একটা কিচ্ছা
আমাদের চার তালার আন্টি মারা গেলেন ক্যান্সারে। চার দিনের মিলাদ হলো। হুজুর আসলেন তিনি মাশাল্লাহ একবার শুরু করলে থামেন না। হয়তো গান বাজনার ধাক্কায় হুজুররা সারা মাস কোন ঠাসা থাকেন বলে একবার প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পেলে শতরঞ্চি ধরে টান না মারা পর্যন্ত থামতে চান না। আমাদেরকে মুখ কালো আর গম্ভীর করে বিরাট লম্বা কাল কাটাইতে হয় মিলাদের পরের তেহারীর আশায়। চল্লিশার মিলাদে আমরা ভাইবোনেরা কেউ আর বিরিয়ানীর আশায়ও ওপরে যেতে রাজি না। সেই বয়সে পৌঁছে গেছি যে ঘাড় ত্যাড়া করে বাবা-মাকে অগ্রাহ্য করে ফেলতে পারি। আর জানি বাসার বাউন্ডারীর মধ্যে বিরিয়ানি রান্না হয়েছে যখন তখন কিছু না কিছু বাড়ি পর্যন্ত আসবেই।
আম্মি প্রথমে রাগ করে পরে অনুরোধ করে বলে ক্ষান্ত দিয়ে নিজে রেডি হতে লাগলেন। একজন শুধু আমাদের বাসায় বাবা মায়ের বাধ্য সন্তান। তো তিনি গেলেন আম্মির সাথে আম্মির মন আর বাড়ির মান রক্ষা করতে। সন্ধ্যা ছয়টায় যেয়ে রাত দশটায় তারা নীচে নামলেন ক্লান্ত বিধ্বস্ত চেহারা নিয়ে। নীচে নেমে আম্মি "ওনা"কে বোঝালেন, হুজুর যখন কথা বলছিল, তখন তুমি কেনো অন্যদের সাথে হাসছিলে, কথা বলছিলে? হুজুর ভাল ভাল কথা বলছিল, সেগুলো শুনতে হয়। তখন হাসা, কথা বলা বেয়াদপি, অভদ্রতা। প্রথমে হুজুরের অত্যাচার তারপর আম্মির হিতোপোদেশে দিশেহারা হয়ে বাড়ির আইডিয়াল সন্তান বলেই ফেললো, "আমি জানি ভালো কথা বলছিল হুজুর, কিন্তু ভালো কথা অনেকক্ষণ শুনতে ভালো লাগে না"। আচমকা বেমক্কা জবাব পেয়ে আম্মি একদম প্রস্তরবত মূর্তি।
এরপর এটা বাসায় বুলি হয়ে গেল। সবাই সবাইকে বলি, ভাল কথা বইল্লো না, শুনতে ভাল লাগে না। ব্লগে এলে আজকাল ছোটবেলার এ কান্ডটা প্রায়ই মনে পড়ে। ব্লগটা ক্যাঁচালবিহীন, ভ্যাজালবিহীন এখানে মন টিকে না, ব্লগিং করে আরাম নেই, বেশিক্ষণ ভালো লাগে না
(





হ। ঠিক কইছেন। ক্যাচাল ছাড়া মেড়মেড়া,ক্রিসপি না। আসেন ঝগড়াঝগড়ি করি।
বেরসিক মডু। ক্যাচাল করা লুকদের বের করে দেয়
আর ক্রিসপি হুহ
(
জেনা পুরাপুরি ক্যচাল বিহীনও না
আম্নে আমারে কাইল্কা কঠিন মন্তব্য করছেন[ লাউরা নিয়া লেখাটাতে] আমি দাঁ খুন্তি নিয়ে রাইত ভর পাহারা দিছি আপনে ব্লগে আইলেই ধরবো কিন্তু আপনে ডরে আসেন নাই তাই আর ক্যচাল করলাম না
আমি বহুত ডরপোক
আপোষে ঝগড়া করতে চাইতাছেন?
সব আমি করলে আপনারা কি করবেন?
