদের পেট-পিঠ বাঁচাতে দেশের মানুষকে শুধুশুধুই কিছু মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে গেলেন যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী-ট্রধানমন্ত্রী-ফকির-মিসকিন-মমতা সবাই আশ্বাস দিয়েছে- আর কোনো বাঙালি সীমান্তে গুলি খেয়ে মরবে না। একটা আশ্বাসও কোনোদিন সত্য হলো না। মানুষ মরতেই থাকলো।

এদিকে বিজিবি’র এক সদস্য একদিন এক ভারতীয় স্মাগলারকে গুলি করে মেরে ফেলার সঙ্গে সঙ্গে তাকে তুলে নিয়ে গেলো বিএসএফ-এর জওয়ানেরা। ফায়ারিং স্কোয়াডে দেয়ার ভয় দেখালে তো সীমান্তের সাহসী সৈনিকদের কিছু যায় আসে না। জীবন-মৃত্যূকে পায়ের ভৃত্য মেনেই চাকুরীতে এসেছেন তারা। তবে উক্ত বিজিবি সদস্যকে শরীরের স্পর্শকাতর জায়গাগুলোয় ঠান্ডা পেট্টোল ঢেলে আরো স্পর্শকাতরতা টের পাওয়ানো হবে বলে ভয় দেখানোর পরও সে দোষ স্বীকার করতে রাজি হলো না। শেষমেষ ইন্টারোগেশন অফিসার তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে গিয়ে বললো,

ই বাঙাল হায়। জিদ নাহি ছোড়তা। ক্যায়া কারু?
(এ লোক বাঙাল পুরোই। গোঁ ধরে বসে আছে। কি করি?)

কর্মকর্তা উত্তর করলো,

আব্বে লাঙ্গুর, বাঙাল পাকড়া কিঁউ? কাঙাল নেহি পাকাড় সাকে ক্যায়া? উস দেশ মে কাঙাল লোগ কাভি জিদ নাহি করতা। গোলি সে বাচনে কে লিয়ে, বলাৎকার ভি হো যায়ে তো সহি।
(আরে নির্বোধ! বাঙাল ধরে এনেছিস কেন? কাঙাল ধরে আনতে পারলি নে? ওই দেশে কাঙালেরা কখনো গোঁ ধরে না। গুলি থেকে বাঁচার জন্য নির্যাতিত হতেও রাজি।)

ওই অফিসার আবার প্রশ্ন করলো,

কাঙাল কাঁহা মিলে গা?
(কাঙাল কই পাই?)

কর্মকর্তা বললো,

ওয়াহা কা মিনিস্ট্রিও মে যাকে ঢুন্ডো। এক হ্যায়।
(ওখানকার মন্ত্রণালয়গুলোতে গিয়ে খোঁজো। একজন আছে।)

কৌতুক এখানেই শেষ। আমি জানি না, বিএসএফ কর্মকর্তা কোন্ মন্ত্রীর কথা বলছিলেন। তবে সম্প্রতি আমাদের দেশের এক মন্ত্রী সাড়ম্বরে ঘোষণা দিয়েছেন, ভারতের এই নির্বিচারে বাঙালি নিধনে নাকি দেশের কিছু যায় আসে না।

যাক্ এবার আমার খবরাখবর বলি। কেউ জানতে চাচ্ছে না তো, তাই নিজেই বলে দিচ্ছি। মেজাজ-টেজাজ যাচ্ছেতাই রকমের বিলা হয়ে আছে আজ বেশ ক’দিন ধরে। পত্নীভ্রাতার এই জীবন আর ভালো লাগে না। তোজা নামের এক বন্ধুর প্রিয় একটা গান ছিলো, যেটা সে মাঝে মাঝেই হেঁকে উঠতো। ‘সংসার আমার ভাল্লাগে না, সংসার ভালো লাগে না; সংসার হইলো বিষের কলসি, আছাড় দিলেও ভাঙ্গে না’। ও যখনই এইটা বলে হাঁক দিতো আমরা যারা স্টুডিও’র অন্য টেবিলগুলোয় বিল্ডিং-স্ট্রাকচার-টিস্কেল-পেন্সিল নিয়ে ট্রেসিং পেপারের ওপর উবু হয়ে থাকতাম তারা মাথা তুলে হেঁকে উঠতাম, ‘আই অ্যাম নট য়ু’র রোলিং স্টোন, আই অ্যাম দ্য হাইওয়ে; পার্লস্ এন সোয়াইন বি দেয়ার...’।

