ইউজার লগইন

আশরাফুল আলম'এর ব্লগ

স্মৃতির ফুলে বৃষ্টি ছুঁলে পরে, আমার ঘরে গন্ধ টলোমলো-৩

একজন মায়াবতীর গল্প...

পৃথিবীতে কারো সময় যখন ফুরিয়ে আসে তখন সে স্মৃতিকে অবলম্বন করে বিদায়ের শঙ্কা কাটানোর চেষ্টা করে । কিন্তু আমি তো এখনো বুড়ো হয়ে যাইনি, এমন কি বিয়ে করে বাচ্চা কাচ্চার বাপও হয়ে পড়িনি, তবুও ইদানিং এত নস্টালজিয়ায় ভুগছি ক্যানো? শৈশব কেন্দ্রিক নস্টালজিয়া।
লেভি মেয়েটার কথা মাঝে মাঝে খুব মনে পড়ে, নিখুঁত চেহারার মায়াবতী একটা মেয়ে ছিল সে। আমি যতক্ষণ স্কুলে থাকতাম ততক্ষন আমার সাথে লেগে থাকতো। সঙ্গী হিসেবে আমি কোনদিনই সুবিধার ছিলাম না। মুখে কুলুপ এটে অদ্ভুত অদ্ভুত ভাবনা চিন্তা করা ছাড়া যে আর বিশেষ কিছু পারে না তার সাথে এতো আন্তরিক ভাবে মিশে মেয়েটা কি পেত কে জানে?

একটি শিরোনামহীন প্রেমের কবিতা

কবিতাটির শিরোনাম দিয়ে দিন তো

তোমার সাথে প্রেম চলেনি,
আমি আর ফুল ছুঁই না তাই।
অথচ তুমি কি নির্বোধ!
প্রেমদগ্ধ দুএক ছত্র লেখা দূরে থাক,
নিয়ত অপ্রেমে ঠুকে যাচ্ছ
আদিম দিয়াশলাই।
তোমাকে ঠেকানো উচিত ছিল,
যদিও ঝরঝরে প্রেমের বারুদে
তোমার শুদ্ধ আগুন পেতে ব্যার্থ হয়েছি।
ব্যর্থ না বঞ্চিত?
তুমি তো বেশ পানি ঝরাতে পারো চোখ দিয়ে,
দেহ থেকে অপ্রেমের লেহন ধুয়ে ফেলো।
তোমাকে কিনে দেব এক যৌবন প্রেম,
সত্যিই দেবো।
দুর্বল মানুষ কিছুই না পারুক,
নির্লজ্জ ভাবে অশ্রুগ্রন্থিতে
বাতিল প্রেম পুষতে পারে।

একটি কবিতা, দুইটি কবিতা, তিনটি কবিতা...

কবিতার ইকোনোমিক্স

ভাবের দলনে রাগ মোচে না আর,
প্রেমিকার দুনিয়া জুড়ে রাজ্যের ক্ষুধা:
রুটির এখন বিশেষ প্রয়োজন।
নো ফ্রয়েডিক,
নো প্লেটোনিক,
এখন থেকে কবিতা হবে নিপাট ইকোনোমিকাল।

প্রেম

রাস্তার গাড়ি গুলো থেমে গেলে
ট্রাফিক পুলিশকে লিখে দেব পৃথিবী।
লাল তিলের মেয়েটি কান ফুটিয়েছে।
বেশ্যাদের রাতভর জাগাবো জিকিরে,
হে ঈশ্বর, আমাকে ডানা দাও।
পকেটে ঘুমিয়ে আছে পাথরের দুল।

পুরুষতান্ত্রিক মন

যুবকের প্রতি প্রেমিকার কামুক চাহনি দেখে
ফুঁসে ওঠে পুরুষতান্ত্রিক মন,
একলৈঙ্গিক হাওয়ায় ফেপে ওঠে ঈর্ষার বেলুন।
ক্ষমা চাই উষ্ণ প্রেমিকা,
ক্ষমা চাই সুঠাম যুবক।

স্মৃতির ফুলে বৃষ্টি ছুঁলে পরে, আমার ঘরে গন্ধ টলোমলো-২

অনাকাঙ্খিত বিলম্বের জন্য কান ধরে উঠবস করছি- এক, দুই, তিন, চার...