এইটা কোন পোষ্ট হৈলো। আজাইরা টাইম নষ্ট হৈলো পড়তে আইসা।
কথা সত্য! এইটা কি ছাতামাতার পোষ্ট হইছে! আজাইরা কি পরিমান টাইম নষ্ট হইছে এইটা পোষ্টদাত্রী ক্যাম্নে বুঝবো! কত্তো কষ্টে আমরা টাইমরে আজাইরা বানায়া রাখি আচার দেওনের মতো, আর ইনি হুদাই তারে পচাঁনির তাল করছেন!
এইটা কোন কমেন্ট হইলো? আজাইরা বিদ্যুৎ নষ্ট হৈলো পড়তে আইসা।
আসলেই
হ, আসলেই
কইলো কিচ্ছা কইবো। তা না তেহারী বিরিয়ানীর লোভ দেখাইলো।


আবার উনি আসবেনে মাঝরাইতে। ঘুমের চোটে লাইভ বিনোদন মিস।শালার এই চ্যাং ব্যাং জীবন আর ভালো লাগে না।
আই লাব ক্যাঁচাল, ভ্যাজাল। আপ্নে তো ভালোই জানেন আমি কেমন খান্ডারনী টাইপ। বাড়ির আইডিয়াল সন্তানকে নিয়ে নো হাংকি পাংকি।
কে হাংকি পাংকি করল শুনি?
আসসালামু আলাইকুম। তুমি কি নেদারল্যান্ডে বসবাসকারী তানবীরা তালুকদার? যদি সে'ই হও তবে তুমি তোমার বেয়াইন। আমার বউমা কেমন আছে? বেয়াই কেমন আছে? আশা করি সব খবর ভাল। আমি গতকাল এখানে নিক নিবন্ধন করলাম। আশা করি মাঝে মাঝে আসবো। তোমার লেখা পড়া হবে। কথা হবে। ভাল থাকার প্রার্থনা রইলো।
আইজারা দেখতেছি বলগে একখান ভুত আইসা ফালাফালি কর্তেছে।
বইয়ের লাইগা কইলাম খাসদিলে দুয়া কইরেন 
আপ্নের দুয়া অনেক এক্টিভ
ক্যান? পোষ্ট দিবা, কিভাবে বইকে হর্নি করবেন?
এই সংশয় নিয়েই এই জাতির আজ এই দশা।ক্যাচাল ছাড়া ভাল্লাগেনা ক্যাচাল হইলে কইবেন এইখানে থাকার পরিবেশ নাই!
সব বুঝে ফেললে আর শান্ত থাকতে পারবা?
"তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে আমরা যখন সম্রাজ্যবাদীদের চোখ রাঙানো আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতার শিকার হয়ে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছি একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে; ঠিক তক্ষুণি, ঠিক সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আপনার এই পোস্টের মাঝে আমি খুঁজে পাচ্ছি অন্ধকার ঠেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটি আলোকসম্ভাবি সম্ভাবনা আর বিদেশী বেনিয়াদের কাছে বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব গ্রহন করার বিপক্ষে একটি সুক্ষ বার্তা যা আমার মনে মুড়ি খাওয়ার বাসনা জাগিয়ে তুলেছে।
যাই, মুড়ি খেয়ে আসি। "
[সূত্র : কমেন্ট সংগ্রহ - আমোকা]
আমোকা না হয়ে যদি খামোকা হইতো তাইলে বেশী ভালো হতো।
অসম্ভব ভালো একটা মন্তব্য রেখেছেন। বহুদিন পরে একটা প্রাসঙ্গিক মন্তব্য পড়লাম। রবীন্দ্রপরবর্তী যুগে উত্তরাধুনিক ভাবধারায় এই মন্তব্য বাংলার ভাবাকাশে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও সময়ঊপযোগী ভাবনা আপনার। একেবারে সমস্যার মূলে হাত দিয়েছেন। আপনার বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত।
"সমকালীন বঙ্গীয় সাহিত্যাকাশের উদীয়মান নক্ষত্রসম লেখকের এই রচনাখানি সাহিত্য পিয়াসীদের মনে যে নিগূঢ় বেদনার সৃষ্টি করিয়াছে তাহা কেবলমাত্র নব্য একবিংশীয় ধারার তত্ত্বীয় দর্শনের সহিত প্রাচীন চন্ডী মঙ্গলীয় রোমান্টিসজমের সামঞ্জস্যপূর্ণতার ব্যাখ্যাই নহে, বরং বর্তমান পেটি বুর্জোয়াদের জলশূন্য অন্ন ভক্ষণের তীব্র ক্ষুধাও প্রকাশ করিয়াছে...
