এক ছোট্ট ফোঁটা আলো
আমার নিজস্ব জিরাফটাকে খুঁজে পাচ্ছি না। মেলমিন ছিলো এতদিন সঙ্গে সঙ্গে। মনে হয় ওকেও কোনো এক জু-কীপার কিনে নিয়ে যাবে। আহা প্রিয় বন্ধু আমার। ভালোবাসা নিও। হারিয়ে যেও না।
অর্ণবের না গান আছে? হারিয়ে গিয়েছি, এই তো জরুরি খবর। আমি কি কোনোদিন হারিয়ে যেতে পেরেছি? এক কৌটা বারবিকিউ ফ্লেভারের জ্যাকার, এক বোতল রুদার্বার্গ আর কয়েকটা ডাহ্নিল নিয়ে মিলব্যরাক পুলিশ লাইনের ভেতর ঢুকে, নির্জন বুড়িগঙ্গার পাড়ে বসে সন্ধ্যা পার করা, আর হারিয়ে যাওয়া কি এক জিনিস?
কেউ তো সিটার্ন বাজিয়েও শুনালো না আজতক। তাহলে নাহয় হাতটা গালে রেখে চুপচাপ তাকিয়ে থাকতাম সেই মেয়েটির মুখের দিকে। ক্যপ্টেন'স ওয়ার্ল্ড নামক খাবারের দোকানটি থেকে কেনা রাবারের টিকটিকিগুলোও মাঝে মাঝে টিক টিক করে ওঠে। কিন্তু জলজ্যন্ত নীল মৎস্যকুমারীটা কখনো জানতে চায় না, আমি কি কোনোদিন তাকে ভালবেসেছিলাম?
তাই আমি আর আমার বন্ধু গেকোটা তাকিয়ে থাকি টিউবলাইটের দিকে অপলক দৃষ্টিতে। আমাদের শুষ্ক শ্বাসনালীতে মিষ্টি স্বাদ। তাতে বাতাস চলে। আর ঝুর ঝুর করে স্ট্যালাকমাইটের মতো ভেঙ্গে পড়ে মিছরির ধারালো চাঁই। ওগুলোর স্বাদ ছড়িয়ে পড়ে সারা শরীরে। আমার আনন্দে বুজে আসা চোখের কোণায় উপচে পড়ে পানি। স্বপ্নে বহুদিন পর ধরা দাও তুমি।
আমি স্বপ্নকাতর ছাড়াছাড়া ঘুমের ভেতর তোমার গালের ওপর এসে পড়া চুলগুলো সরিয়ে দিই। দুই হাতে মুখটা তুলে নিতে ইচ্ছে করে। আদুরে নাকটায় আমার নাক ঘষে দিতে ইচ্ছে করে। পাগলের মতো জড়িয়ে ধরতে ই্চ্ছে করে তোমায়।
স্বপ্নেই আমি থরোথরো নিজেকে নিয়ে ছটফট করি আর ঘড়ির কাঁটার দিকে তাকাই বারবার। তোমাকে ভালোবাসার দিনগুলোতে সময়েরা কখনোই আমার প্রতি বিশ্বস্ত ছিলো না। তারা তীরের গতিতে ছুটেছে প্রতিদিন। এখনো তাই হয়। তুমি বিশ্বাস করো। আজও যখন তোমায় নিয়ে ভাবি; তখন মূহুর্তে আমার বেলা গড়িয়ে যায়, নিমেষে কেটে যায় সারাটা দিন।
---





ভ্যালান্টাইনস ডে আসছে----বুঝা যাচ্ছে

===========================
শেষ প্যারাটা আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে!
===========================
আপনি এতো সুন্দর লিখেন কেন মীর মামু?
বিষণ্ণ সুন্দর একটা লেখা..
মীর, ধন্যবাদ।
আজকাল আপনাকে আগের মতো পাওয়া যায় না।
কেমন যেন নষ্টালজিক-- মিষ্টি-করুণ হতাশার সুর । মানুষের জীবনে দূঃখতো থাকবেই । তাই বলে এমন কুঁড়ে কুঁড়ে দুঃখ খেতে নাই মীর !
লেখা বেশ ভাল হয়েছে !
মন্তব্য করুন