ইফতারাড্ডা নিয়ে ফজুল পোষ্ট
রোজার দিনের সবচেয়ে বিরক্তিকর বিষয় হলো ইফতারের দাওয়াত। ঘরের ডাইনিং চেয়ারে হাঁটু মুড়িয়ে বসে লেবু/দই/আমের সরবতের সাথে প্রচুর সালাদ দিয়ে ছোলা মুড়ি পিয়াজু মাখিয়ে খেতে যে তৃপ্তি তার সাথে ফাইভ ষ্টার হোটেলের ইফতারিও পাত্তা পায় না। কারো কোন দুইমত থাকলে আওয়াজ দিয়েন।
নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন এই ফজুল পোষ্টের উদ্দেশ্য। তা হলো, ইফতারের দাওয়াতের প্রতি আমার অভক্তি। আমি কোন ইফতারীর দাওয়াতে যেতে চাই না। আজকা চিটাগাং ক্লাবে একটা ইফতারীর কর্পোরেট জোরাজুরির দাওয়াত আছে, আমার না যাওয়ার কঠিন নিয়ত আছে। দোয়া করেন যেন সফলতার সাথে পিছলাইতে পারি।
সবশেষে, ভাইসব ইফতারের দাওয়াত দিয়ে বিব্রত না করার জন্য আপনাদের আগাম ধন্যবাদ।
[শানে নজুল: এই ফজুল পোষ্টে যে কোন রকম ইফতারাড্ডার প্রতি পোষ্টদাতার অনাগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে]





গত রোজায় আপনে যে আমারে ইফতার করাইলেন সেইটার কি হৈপে?
গত রোজায় ইফতারাড্ডা ছিল কই, ওইটা ছিল লন্ডন গমনেচ্ছু হুজুরের সাথে মোলাকাতাড্ডা।
মনে লয় আপনে "আমরা বন্ধু'র ইফতার আড্ডা" মিচ করচেন, তাই দুঃখমূলক পোস্ট।।
ব্যাপারস না। 
ফাঁকিবাজি পোস্ট
আমার তাইলে চিটাগাং যাওয়া হইলো না?
আশফাকুর-এর পোস্টে নীড়দা ঈদ-পরবর্তী পার্টি আয়োজনের অঙ্গীকার করছেন। সি-ওয়ার্ল্ডে
এইটা নিশ্চয়ই ঘটিবে
নীগ সন্ধানী রোজার আগে ইফতার আড্ডারো দাওয়াত দিছিলো...প্রতিশ্রুতির রাজনীতিতে তাই একটু সংশয়ে থাকি।
জনস্বার্থে প্রতিশ্রুতি ডাইভার্সন জায়েজ আছে
নীড়দা দাওয়াতের সাথে যাওয়া আসার ব্যবস্থা কইরেন আমাদের জন্য।আপনাদের সাথে আড্ডা দিতে মন্চায়।
আসা যাওয়া দুটোর ব্যবস্থাই করা যাবে। যদি বাংলালিংক থাকে
মাইনাস! এই রোজায় এখন পর্যন্ত একটা ইফতারির দাওয়াতও পাই নাই! লুগ্জনের দিলে রহম কইমা যাইতাছে!
হ, ঈদ পুনর্মিলনী করেন, আর আম্রা আবার ঢাকায় যাই গা।


আফসুস।
রহমদিল লুক্জনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা গেলো...কেউ আমার পেলেন ভাড়াটা দিলে আমিও আইতে চাই
...আছেন্নি কুনু রহমদিল ভাই-বোন, দুলাভাই, ভাবী, চাচা- চাচী, মামা-মামী থেকে হবু শ্বশুড়- শ্বাশুড়ি( হায় হায়রে বানান দেহি পারিনা কপালে মনে হয় হেরা নাই গ্গো)? 
আঙ্গুর ফলটা ক্যানো যেনো টক টক
দাদা , এই বার তাইলে ঈদ পূন্রমিলনীর আয়োজন করেন ।
মন্তব্য করুন