আপাতদৃষ্টিতে অর্থহীন কাজ কারবার মনে হলেও এই হাঁকাহাকির ভেতর দিয়েই গ্লুমি ভাবটা কেটে যেতো স্টুডিও'র। সবাই কফি ভেন্ডরটার ওপর ঝাপিয়ে পড়তাম। তোজার হাঁকে যেন ছুটির ঘন্টা বেজেছে। কফি-বিড়ি নিয়ে সবগুলো মিলে সোজা বারান্দায়। বারান্দা বলে বারান্দা, পাক্কা ১৩ তলার ওপর, পলকা এস এস পাইপ দিয়ে ঘেরা, ছোট্ট এক চিলতে জায়গা। কোনো কারণে, যেকোন উপায়ে কেউ একবার সেই উরুসমান উঁচু রেলিং-এর আশপাশে গিয়ে বেসামাল হলেই এক দমকে কলিজার পানি শুকিয়ে যেতো বাকি সবার। মেয়েগুলি দিয়ে উঠতো চিল চিৎকার। আর আমরা সঙ্গে সঙ্গে বেসামালটাকে ধরে ফেলতাম।

এত কান্ডের মধ্যেও হাসাহাসি চলতেই থাকতো। অতো উঁচুতে এক ধরনের দূরন্ত বাতাস খেলে সবসময়। সেটা শরীরে লাগলে জীবন-মৃত্যূর মতো ছোট-খাটো জাগতিক বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর কাজটা নীচু জাতের লোকদের জন্য বরাদ্দকৃত বলে মনে হতো। তাই মৃত্যূ সম্ভাবনাটা কেবল হাসির খোরাকই জোগাতো মনে। আর কিছু না। তবে বন্ধু বিচ্ছেদের শঙ্কা দেখা দিলে চিন্তিত হয়ে পড়তাম। এটাও ঠিক।

আজকাল অবশ্য বিরক্ত লাগে প্রচুর। জীবনটা সবসময় কেন যে এত বোরিং! ব্লগটাও তো ব্যতিক্রম কিছু না। নাই নাই নাই, কেউই নাই। খুঁজলেও পাওয়া যাবে না কখনো কাউকে। ব্লগে এলে হুমায়ুন আহমেদের নাটকের নাম মনে পড়ে যায়, কোথাও কেউ নেই। আচ্ছা, আমার চারদিকে এত নিস্তেজ মানুষের আনাগোনা কেন?

রাস্তায় বের হলেও কাউকে খুঁজে পাই না যার সঙ্গে দুইটা সুখ-দুঃখের আলাপ করা যায়। বন্ধু-বান্ধব সব ব্যস্ত। শুধু ব্যস্ত না, মহাব্যস্ত একেকজন। কারো নতুন সংসার, কারো পুরোনো সংসার, কারো মাথায় বাজার করার চিন্তা, মাংসের কেজি ২৯০ টাকা, বাসায় মাংস ছাড়া কেউ সব্জি খায় না, কারো মাথায় রাজনীতি, কারো নাকি শেয়ারের চিন্তা; চলছেই।

আরে, বলি আগের দিনে আমরা যে রকে বসে প্রচুর আড্ডা পেটাতুম; সেসব দিন কি আর কোনোদিন ফিরে পাবো না? আহা আমাদের বিকাল গড়ানো সেসব আড্ডাগুলো! মহল্লার শারমীন বা নুসরাতের জন্য কে কত পাগল তা নিয়ে হাসাহাসি, নিরীহ তপন স্যারের বাসার গেটের সামনে রাতের আঁধারে কে গিয়ে কি করে আসবে তার পরিকল্পনা, শুক্রবারের খেলায় রহমতপুরকে হারানোর জন্য কাকে কাকে মাঠে নামানো যায় তার লিস্টি বানানো; সবশেষে কে চায়ের টাকা দেবে, কে বিড়ির- তা নিয়ে বন্ধুদের মধ্যে একপ্রস্থ গোলমাল। এ বলে- তুই দিবি, ও বলে- আমি কাল দিয়েছি, আজ তুই দিবি। সেসব দিন কই গেলো? হাসি-ঠাট্টা-আনন্দ-ঝগড়া-মিটমাট এসব কি সবাই ভুলে গেলাম? ধুরো যা।

