কি কি উপায়ে বাঁশের কেল্লা এবং ওই চক্রটিকে রুখে দেয়া যায়?
বাঁশের কেল্লা নামের ফেসবুক পাতাটি ক্রমাগত ভয়ংকর হয়ে উঠছে। একাধিকবার সরকারীভাবে বন্ধ করে দেয়া পরও কোনো লাভ হয় নি। কারণ বন্ধ করার অল্প সময়ের মধ্যেই শিবিরের লোকজন আবার একই নামে একটি করে নতুন পাতা চালু করে ফেলছে। তারপর বাঁশের কেল্লার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে নতুন পাতাটির লিংক ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ইন্টারনেট চড়ে বেড়ানো ছাগুর দল মুহূর্তে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সেখানে। চাঁদে দেইল্ল্যা রাজাকারের মুখ দেখা যাওয়ার গুজব এই বাঁশের কেল্লার মাধ্যমেই সারাদেশে ছড়ানো হয়েছিলো। এই ভয়ংকর গুজবটির কারণে সারাদেশে একশ'র বেশি মানুষকে মরতে হয়েছে। সিএনএন-এর আইরিপোর্ট বিভাগে এ ঘ্টনাটি নিয়ে একটি রিপোর্ট করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে- কিভাবে ইসলামকে অপব্যবহার করে বাংলাদেশে সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে।
সর্বশেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারও (০৭-০৩-২০১৩ ইং) একবার পাতাটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো বিটিআরসি'র পক্ষ থেকে। কিন্তু সাথে সাথেই একই নামে (লিংকও এক!!! newbasherkella!!!) আরেকটি পাতা খোলা হয়। চালু হওয়ার ৮ ঘন্টার মাথায় পাতাটিতে লাইক পড়ে প্রায় ৩৯ হাজার। একই দিনে বিডিব্রেকিং নামের একটি ওয়েবসাইটে বাশেঁর কেল্লার সমর্থনে একটি রিপোর্ট ছাপা হয়েছে- 'বিটিআরসিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাল বাঁশেরকেল্লা?' শিরোনামে। সেখানেও স্বীকার করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার বিটিআরসি’র পক্ষ থেকে একবার বন্ধ করা হয়েছে বাঁশের কেল্লা।
পাতাটি বর্তমানে যুদ্ধাপরাধী-জামাত-শিবির-রাজাকার চক্রের অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ছাগুরা সোনার বাংলাদেশ ব্লগ বন্ধ হয়ে যাবার এটাকেই তাদের আশ্রয় হিসাবে বেছে নিয়েছে। সোনাব্লগ বন্ধ হয়ে যাবার পর ওরা অন্য ব্লগগুলোয় কয়েকদিন ব্লগারদের সঙ্গে মিশে যাবার চেষ্টা করে, খুব বেশি সফল হতে পারে নি।
কারণ, সর্বত্রই ৯৫ শতাংশ মানুষের বিরুদ্ধে ওরা মাত্র ৫ শতাংশ। কিংবা আরো অনেক কম। ওদের কোনো ষড়যন্ত্রই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে না। খড়কুটোর মতো ভেসে যেতেই হবে ওই হানাদার বাহিনীর দোসর জামায়াত-শিবির-রাজাকার ও তাদের অনুসারীদেরকে। তারপরও সাময়িকভাবে ওরা বাঁশের কেল্লা পাতাটির মধ্য দিয়ে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নিজেদের তাণ্ডব। তাদের পরিকল্পনাগুলো ছড়াচ্ছে এই পাতার মাধ্যমেই। শিবির কর্মীরা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নিজেদের মিছিলের ছবি, তাণ্ডবের ছবি শেয়ার করছে এ পাতার মাধ্যমে। একই সঙ্গে রক্তাক্ত শিবির কর্মীদের ছবি ছাপিয়ে দাবি করছে- গণহত্যা চলছে বাংলাদেশে। এই অপতৎপরতা অতি অবশ্যই সময় থাকতে রুখে দেয়া দরকার। শত্রুকে সুযোগ করে দিয়ে কোনো লাভ নেই।
