অত্যন্ত লজ্জার সঙ্গে স্বীকার করছি কিছু করার নেই আমার
রাজধানীতে সাংবাদিক দম্পত্তি খুন হয়েছেন। খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। বাংলাদেশিদের আবার জীবনের মূল্য আছে নাকি? আমি নিজে যদি এরকম খুন হয়ে যেতাম তাহলে সেটা নিয়ে হয়তো কেউ মাথাই ঘামাতো না। ওরা দুই জন সাংবাদিক বলে কিছুটা বাড়তি এ্যটেনশন পেয়েছেন। কথাটা কি ক্রুয়েল শোনালো? ক্রুয়েল শোনালেও কিছু করার নেই। এটা ক্রুয়েল ট্রুথ। এই এক ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত নাক গলিয়েছেন। তিনি দ্রুত জড়িতদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, ঘটনাটা যেদিন ঘটেছে সেদিনের পত্রিকাতেই আরো অনেকগুলো খুনের সংবাদ আছে। সেগুলো কি আপনার পড়ার সময় হয়েছে? হয় নি নিশ্চই। হলে তো আপনি তাদের মৃত্যূ নিয়েও বিচলিত হতেন। প্রধানমন্ত্রী আপনি একটা কাজ করতে পারেন। দেশে প্রতিদিন যত খুন-ধর্ষন-ডাকাতি-ছিনতাই-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটবে সেগুলোর প্রত্যেকটা নিয়ে বিচলিত হতে পারেন। জড়িতদের খুঁজে বের করার প্রজ্ঞাপন জারি করতে পারেন। পরদিন সকালে আপনার আদেশের কতটুকু পালন হলো তা খতিয়ে দেখতে পারেন। তিন দিনের মধ্যে অপরাধী ধরা না পড়লে সংশ্লিষ্ট পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে নিজের দপ্তরে ডেকে কৈফিয়ত তলব করতে পারেন। শুধু এ কাজগুলো নিয়ম করে করলেও একটা কাজের কাজ হয়। প্রতিদিন গণভবনে অমুক জেলার নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়, তমুক জেলার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে কোনো কাজ হয় না; কখনো হবেও না। কিছু হবে না খালেদা জিয়ার পুত্রদের দিনে দুইবার করে মুখে মুখে ফাঁসি দিয়ে। বরং ওই সময়টুকু উল্লিখিত কাজে ব্যয় করুন। কাজও হবে, মানুষের আপনার ওপর আস্থাও জন্মাবে। এমনকি নিয়ম করে কাজটা করতে খুব বেশি মূল্যবান সময়ও ব্যয় হবে না। আর তা না করে আপনি আর যত রাজা-উজিরই মেরে বেড়ান না কেন, তাতে আজকের মতো সমাজকে নাড়া দিয়ে যাওয়া ঘটনা ঘটা বন্ধ হবে না। বরং বাড়তে থাকবে এমন ঘটনার সংখ্যা। সমানুপাতিক হারে বাড়বে আপনার মাথার ওপরে রাজনৈতিক চাপ। গুণানুপাতিক হারে বাড়বে আপনার বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা।
ওকে, সরকার আমাকে এ্যডভোকেসি'র পয়সা দেয় না। তাও কোনো কারণ ছাড়াই কিছুটা ফ্রি কাউন্সেলিং দিলাম। যদিও জানি, এতে কোনো লাভ নেই। অপঘাতে মারা গেলে সে দায় কেউ নেবে না। দেশবাসীকে বরং সামনে বসিয়ে রেখে যদি বলতে পারতাম, ব্রাদার্স আপনাদের যার যার দায়িত্ব আসলে তার তার। দয়া করে নিজেকে এইসব সরকার, গণতন্ত্র, ভোটের রাজনীতি আর কালো টাকার খেলার মধ্যে সঁপে না দিয়ে, নিজের প্রাণ বাঁচানোর ফিকির করুন। হেল্প ইওরসেল্ফ। মনে রাখবেন পৃথিবীর নিয়মটাই হচ্ছে, সারভাইভাল ফর দ্য ফিটেস্ট।
তাহলে হয়তো কিছুটা লাভ হতো।
আত্মার শান্তি কামনা করছি সাগর সরওয়ার-মেহেরুন রুনি'র। অত্যন্ত লজ্জার সঙ্গে স্বীকার করছি, এরচে' বেশি কিছু করার নেই আমার। এই দেশে আটকা পড়া আমাদের কারোরই।
---





ভালো বলছেন...
ভাল বলেছেন ব্রাদার...
দেশে দারিদ্রতা থাকলে দারিদ্রতা কাটানো যায়। অব্যবস্থাপনা থাকলে সেগুলোও কাটানো যায়। কিন্তু মনুষত্বই যদি না থাকে?
~
তখনই সম্ভবত নিজেকে ধনে-প্রাণ বাঁচানোর ফিকির নিজেরই করতে হয়।
স্বপ্নের ফেরীওয়ালা বলেছেন
আপনি তো তাও সরকারকে দুএকটা পরামর্শ দিলেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের কি আদৌ কিছু করার আছে নীরব দর্শক হয়ে থাকা ছাড়া?
মনের বিষণ্নতা কাটছে না। অবাক ব্যাপার, এখনো খুনের কোনো কিনারা হয়নি।
ভালো বলেছেন. আত্মার শান্তি কামনা করা ছাড়া ..আর কি করার. ভয়ঙ্কর জেদ হয়.খুব অসহায় লাগে..হায়রে কোথায় আছি..নিজের ঘর ..নিরাপদ আশ্রয়..কোথায় নিরাপদ আমরা। এগুলো শুধু প্রশ্ন থেকে যাবে..আর দিন আসতে আর এক দিন এমন নৃশংস ঘটনা খবরের কাগজের পাতা ভরে আসবে...চোখ গড়িয়ে পানি পড়বে. আবার দিন গুলো তার মতই চলবে।
নির্মম যদিও কিন্তু এটিই একমাত্র সত্যি কথা।
কিছু বলার নাই
আমাদের কারো করার কিছু নেই ।
We are very sorrow. http://www.aviaslogoldgroup.com/
মন্তব্য করুন