আমার ক,খ শেখা সোবহান স্যারের কাছে। ভদ্রলোক কোন স্কুল কলেজের শিক্ষক ছিলেন না, শুধু টিউশানি করাতেন। তিনি প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাসায় এসে পড়িয়ে যেতেন, পড়তাম আমি আর তন্দ্রা।সোবহান স্যারের কাছে পড়াকালীন কোন স্মৃতি আমার ভয়াবহ দূর্বল মস্তিষ্কে এখন আর বিশেষ কিছু নেই, শুধু মনে আছে একবার আমার আর তন্দ্রার ভেতর এবিসিডি, কখগঘ এইসব লেখা নিয়ে একটা প্রতিযোগীতার মতো হয়েছিল। তাতে কী একটা পুরুষ্কারের ব্যাবস্থাও ছিল। প্রতিযোগীতায় কে জিতেছিল সে কথা না ই লিখলাম...

নার্সারী, কেজি এই সব পিচ্চি ক্লাস ডিঙিয়ে আমাকে সরাসরি ক্লাস ওয়ানে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হল।তন্দ্রার ঠ্যালা আরো বেশী, সে ভর্তি হলো ক্লাস টুতে। তন্দ্রা অবশ্য আমার থেকে বছর খানেকের বড় ছিল।

স্মৃতির ফুলে বৃষ্টি ছুঁলে পরে, আমার ঘরে গন্ধ টলোমলো-১

দ্বিতীয় পোস্টেই ধারাবাহিক লেখা শুরু করাটা বাড়াবাড়ি হয়ে গেল না?

এই দুপুর রাতে হুট করে ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল, যার ফল হিসেবে অবধারিত ভাবেই বাকি রাতটা দীর্ঘশ্বাসে দীর্ঘশ্বাসে ভারি হয়ে উঠবে, করার কিছুই নেই, এরই নাম স্মৃতির শরাব। ব্যাপারটা অনেকটা "বুক যত জ্বালা করে মুখ ততো চায়" এর মতো।
আমি ছোট বেলায় উদ্ভিদ টাইপের শিশু ছিলাম (এখন কিন্তু উদ্ভিদ ভোজী বাঁদর টাইপ!) সব সময় মায়ের আচলের ছায়ায় ছায়ায় থাকতাম, শিশু সুলভ লাফালাফি খুব একটা ছিল না আমার মধ্যে। খুব একটা বাইরে টাইরে বেরোতাম না, সারাদিন ঘরে বসে বিচিত্র ধরণের খেলা খেলতাম, এই যেমন কলম দিয়ে রেসলিং অথবা ক্রিকেট খেলা, সিগনেচার পেন আর মার্কারের শিশ দিয়ে গরু বানানো, ইত্যাদি ইত্যাদি...

একজন নিশি

আমার বন্ধু ব্লগে অধমের প্রথম পোষ্ট

আকাশে চাঁদ ওঠেনি আজকে। নিশির মন খারাপ, আকাশে চাঁদ ওঠেনি সেইজন্য না, অন্যকারণে।শশী এসে চা দিয়ে গেলো।অন্যমনস্ক ভাবেচায়ে চুমুক দিতে লাগল নিশি।পিসিতে রবীন্দ্র সংগীত বাঁজছে, মন ভাল করারআশায় ছেড়েছিল , মন ভালো হওয়া দূরের কথা এখন রীতিমতো বিরক্তি লাগছে। শশী বলল-" তোর কি হয়েছে রেআপু?"
" কিছু না"- ভ্রু কুন্চিত করে বলল নিশি।শশী ফোস করে একটা শব্দ করে রুম থেকে বেরিয়ে গেল, মুখ দিয়ে বিচিত্র ধরণের শব্দ করা ওর একটা বদঅভ্যাস হয়ে দাড়িয়েছে।