বাঁশের কেল্লায় পোস্টকৃত ছবিগুলো, পাতাটির টুইটার অ্যাকাউন্টেও পোস্ট করা হচ্ছে। প্রতিটি ছবির সঙ্গে তারা হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে বিবিসি, সিএনএন, আলজাজিরা লাইভ, আলজাজিরা স্ট্রীম ও ইউএনকে যোগ করে নিচ্ছে। এভাবেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পরাজিত বাপেদের অবশিষ্ট লড়াইটা করে যাচ্ছে ওরা।
বাঁশের কেল্লায় চড়ে বেড়ানো ছাগুদের কাজ খুব বেশি না। শুধু প্রত্যেকটা পোস্টে গণহারে লাইক দিয়ে যাওয়া আর ম্যাৎকার করা। ভয়ংকর এ পাতাটির সাহায্যে দেশবিরোধী চক্র তাদের কুৎসিত মানসিকতাপ্রসূত চক্রান্তকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই পাতাটি বন্ধ করতে হলে এর সঙ্গে যুক্ত টুইটার অ্যাকাউন্টটির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। আর কি কি করা যায় সে ব্যপারে প্রিয় সুহৃদদের কাছে প্রশ্ন রইলো।
---





বাঁশেরকেল্লা ভয়ংকর। গতকাল দেখলাম স্ট্যাটাস দিয়ে ওরা বলছে --
রাবার বুলেট, টিয়ার শেল দিয়ে এগুলারে রাস্তায় ফালায় রাখে না কেন বুঝি না!!
রাবার বুলেট কেন? আসল বুলেট কেন নয়?
সরকারীভাবে আইপি ট্র্যাক করে ICANN, IANA -র সঙ্গে যোগাযোগ এবং তাদেরকে অভিযোগ করার ক্ষেত্রে কি সমস্যা বিদ্যমান- সেটা বুঝতে পারতেসি না। একই সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে ফেসবুক, টুইটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে এ কাজগুলো করা যায়। সরকার যেহেতু চাচ্ছে পাতাটি বন্ধ হোক, তাহলে সে চাওয়াকে কাজে রূপান্তরিত করতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করাই যথার্থ হওয়ার কথা।
আসল বুলেটটা নাই হলো। রাবার বুলেটে গুরুতর আহত করে গ্রেফতার করে নিয়া যাক তাই বলতে চাইসিলাম আর কি
বিটিআরসি করে টা কি আল্লাহ মালুম!! আর ভাগিনা বুবুর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা উনি বুবুরে কী পরামর্শ দেয় আল্লাহ মালুম। তবে এ কথা ঠিক সেকেন্ডের মাঝে যেখানে পেজ খোলা যায় সেইক্ষেত্রে কী বা করার আছে। তবে দশবারোটা এডমিনকে ধরে ঠিক ডলাটা আর ছ্যাঁচাটা দিলে এইসব কাজ করা বের হয়ে যাবে।
বিটিআরসির একটা পাতা ব্যান করতে এত সময় লাগে ক্যান... এটা তো কয়েক সেকেন্ডের মামলা? ওরা যত ওপেন করতে তত ব্লক।
একটা সেল করে তাদের স্পেসিফিক দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে যে, যত ছাগু পেজ আসবে সাথে সাথে ব্লক।
বাঁশের কেল্লা নিয়ে ইদানিং ফেসবুকে অনেককে কথা বরতে দেখে কয়েকদিন আগে পেজটাতে গেলাম দেখতে যে কি আছে! কি ভয়ংকর! এটা চালু থাকে কেমনে? আমি রীতিমত ভয় পেয়েছি। ওপেন একটা পেজ এ দেশবিরোধী কর্মকান্ড, কর্মসূচী নিয়ে আলোচনা হয়। এটা কিভাবে সম্ভব?
বাঁশের কেল্লাতে শুধু ছাগুরাই লাইক দেয়না, কাঠের কেল্লার ছাগুবান্ধবরাও লাইক দেয়।।
কি যে উদ্ভট প্রপাগান্ডা আর মিথ্যাচার এরা করে, মানুষ পড়ে বা লাইক দেয় কিভাবে?
দরকারী পোস্ট!
দরকারি পোস্ট আবারও
দরকারি পোস্ট
মন্তব্য করুন