বৃষ্টি
বৃষ্টি
এম আর মামুন
মেঘ যখনই রবীদ্রনাথ
কাশের মত চুল,
টাপুর টুপুর বৃষ্টি নামে
ভাসলো নদীর কূল।
মেঘের রাশি দুখু মিয়ার
যেই নিয়েছে রূপ,
আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নামে
প্রকৃতি নয় চুপ।
নীল আকাশের মেঘ কখনও
শরৎ বাবুও হয়,
বৃষ্টিতে ভিজে গফুরের মহেশ
মাঠে পরে রয়।
বিষন্ন মেঘ থমকে গিয়ে
যখন ফিরে আসে,
ও জীবনান্দ তোমার
মুখের ছবি ভাসে।
মলিন মেঘে রূপ নিল যেই
পারুল নামের বোনে,
যুদ্ধে শহীদ ভাইয়ের জন্য
বৃষ্টি চোখের কোণে।





ভাল লাগলো
ধন্যবাদ।
ভাল।
তবে, ট্যাগ মুক্তিযুদ্ধ হল কেন বা কিভাবে?
আর শুরুতে লেখার নাম ও নিজের নাম না দিলেও চলে,
শিরোনামেই তো তা দেখা যাচ্ছে। তাই না?
ছন্দ আছে।

থাকতেই হবে।
বেশতো !!!!
বাহ, মন সতেজ করে দেয়া একটি ছড়া পড়লাম। ধরে নিলাম প্রথম চরণে 'রবীন্দ্রনাথ' লিখতে চেয়েছেন। সেক্ষেত্রে স্বরবৃত্ত ছন্দেই এ ছড়াটির যাত্রা হলো শুরু। এই ছন্দে ওপেন, ক্লোজড দুই সিলেবলই পাবে একমাত্রা (চাইলে এই পোষ্টটি দেখে নিতে পারেন http://www.sachalayatan.com/node/41353)। ব্যবচ্ছেদ করে দেখাই,
প্রথম চরণে,
মেঘ্ (১) য (১) খ (১) নই (নি উচ্চারিত হচ্ছে তাই ১ মাত্রা) র (১) বীন্ (১) দ্র (১) নাথ্ (১)------চার মাত্রার দুটি সম্পূর্ণ পর্বে মোট ৮ মাত্রা।
তৃতীয় চরণে প্রথম চরণের সাথে মিল রেখে
টা (১) পুর্ (১) টু (১) পুর্ (১) বৃষ্ (১) টি (১) না (১) মে (১) ------চার মাত্রার দুটি সম্পূর্ণ পর্বে মোট ৮ মাত্রা। নিখুঁত।
দ্বিতীয় চরণে,
কা (১) শের (১) ম (১) ত (১) চুল (১)---চার মাত্রার একটি সম্পূর্ণ পর্ব ও এক মাত্রার একটি ভাঙ্গা পর্বে মোট পাঁচ মাত্রা।
চতুর্থ চরণে, দ্বিতীয় চরণের সাথে মিল রেখে
ভাস (১) লো (১) ন (১) দীর (১) কূল (১)---চার মাত্রার একটি সম্পূর্ণ পর্ব ও এক মাত্রার একটি ভাঙ্গা পর্বে মোট পাঁচ মাত্রা। উপরন্তু, 'চুল' এঁর সাথে অন্ত্যমিল রেখে 'কুল', বাহ, বেশ হয়েছে।
ভালই এগুচ্ছিল, কিন্তু এখানে এসে ছন্দ কি আর ঠিক রইল?
কিম্বা এখানে?
কিম্বা এখানে?
ধন্যবাদ, আপনার উদ্ধৃতি বেশ শেখার মত।
ভালো লাগলো।
ভাল লাগল
মন্তব্য করুন