যাক্ সামনে বইমেলা আসছে। মেলায় আমাদের ব্লগের একটা বই আসছে। বইয়ের নামটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। যেই রেখে থাকুন, তার নামকরণ ক্ষমতা দেখে আমি মুগ্ধ। কিন্তু মেলায় আমরা বন্ধুর আর কোন্ কোন্ বন্ধুর বই বেরুচ্ছে? কে কে বই লিখেছেন? বলে ফেলেন। কামাল ভাই মনে হয় দুইটা বই লিখেছেন। মাসুম ভাইএর গতবারের সাদা-কালোর অর্থনীতি’র পর এবারে কি আসছে? আর কে কি লিখেছেন? লীনা আপুর একটা বই কবে পাবো? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কি একটু জানাবেন? আমাদের তো এসব নিয়ে একটা আলাপ-আলোচনা দেয়ার ইচ্ছাও হইতে পারে, তাই না?

আবার আমার নিজের প্রথম উপন্যাস সম্পর্কেও যেমন জানানো হয় নি কোনোকিছু কাউকেই। উপন্যাসের নাম অচল পয়সার জবানবন্দি। প্রকাশক আমরা বন্ধু প্রকাশনী। প্রকাশের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি। এ কথাগুলো আপনাদেরকে বলতেও ইচ্ছা হচ্ছে। আসলে এ ইচ্ছেগুলো কিন্তু আর কিছু না। চাচ্ছি কিছুক্ষণ হই-চই করতে। মানুষ নাকি বসে থাকতে থাকতে, টিভি দেখতে দেখতে কিংবা কাজ করতে করতে বিরক্ত হয়ে যায়। আমি তো বিরক্ত হয়ে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে গেলাম।

কোনো এক জায়গায় বোধহয় একটা লাইন লেখা ছিলো এরকম- নীড আ ফাকেন ব্রেক, য়ু নো? মে বী উই অল ডু।
---

পোস্টটি ১৬ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রায়েহাত শুভ's picture


ঐ মিয়া, আপ্নে থাকেন কই? আবার পত্নীভ্রাতার জীবনের রেফারেন্স দেন Confused

আপ্নের উপন্যাসের কন্টেন্ট এখনো হাতে পাই নাই। প্রুফ কবে দেখমু, কবে প্রেসে পাঠামু বুইঝা উঠতে পারতেছি না।

হুম। এইবার কামাল ভাইয়ের দুইটা উপন্যাস আসতেছে, মাসুম ভাইয়ের একটা রঙ্গ-ব্যাঙ্গ বই আসতেছে। আর কেউই মনেহয় সাহস কইরা উঠতেছে না।

মীর's picture


ইহ্ আমার উপন্যাসের কন্টেন্ট আপ্নারে দিমু ক্যা? Tongue
থাকি পত্নীভ্রাতার জীবনযাপনকারীরা যেই দেশে থাকে সেই দেশেই। কৌতুক কিরাম লাগছে কন।

জেবীন's picture


বৃত্ত, এই নেও কন্টেন্ট, উপন্যাস না হোক, গল্পই সই। মীর, যদি ট্যাঁ ফোঁ করে, মাইরগুলা আমার হইয়া দিয়া দিও প্লীজ! Stare

মীর, লেখা না দিলে কিন্তু মাইন্ড খাওনের উপরে মনখারাপের লগে অন্তরে দুখ পামু! Sad

রায়েহাত শুভ's picture


এই লুকটার পোস্ট বর্জন শুরু কর্মু কিনা ভাবতেছি... Sad

কৌতুক পইরা কান্না আসছে Sad

মীর's picture


এই লুকটার পোস্ট বর্জন শুরু কর্মু কিনা ভাবতেছি...

Stare দোস্ত দোস্ত না রাহা, পেয়ার পেয়ার না রাহা... Sad Sad

শর্মি's picture


টেনেস্ফার হয়ে ঢাকা শহরে আসছেন, নাকি এখনো কুমিল্লাতেই পড়ে আছেন?

মীর's picture


টেনেস্ফার হয়ে ঢাকা আসছি তো সেই কবে। তারপরে নরসিংদী গেলাম। সেইখানে কয়দিন থেকে এখন আবার ঢাক্কা। Big smile
আপনে কই? দুই-তিন দিন সময় বাইর করেন। সুনামগঞ্জের বিলে গিয়ে মৎস্য শিকার করবো। নাকি আবার বৈদেশ গেছেন গা?

