জলে যায় জলের পোকা, স্কুলে যায় কোলের খোকা
সেদিন দু'টি চড়ুই পাখির কলহ দেখছিলাম। আমি আর দুর্জয়। ওরা ঝগড়া করতে করতে নিজেদের আবাসস্থল ছেড়ে মাটিতে নেমে এসেছিলো। ছেলে চড়ুইটা চড়ুই পাখির ভাষায় চিৎকার করে অন্য চড়ুইদের কাছে সঙ্গীনির নামে বিচার দিচ্ছিলো। আর আশপাশটা ঠিক তখনই নিশ্চুপ হয়ে যেতে দেখে বুঝে ফেললো, দু'টি মানবসন্তান ওদের খেয়াল করছে। সঙ্গে সঙ্গে দুই জন ফুড়ুৎ। চড়ুই পাখিরা কখনোই নিজেদের ঝগড়া মানুষকে দেখতে দিতে চায় না।
সেই ঝগড়ার পুরো সময়টিতে মেয়ে চড়ুইটিকে একবারের জন্যও মুখ খুলতে দেখি নি। ভালবাসা মনে হয় এমনি। সঙ্গীর প্রতি যদি অভিযোগই থাকে, তাহলে কি ভালবাসা থাকা সম্ভব?
ছোট পাখি ছোট পাখি ভাঙচুর হয়ে গেছে শিশুদের খেলনায়, আমাদের দোলনায়…





এই ধরেন আম্রা শাহবাগের ব্যাপক দোষক্রটি খুইজা বেড়াইতেছি
... কিন্তু এই বিষয়ে শাহবাগ নিশ্চুপ 
এরম?
হ এরকম।
গান বাসায় যেয়ে শুনবো। কিনতু ভাল যাকে বাসবে মান অভিমান খানিকটা অভিযোগতো তার সম্বনধেই থাকা স্বাভাবিক। ভাল বাসবো একজনকে অভিযোগ করার জন্য ব্যসত থাকবো অন্য কাউকে নিয়ে, কেমন যেনো না ব্যাপারটা
বাহ
কি বলব কমরেড? ভালোবাসাময় স্যালুট।
ইস ! চড়ূই পাখির বুদ্ধিটাও যদি আমাদের নেতীদের হতো !
ধন্যবাদ মীর ! হৃদয় চিড়ে লিখেছেন । অন্তর ছূয়ে গেল !
মিষ্টি করে কঠিন সত্যিটা বলেছেন।
আংশিক নয় পুরো সত্য
লেখা এতো ছোট কেনো? তবে পড়তে ভালো লেগেছে
তাতা'পুর সাথে একমত। যারে ভালোবাসবো তার উপরেই সব আল্লাদ/অভিযোগ/লাজ দেখাবো, নইলে তাবত পাব্লিকের কোন কিছুতেই যায় আসে না আমার।
চড়ুইপাখি স্টাইলের লেখা, মনে ভালো লাগার ভাব দিয়েই ফুরুৎ করে চলে গেলো!
গানের জন্যে থ্যাঙ্কু!
মন্তব্য করুন