ইহা শক্ত এবং স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করিতে পারা-ই লেখকের বয়স্য বুদ্ধির অভাবই প্রমাণ করিয়াছে ।"
[সূত্র : রেডিমেড কমেন্ট সংগ্রহ - আমোকা]
"এই লেখাটিতে লেখক মনের অন্ধি সন্ধিতে যে মনস্তাত্বিক টানাপোড়েনের আভাস আমরা দেখতে পাই সেটা নিয়ে আসলে বিশদ আলোচনার অবকাশ রয়েছে। লেখাটিতে আমরা পাবলো পিকাসোর কিউবিজমের সাথে সালভাদর দালির স্যুরিয়ালিজমের একটি সম্মিলিত অভিক্ষেপের লিখিত রূপ দেখতে পাই। লেখককে সাধুবাদ তিনি খুবই মুনশিয়ানার সাথে এই দুটি বিপরীতমুখী চিত্রকলার ধারাকে একই লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করতে পেরেছে। এ প্রসঙ্গেই স্বনামখ্যাত পরিচালক আকিরো কুরোশাওয়া হয়তো কখনো বলেছিলেন "দুটি বিপরীত ধারার মিলনে যেই লেখনী আমাদের সামনে প্রতিভাত হয়ে ওঠে সেটাই আসলে একটি ব্যবসা সফল চলচ্চিত্রের মূলকথা"। যাক, এই লেখা নিয়ে আলোচনা করার দুঃসাহস করলে পাতার পর পাতা আই মিন মেগাবাইটের পর মেগাবাইট শেষ হয়ে যাবে তবু আলোচনার সিদ্ধান্তে আসা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে যাবে।
আমি লেখকের সুস্বাস্থ্য এবং সার্বিক উন্নতি কামনায় এক চুমুক পাগলা পানি খেতে উদ্যত হই..."
[সূত্র : রায়েহাত শুভ, রেডিমেড কমেন্ট সংগ্রহ - আমোকা]
পোষ্ট দিতে না পারলে কি হবে, হিংসা দেয়ার লুকের অভাব নাই জগতে। রবীন্দ্রনাথ, শেক্সপীয়ার, টমাস হার্ডিরে হিংসা সহ্য করতে হয়েছে, আমাকেতো করতেই হবে, জগতের নিয়ম। বিখ্যাত আর জনপ্রিয় হওয়ার বিড়ম্বনা

ক্যাচালে ভ্যাজাল
ভ্যাজাল খাওয়া বাঙ্গালী খাঁটি জিনিস নিতে পারে না
(
কালকে এক মিলাদে গেছিলাম... এখন দেখলাম বয়ান শুধু হুজুরেই করে না... আশেপাশের সব্বাই
হুমম ঘরে ঘরে হুজুর গড়ে উঠেছে
তীব্র দিক্কার জানায়ে গেলুম ।
ক্যাচাল করতে চান , কত্ত বড় কথা !!!! আবার উপমা হিসাবে বিরিয়ানির কথা কইলেন !!!! এখন বিরিয়ানি খাইতেও মঞ্ছায় আবার ক্যাচাল করতেও।
বিরিয়ানির কথা কইলেন তাও মিলাদ এর তবারকের বিরিয়ানি !!! মিলাদ করে হুজুর রা । তারসাথে হুজুর দের নিয়ে বেয়াদপি । আপনার উপর লান্ত। আপনি আমার ধর্মীয় অনু-ভুত ই তে আঘাত করেছেন।
আপনাদের কারনেই আজ দেশ ও জাতি দিশেহারা , কূলহারা । এই দেশে পিছিয়ে গিয়েছে ২০ বছর । নাহলে এ দেশে .।.।
খাইয়া বাকীটুকু কইতাছি
ভাগ্যিস আপনে চেতছিলেন, নইলে কি ক্যাচাল হইতো?
এতক্ষনেও কেউ ব্লগীয় ক্যাচাল চালু করতে পার্লো না, দেশটার যে কি হবে!
মন্তব্য করুন