একজন মায়াবতী's picture


হাসি না আসলেও ঠা ঠা করে হাসার শর্ত মেনে নিয়েই কৌতুক পড়া শুরু করসিলাম। তারপরও কেন জানি হাসতে পারলাম না। Sad

পত্নীভ্রাতার জীবন

Big smile

১ ফেব্রুয়ারি তাহলে মীর রাকিব সাহেবের উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচন!! কনগ্রাটস Applause Applause

আমারো হৈ চৈ করতে ইচ্ছা করতিসে। জ্বরজ্বারি নিয়া এমন পানসা লাইফ ভালো লাগতিসে না। Puzzled

মীর's picture


জ্বর বাধাইসেন নাকি? কেমনে বাধাইলেন? সেবা-যত্ন ঠিকঠাকমতো হচ্ছে তো? নাকি লোকজন শুধু ঝাকানাকা বন্ধুবান্ধব নিয়েই ব্যস্ত? আমার উপন্যাসের মোড়ক নাই। Big smile

১০

একজন মায়াবতী's picture


উপন্যাসের মোড়ক নাই মানে? গুল্লি

১১

মীর's picture


মোড়কও নাই, মলাটও নাই। তয় চিন্তায়েন্না, লিংক থাকপে। আর দেখতে পারবেন Wink

১২

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


কৌতুকের নামে তো একেবারে বিষ গিলিয়ে দিলেন Sad

প্রথম উপন্যাসের জন্য আগাম শুভেচ্ছা Smile

~

১৩

মীর's picture


ভাইজান, মন্ত্রী-মিনিস্টাররা মাতবরি ফলানোর ক্ষমতাটা একপ্রকার কেড়েকুড়ে নিয়ে গেছিলো। তখন কত রকমের কান্নাকাটি। নাকের পানি, চোখের পানির ঠিক থাকে না কারো। ভোটের পর এখন এইসব কৌতুক করতেসে জনসেবার নামে, প্রত্যেকদিন। আমার কি দোষ বলেন?

১৪

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


হো হো, দিন বদলাইছে না? আগে তেনারা নানা রকম কান্নাকাটি করতো এখন সেইগুলান আমি করি, এইটাইতো দিন-বদল Smile

~

১৫

জেবীন's picture


হ! পত্নীভ্রাতার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এই জীবন! Stare

কৌতুক ঠিক মতোই হইছে।

১৬

মীর's picture


জেবীন আপু!! এত পচা কথা বলে না Tongue out
আছেন কেমন? আপনি তাড়াতাড়ি একটা লেখা দেন। উকুন-টুকুনের মতো ক্ষুদ্র বিষয়গুলো নিয়েও যেন বিস্তারিত আলাপ থাকে সেই লেখায়।

১৭

লীনা দিলরুবা's picture


কৌতুক পইড়াতো অনেককিছু মনে পইড়া গেলো!
বইমেলায় আপনার বই কিনবো, অটোগ্রাফ নিবো... ইস কি মজা Smile
ম্যুরাল নামটা রাখছে আমাদের বৃত্ত।

১৮

রায়েহাত শুভ's picture


Shy Shy

১৯

লীনা দিলরুবা's picture


তোমার এজন্য একটা পার্টি দেয়া উচিত শুভ।

২০

রায়েহাত শুভ's picture


এত্ত কষ্ট কইরা নাম দিলাম! আবার পার্টি দেওনের কষ্টটাও আমারে কইতে কন? Shock আপ্নেরা দেন, আমি এটেন্ড কর্মু Tongue

২১

লীনা দিলরুবা's picture


শুভ পিছলাইসনা Puzzled
হাত তুলছিলাম ভুইলা গেলে তোরে আর ভুটামুনা Crazy

২২

রায়েহাত শুভ's picture


অনেক অনেক পার্টি পেন্ডিং হইয়া গেছে Stare

২৩

লীনা দিলরুবা's picture


সান্তনা

২৪

মীর's picture


বই তো কিনতে পারবেন না। কারণ ওটা প্রকাশ হবে ব্লগে Big smile Big smile Big smile Big smile
তবে অটোগ্রাফ একটা দিতে পারি চাইলে। আমার কাছে মুভিটার ডিভিডি দুইটা আছে।
আর বৃত্ত ভায়ার তো দেখি বয়সকালে রবীন্দ্রনাথ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। নাম রাখার অপরিসীম প্রতিভা তার।

২৫

লীনা দিলরুবা's picture


বৃত্ত প্রতিভা নিয়া মুশকিলে আছে। Wink
পোলাটার সবই ঠিক ছিলো, সিগারেট খায় একটার পিঠে দশটা Sad

আপনের বই এবি প্রকাশনী বের করবেনে Smile

২৬

মীর's picture


লীনা আপু আমারে ভয় দেখায় কেনু?

