দিন যায়..থাকে ক্লান্তি......।
১। ইদানিং খুব ক্লান্ত থাকি, ব্যস্ততার কারনেই হয়ত। একের পর এক ড্রাফট জমা দিচ্ছি থিসিসের বিভিন্ন পার্টের, তার সাথে থাকছে ডিলে করা এক্সপেরিমেন্টটা।যেহেতু ট্রাউজারের উপর আন্ডু পরি না, তাই এত ডামাডোলে ক্লান্তিটাকে এভয়েড করা সম্ভব হয় না।
২। মেয়ে বড় হয়ে যাচ্ছে। কেমন বড়? "আই নো এভরিথিং" টাইপের চাপাবাজি করার মত। তার সাথে নানা ধরনের পরামর্শ মুলক ডায়ালোগ থাকে।
ছোটবেলায় টিভির পোকা ছিলাম আমরা, তবে পুরাটা সময় টিভি দেখার ধৈর্য্য ছিলোনা, কারন কার্টুন ছবি চলতো সেই বিকেলেই শুধু। সন্ধ্যার দিকে হাতে দশটা আংটি পরে লোকজন কেতাবী আলোচনা শুরু করতো, তখন থেকে রাতের নাটক বা ইংলিশ সিরিয়ালের আগ পর্যন্ত টিভি দেখার কিছু ছিলো না। তাতেও আব্বার বকুনি...."এত মনোযোগ টিভিতে না দিয়ে পড়ালেখায় দিলেই তো হয়.....।" কথাটার ৬০% বাসার বড় সন্তান আপাকে উদ্দেশ্য করে বলা, কারন তার নেতৃত্বে আমাদের টিভি দেখা চলতো.....
আর এখন!! সারাদিন কার্টুন চলে টিভি চ্যানেলে, আমার মেয়ে টিভির সামনে সোফার কাছে ঠিক এক ভাবে দাড়িয়ে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কার্টুন দেখতে পারে। ননস্টপ। বিশেষ করে ছুটির দিন গুলিতে। সন্ধ্যায় কার্টুন দেখানো শেষ হলে "ঐখানে এখন বড়দের কাট্টুন হবে" বলে টিভি বন্ধ করে কম্প্যুটার দখল দেয়, আর কোন একটা অ্যানিমেশন মুভি দেখা শুরু করে। আব্বা এখানে থাকলে যে কি বলতো............।
কি আর করা...। নিজের ব্যস্ততায় মেয়ের জন্যও সময় বের করা মুস্কিল হয়ে গেছে এখন।
৩। পুলিশ সবখানেই ক্ষমতার বলে সুবিধা নেয়। বাংলাদেশে তো এটা হরহামেশা দেখা যায়, এই পার্থেও সেটা দেখা গেলো।
হাতের কাছের পেট্রোল স্টেশনের কনভিনিয়েন্ট রিটেল শপে মেয়ের মা কাজ করে। আমাকে নিয়ম করে আনা নেয়া করতে হয় ড্রাইভার হিসেবে। তো কয়েকদিন আগে শপের সামনে কেউ একজন গাড়ি পার্ক করে রেখে হাওয়া....। দুদিন দেখে পুলিশে খবর দিলো ম্যানেজার। পুলিশ এলেই এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার ভিন্স মাগনা কফি খাওয়ায়... পুলিশ পেয়ে গেছে মজা। সকাল বিকাল ৩-৪ বার করে আসা শুরু করলো, তবে এসে আগে নিশ্চিত হয় ভিন্স আছে কিনা..... থাকলে.......... খিক খিক....। শপে কাজ করা সবাই এটা নিয়ে হাসাহাসি করে....। আমি শুনি বউয়ের কাছ থেকে আর মনে মনে বলি...."পারলে বাংলাদেশে গিয়া আমরার পুলিশগো নিয়া হাসো....। বুঝবা তখন, জজ মিয়া কারে কয়"...... এখানের পুলিশ তো ভেড়া। পুলিশকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানো আর পুলিশ সুস্থ হয়ে বের হয়ে আসার আগেই শাস্তি শেষ হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে বিস্তর.....
যাক.... লাইফটা শেষ পর্যন্ত কষ্টেরই......।





কি কন লিখিত লাইফে কষ্টের কিছু দেখলমনা ।
মামনি কে আদর দিয়েন। আপনি কেমন আছেন ? ব্লগে দেখাই যায়না একদম !!!!
কষ্ট ছেলো প্রথম প্যারায় আর আমার ক্লান্তিতে। সেইটা কেমনে কেমনে মেয়ের কথা কৈতে গিয়া ভুইলা গেছি।
আদর পৌছানো হৈছে।
কিন্তু পোস্ট পৈড়াতো কষ্ট পাইলাম্না
ম্যালাদিন বাদে... ঘটনা কিতা?
শইলডা ভালা?
কষ্ট না পায়্যা আপনে কষ্ট পাইছেন দ্যাখা যায়।
ব্যস্ততার কারনে ফেসবুকের বাইরে আর কিছু যাওয়া হয় না..। ঘটনা এইটাই। আর পুষ্ট না দিলে যদি সুলেমানী ব্যান মারেন সেই জইন্ন দিলাম।
আমি আশাবাদী মানুষ। কোন কিছুতে হতাশ হই না আশায় জেগে বসে থাকি প্রদীপ জ্বালিয়ে।
আমি থাকি এই দুইটার মাঝখানে। আশাও ছাড়ি না আবার হতাশ হয়্যা কিছু সময় নষ্ট করি...........।
কুথায় কষ্ট? কিসের কষ্ট? মেয়ের সৌজন্যে বুড়া বয়সেও কাটুন দেখতে পাচ্ছেন , আর কি চাই?মামনিটাকে অনেক আদর।
পুলিশ সব জায়গাতেই ফ্রি কফি খায়, টাকা দিতে চাইলেও মানুষ ভদ্রতা করে
নেয় না 
রাফি ভাইকে দেখে আমার খুশি খুশি লাগতেসে। বিষয়টা বুঝতে পারতেসি না।
তিন নম্বরটা জোশ। সুখের কথা শুনতেও সুখ
আপনার নিদারুন কষ্টের কথা শুইনা খুব খারাপ লাগল। ইস কত কষ্টে আছেন! শহ্য করার মত না। অনেকটা এইরকম,
ক্ষুধার জ্বালা আর ভাললাগেনা।
ক্যান তুইতো ভালোই খায়া নাদুসনুদুস হইছস।
আরে, ডেলি বিরানি, চাইনিজ খাইতারিনা। কি কষ্ট দ্যাখ!
@জয়িতাবোনডি, তানাবীরাপু, রায়হানসাব...... পুরা পোষ্টে সুখ কুই দেখলেন? প্রথম প্যারায় কষ্ট। পরের প্যারাগুলোতে কষ্ট না থাকলেও বিরিয়ানীসুখ আইলো কোত্তে!

@মীর, আপনের কমেন্ট পৈড়া ব্যাপক আনন্দিত হৈলাম।
বাপের ভয়ে টিভির সামনে থাকতে পারতাম না। এখন ছেলের ভয়ে পারি না। একটা কিছু বুঝাইয়া দেয়।
মন্তব্য করুন