ইউজার লগইন

নাজ'এর ব্লগ

আমার যাদুমনি (৩)

এই ছবি গুলো "আই সি সি ওয়ার্ল্ড কাপ ক্রিকেট ২০১১" এর বোনাস।
কাল রাতে ছবি গুলো ফেইসবুক এ শেয়ার করা মাত্র লাইক আর কমেন্ট এর নটিফিকেশনের জোয়ার দেখে আমি ভাগন্তি দিছিলাম। এখনো সেখানে যাইনাই, ভাবলাম আগে এইখানে শেয়ার করে নেই।

1_2.jpg
ছবি ১: বাংলাদেশ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ Smile

2_1.jpg
ছবি ২: বাংলাদেশ দলের জয়ের জন্য দোয়া দুরুদে ব্যস্ত ঋহান Wink

6.1.jpg
ছবি ৩: আই সি সি ট্রফিটা দেখা যায় দরজার উপরের স্টোররুমে Shock

3_2.jpg

আমার যাদুমনি (২)

একটা মেয়ে "মা" হওয়ার পর তার বোন এর কাছ থেকে যে সাহায্য পায়, তা মনেহয় দুনিয়ার অন্য কাউকে দিয়ে পূরন যোগ্য না। কিন্তু আমি ছোট বোন হয়ে আমার বড় বোন'কে সেই সাহায্য'টুকু করতে পারিনি। কারন, আমার বোন আর আমি প্রায় একই সময়ে মা হয়েছি। ঋহানের ১৫ দিন পর, ১৬ দিন এর দিন আমার বড় বোনের মেয়ে নোরা'র আগমন।

যাকগে, আসল কথা সেটা না। আসল কথা হচ্ছে, এই ঋহান আর নোরা যখন আরেকটু বড় হবে, তখন তারা একসাথে হলে যে কি কি করবে, সেটা ভাবলে এখনই চোখে সরষে ফুল দেখি! Nail Biting
কেন?
তাহলে আপনারাও দেখুন তাদের এক ঝলক......

3_1.jpg
Nora: এই যে ভাইয়াটা দেখি ঠিক মত বসতেও পারে না, খালি পড়ে যায় Sad

4_1.jpg

আমার যাদুমনি (১)

ঋহানের ছবি দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন অনেকেই, তাদের সেই ইচ্ছা পূরন করার সামান্য চেষ্টা.....
(যদিও অনেকেই এই ছবি গুলো অনেক আগেই ফেইসবুক এ দেখেছেন, তাও আবারো একবার সবার জন্য)

1_0.jpg
বিড়াল বাবা আমার, নিজেই নিজেকে খামচি কেটেছে Sad
2.jpg
3_0.jpg
বসা'র চেষ্টা
4_0.jpg
mommy's little monster
5_0.jpg

আমার বুড়ো বাবা - ঋহান ও আমি

হঠাৎ মনে সন্দেহ হলো, “সম্ভবত আমার ভেতরে আরেকটা অস্তিত্বের জন্ম হয়েছে”। যেদিন আমার সন্দেহটা যাচাই করতে গেলাম তখন আমার গর্ভে ঋহানের বয়স ৬ সপ্তাহ। ডাক্তার সাহেব উনার বিশেষ যন্ত্র দিয়ে আমাকে দেখালেন একটা ছোট্ট মাংস পিন্ড, শোনালেন তার হৃদ স্পন্দন। ক্ষনিকের জন্য কিছুই বিশ্বাস হলো না।
"মা"?

সেদিন থেকে শুরু হলো মা হিসেবে আমার দিন গননা। ডাক্তার তারিখ দিয়েছিলো ২৭শে জুলাই ২০১০। তার ঠিক ২দিন আগে ২৫শে জুলাই ২০১০, রাত ২:৪০ মিনিটে আমি প্রথম টের পেলাম যে ঋহান আজই চলে আসবে। রাত বেশি হওয়াতে কাউকে ডাকলাম না। ভোর ৫টায় আমার বোন (সে একজন ডাক্তার) কে বললাম। ব্যাথা সহনীয় পর্যায়ে থাকায় কিছুক্ষন অপেক্ষা করে সকাল ৮টায় আমাকে নিয়ে হাস্পাতালে রওয়ানা হল আমার বোন আর মা।

মেয়ে মানুষ = জটিলতা

ছেলেরা সবসময় কিছু কথা বলে-
“মেয়েদের বানানোর পরে স্বয়ং আল্লাহও মনে হয় ভাবসে, এইটা কি বানাইলাম?”
“মেয়েদের মন বুঝার সাধ্য দুনিয়ার কারো নাই”

আমিও ভাবি, আল্লাহ যে কেন মেয়ে মানুষ বানাইলো?

এই মেয়ে মানুষ এমনই স্বার্থপর যে, বছরের পর বছর সে যে পরিবেশে বড় হয়, যে মানুষগুলো কে আপন জানে, হঠাৎ একদিন কেবল একজন মানুষের টানে ঐ পরিবেশ, ঐ মানুষগুলো কে ছেড়ে সম্পূর্ন অন্য একটা পরিবেশে, অন্য সব অজানা মানুষের ভীড়ে চলে যেতে সে এতটুকুও দ্বিধা বোধ করে না। কিন্তু, ছেলেরা? তারা এমন স্বার্থপর না। তারা আজীবন তাদের নিজস্ব পরিবেশ, নিজস্ব মানুষগুলোকে আকড়ে ধরে রাখে। তাদের কাছে তো সেই একজন মানুষ-ই একটা জটিলতা, তার জন্য আবার কিসের এত টান?

শুভ জন্মদিন দোস্ত!

এবি'তে এসেছে ২মাস হলো, এক মাঝে অবশ্য নিজের পরিচিতিটা বানিয়ে ফেলেছে ও।

আমার সাথে পরিচয় প্রায় ৪ বছর আগে। পরিচয় হবার পরদিনই ও আমাকে জিজ্ঞেস করলো, "নাজ তোমার কি মন খারাপ?" হ্যাঁ, ঐদিন আমার প্রচন্ড মন খারাপ ছিলো। কিন্তু, ও বুঝলো কি করে? জানিনা একেই হয়তো বন্ধুত্ব বলে!

আমার খারাপ সময়গুলোতে এত এত মানুষের ভীড়ে যাকে আমি সবার সামনে পেয়েছি, যাকে মন খুলে সব কথা বলেছি, যার কাছ থেকে অনেক অনেক অনেক ভাল কিছু সময় পেয়েছি, আজ ওর জন্মদিন ছিলো।

লিজা!
Sorry রে! সব কিছু নিয়ে এখন নিজের মাঝে এতই ব্যস্ত থাকি যে, সারাদিনে তোর একটা খবরও নিতে পারিনি আজ।
মাফ করে দিস দোস্ত Sad

অনেক অনেক ভালো থাকিস!

friendship-quotes.JPG

অপেক্ষা......................

জুন ১৯৮৫, এক মা তার সন্তানের আগমনের দিন গুনছেন। এটি অবশ্য তার পঞ্চম সন্তান। এর আগে তিনি চার বার গর্ভ ধারন করেছেন। তার কোল জুড়ে এসেছে দুটি মেয়ে এবং দুটি ছেলে। যার মাঝে একটি মেয়ে সন্তান জন্মের কিছুক্ষন আগে মারা গিয়েছিল। তাই তার খুব ইচ্ছা তার পঞ্চম সন্তানটি মেয়ে হোক। তার চতুর্থ সন্তান জন্মের সময় তাকে অনেক সমস্যার সন্মুখীন হতে হয়েছিলো বলে ডাক্তার এর পরামর্শ ছিলো, তিনি যেন আর গর্ভ ধারন না করেন। করলে তা

শুভ জন্মদিন রন !

"রনি" অরফে “রন”- এই ছেলেটাকে এই ব্লগের কম বেশি সবার-ই চেনা’র কথা।

আজ যে নাম এর বদৌলতে আমরা এই ব্লগ দুনিয়া’য় দাপোটের সাথে চলি, এই “আমরা বন্ধু” নামটি যে ছেলেটির মাথা থেকে এসেছে, আমি তার কথা বলছি।

সেই বুড়ো লোকটি এবং আমি..

২০০৬ সালে’র মাঝামাঝি’র কথা, একদিন দেখি “রন” নামক এক বালক আমাকে একটা ই-মেইল পাঠিয়েছে। "আমরা বন্ধু" নামক একটা ইয়াহু গ্রুপে যোগদান করার অনুরোধ। করলাম যোগদান। শুরু হলো মেইল প্রাপ্তি। শিক্ষনীয় মেইল, আজাইরা মেইল..

হ্যালো এবি.. নতুন ভাবে ফিরে আশায় আমরা উৎফুল্ল :)

শুরু করে গেলাম। পরে লিখব ইনশাল্লাহ....................

.

আপাতত মুগ্ধতা রেখে গেলাম.. অনেক অনেক শুভকামনা! Cool

.