২৭

জ্যোতি's picture


আপনার বই শীঘ্রই আসুক। কেউ খোঁজ নেয় না-ঠিক না। একদিন এক আড্ডায় জিজ্ঞেস করেছিলাম--মীর কে অনেকদিন দেখি না কেন? কেউ জানেন? যেখানেই থাকেন, ভালো থাকেন।

২৮

মীর's picture


শুইনা খুশি হইলাম। আপনাকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা। আর ভুলে না যাওয়ার উপহার মাইর

২৯

শওকত মাসুম's picture


আচ্ছা, আমার চারদিকে এত নিস্তেজ মানুষের আনাগোনা কেন?

আমার একখান রম্য আসতাছে। মীরের বই কোন ফেব্রুয়ারিতে?

৩০

মীর's picture


বস্ এই ফেব্রুয়ারিতেই। অর্থাৎ পরশু দিন। Big smile
আপনের বইয়ের নাম কি রাখছেন? কোন প্রকাশনী থেকে বাইর হইতেসে?

৩১

এ টি এম কাদের's picture


মীর ভাই,
সত্য সত্যই হেসে ফেল্লাম ! তবে অধিক আনন্দিত হয়েছি আপনার বই প্রকাশ হচ্ছে জানতে পেরে । বইটি কি ব্লগে পাওয়া যাবে ? আশায় থাকলাম !

৩২

মীর's picture


হ্যাঁ বইটা ব্লগেই পাওয়া যাবে। আশায় আশায় বসে আছি...

৩৩

সুদূরের পিয়াসী's picture


মীর ভাই , আপনার কৌতুক পড়ে আমার কানে বাজতেছে এমন কয়েকটা গানের একটি 'কফি হাউজের সেই আড্ডাটা ' ।
ভাই আপনার বইয়ের পড়ার অপেক্ষায় . . . .

৩৪

মীর's picture


মানে কি? আপনাদের সেইসব আড্ডায় এইসব কৌতুক পাঠ করা হইতো, নাকি অন্য কিছু?
আর মেলায় আসতেছেন তো, নাকি?

৩৫

সাঈদ's picture


সাফল্য কামনা করছি ।

৩৬

মীর's picture


ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। Big smile
অ.ট. সাঈদ ভাই আছেন কেমন?

৩৭

আহমাদ মোস্তফা কামাল's picture


প্রত্যাশিত হৈচৈ-টা হৈল না আপ্নের আলসেমির কারণে। যে হৈচৈয়ের ডাক দেয় তাকেই সবচেয়ে বেশি করতে হয়, এই-ই জগতের নিয়ম। আপনি দেখছি ডাক দিয়ে ঘুমাচ্ছেন! Puzzled

৩৮

মীর's picture


বস্ এই আইলসামির জন্য আমার এই ইহজনমেই কিছু হইলো না। আফসুস।
যাক্ সে কথা; আপনে নিজে না বললে কি হবে, আমি কিন্তু ঠিকই জানি আপনের উপন্যাস দুইটার নাম। একটা হচ্ছে কান্নাপর্ব, আরেকটা পরম্পরা। কি ঠিক হইছে না? কিন্তু বইগুলো বের করছে কারা? আর এগুলোর বাইরে আর কিছু বের হবে কিনা জানতে চাই। Smile

৩৯

রশীদা আফরোজ's picture


‘সংসার আমার ভাল্লাগে না, সংসার ভালো লাগে না; সংসার হইলো বিষের কলসি, আছাড় দিলেও ভাঙ্গে না’।
বড় ভালো পাইলাম। মীর, ধন্যবাদ।

৪০

মীর's picture


রশীদা আফরোজ কি করে? তার সব লেখাই তো আমি বড় ভালো পাই। এইটা কি সে জানে না?

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম। আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। জীবিকার তাগিদে পরবাসী। মাঝে মাঝে টুকটাক গল্প-কবিতা-আত্মজীবনী ইত্যাদি লিখি। সেসব প্রধানত এই ব্লগেই প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগে আমার সব লেখার কপিরাইট আমার নিজেরই। অনুগ্রহ করে সূ্ত্র উল্লেখ না করে লেখাগুলো কেউ ব্যবহার করবেন না। যেকোন যোগাযোগের জন্য ই-মেইল করুন: bd.mir13@gmail.com.
ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং!