আসেন দিল খুইলা হাসি, এমন সুযোগ আর পাইবেন না.......।।...
অনেক আগে এক মুভিতে রাজনীতিবিদদের নিয়ে একটা মজার ঘটনা দেখছিলাম। এক অশিক্ষিত সন্ত্রাসী কাম রাজনৈতিক নেতা সংসদ সদস্য হবার পর সংসদে গেছে। কে কি আলাপ করে বুঝে না সে, কিন্তু তার তো কিছু বলতেই হবে। সুযোগ খুজছে সে। এমন সময় যখন মন্ত্রী বললেন "অমুক নদীর পানি কৃষকরা সেচের কাজে ব্যবহার করে, আমাদের প্ল্যান হচ্ছে সেই নদীর পানি বা স্রোতকে ব্যবহার করে প্রথমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবো, তার পর সেই পানি কৃষককে দেবো সেচের জন্য।" সেই নতুন সংসদ সদস্য এইবার সুযোগ পেয়ে চিৎকার করে উঠলেন, "না, কক্ষনো না,আমার জান থাকতে না।" সবাই অবাক, মন্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন কারনটা কি? সংসদ সদস্য ব্যাখ্যা করলেন কারনটা, "নদীর পানির মুল জিনিসটাই হৈলো বিদ্যুৎ, সেই পানি থেকে বিদ্যুৎ বের করে নিলে আর থাকে কি? কৃষকরা সেই পানি দিয়ে সেচ দিলে ফসলের কোনই লাভ হবে না।".......খিক খিক......
এমন কাহিনী শুধু মুভিতেই হয়না, বাস্তবেও হয়। বিশ্বাস হৈতেছে না? তাইলে আজকের আমাদের সময় পড়েন। মাউস স্ক্রল করে একটু নীচে যান, দেখবেন লেখা আছে,
বাঘ রক্ষা নয় ধ্বংস করব
হেডিং এ নিশ্চিত টাসকি খাইছেন, এইবার লেখকের নাম দেখেন, জ্বলজ্বল করতেছে "জয়নাল হাজারী"র নাম। হ্যা ভাই, হ্যা, এ আমাদের সেই "বাধনের ফাঁসী চাই" খ্যাত জয়নাল হাজারী। এইবার আনন্দভ্রমনের সুযোগ নেন, নির্মল আনন্দ। মোকলেসটাইপ লোকজন তাদের কাজকারবার দিয়া যেমন আনন্দ দেয় তেমন আনন্দ।
দেখেল মোকলেসটা কি লেখছে,
খবরে প্রকাশ, সুন্দরবনের উভয় অংশে বাঘ রক্ষায় বাংলাদেশ ও ভারত একটি যৌথ প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। বিশ্বব্যাংক নাকি এই প্রকল্পের অর্থ জোগান দেবে। যে বাঘ মানুষ হত্যা করে মানুষের মাংস খায়, সেই মানুষরাই মানুষখেকো বাঘকে রক্ষা করবে কেন?
থাইমেননা, ব্যাখ্যা আছে,
১।
আমি বুঝতে পারি না। বাঘের দুধ কিংবা মাংস মানুষ খায় না, বাঘের হাড় কিংবা দাঁত, রক্ত মানুষের কোনো কাজে আসে না।
২।
বাঘ সবচেয়ে সুন্দর প্রাণী হরিণ খায়, মানুষের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় প্রাণী গরু, মহিষ, ছাগলসহ সবই মেরে খেয়ে ফেলে। .....ডিসকভারি চ্যানেলে যখন দেখা যায়, একটি হিংস্র বাঘ একটি সুন্দর নিরীহ হরিণকে মেরে ফেলছে, তখন গা শিউরে উঠে।
৩।
সুন্দরের জন্য বাঘ নয়, প্রজাপতি রক্ষা করা হোক। মশা মানুষের ক্ষতি করে, সেজন্য মশাকে মেরে ফেলা হয়, তাহলে যে বাঘ মানুষ খুন করে তাকে রক্ষা করা হবে কেন?
হা হা হা, হতাশ হৈয়েন না, আরো আছে,
৪।
এই হিংস্র ঘাতক প্রাণীটিকে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত করে দেয়া উচিত। বাঁচিয়ে রেখে নয়, বরং সব বাঘ মেরে ফেলে ওদের চামড়া দিয়ে জুতা তৈরি করা হোক। ওদের চামড়া ড্রয়িং রুমে সাজিয়ে রাখা হোক।
এবং সাধু জয়নালের অমিয়বানী ও প্রতিজ্ঞাঃ
একদিন যখন আমি বাঁধনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলাম, তখন এদেশের প্রথম শ্রেণীর জাতীয় দৈনিকেও আমার বিরুদ্ধে সম্পাদকীয় লিখেছিল। আজ গণরোষের ভয়ে শুধু দেশ ছেড়ে নয়, বাঁধন বিদেশেও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আমি জানি একদিন অনেক মানুষই বাঘ রক্ষা নয় বরং বাঘ নিধন করতে চাইবে। আমি বাঘ রক্ষার বিরুদ্ধে শুধু সাধারণ অবস্থান নয়, এর বিরুদ্ধে সর্বত্র আন্দোলন গড়ে তুলব।
হাহাহাহাহা। হাসতে হাসতে চেয়ার থেইকা পৈড়া যাওয়ার অবস্থা।
শুধু হাসি কেন, করুনাও লাগে এইসব বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী লোকদের জন্য, এদের মানসিক বিকাশ থেমে গেছে সেই ল্যাংটাকালেই।
আর করুনা লাগে নিজেদের জন্য, এরা আমাদের নেতা বলে.....
আমি দিল খুইলা হাসতেছি, বহুদিন এমন হাসি নাই।
)
)





এন্টারটেইনমেন্টের ব্যবস্থা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। জনগনের মনোরঞ্জন রাজনীতিবিদদের দায়িত্বের মধ্যে পরে।
সিটাই। উনার এই সেক্টরটাও দখল দিতেছে।
হাহাউপগে (হাসতে হাসতে উল্টাইয়া পইড়া গেলাম
)
হাহাহা, এইবার সোজা হন।
এই হাজারির সাথে মিলছে আমগো আগাচৌ !!
এরা আমাগো নেতা না, এরা দলগুলার নেতা। আর দলগুলা সাধারন মানুষদের প্রতিনিধিত্ব আর করে না।
হ মাইট! আগাচৌ জ্ঞাণপাপী টাইপের, আর হাজারী মোকলেসটাইপ।
হাহহাহা, মন্তব্য পৈড়া হাসতেইছি....। দাবীর সাথে একমত।
কডিন !!! কডিন !!!!
=))
আসলেও মজার।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন, 'আকবরের আমলে রাজদরবারে ভাঁড় থাকতো। সেই ট্রাডিশন আমরা এখনো ধরে রাখছি। এইটারে সংসদে পাঠানো হোক।'
এক্কেরে একমত....
বিমলানন্দ উপভোগ করলাম।
মন্তব্য করুন