নিষিদ্ধ হয়ে গেলে সংগম
গভীর যাতনা নিয়ে পথ হাঁটতে শুরু করেছিলো সে
কিন্তু ক্রমাগত বেড়ে গেছে তার চলার স্থিরতা
এক এক করে দীর্ঘ পদক্ষেপে মেয়েগুলো তাকে অতিক্রম করছিলো
তারাও ফুল ফুটবে বা ফোটাবে বলে এক চঞ্চল ছন্দকে বেছে নিলো
জানলাম প্রথম আমি আজ, রাতেও চড়ে কবুতর আলোর রাস্তায়
তারাও খুঁজে খুদ পানি জেগে রাত অথবা
জীবনের এক অপ্রাকৃত হাতছানি নিসর্গ নমিত করে দেয়
তার বুকের স্পর্শ কোমল পেতে আঁকুপাঁকু করছিলো মন।
একদিন দাবায় নিবদ্ধ থেকে অনুভব আসে তড়িৎগতি
কে যেন জালের ওপার থেকে বাড়িয়ে হাত কোমলমতি
তার কড়ে আঙ্গুলের স্পর্শ পেয়েছি আমি আলতো যতি
নিষিদ্ধ হয়ে গেলে সংগম বেলা শেষের উদগ্র বাসনা ধিকি ধিকি জ্বলে উঠে
তুমি ন্যাংটো ইঁদুর হয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়িও না।
[২০১২-র শেষ দিবসে লেখা কবিতা]





আমার কবিতার দাম এত অল্প?
(
(
বুঝিনাই!
কি করি বলুন তো?
মন্তব্য করুন