প্রবাসের জীবন চিত্র
একাকী প্রতিদিন নির্ঘুম রাত কাটাই
দেশ-মাতা তোমায় হৃদয়ে রেখে,সেকেন্ড,মিনিট
ঘন্টা,দিন মাস বছর।একের পর এক।
বিশাল অট্রালিকায় করি বসবাস,পাচতারা হোটেলে
খাবার খাই,ফাস্টফুড,রসালো-বিদেশী চটকদার রান্না
। কই মাছের ঝোল আর হেলেঞ্চা শাকের স্বাদ
জিভে জল আনে ,তাই বিস্বাদ লাগে এখানে সব।
ব্যাস্ততা আর কোলাহল নিংড়ে ফেলে জীবনের সব ।
আম্রকাননের শীতল পবনের লোভ জাগে।
নাগরিক কোলাহলে পথ হারাই রাতের পর রাত।
হুট করে ঘুম ভেঙ্গে যায় , মনে পড়ে
মা তোমার স্নেহ মাখা সেই মমতার মুখ।
ভুলে থাকতে তোমায় আবার বীয়ারের পেগে
নিজেকে লুকাতে চাই একের পর এক ।রাত শেষে
ভোরের আহবান , নেই পাখির কিচির মিচির
নেই শিশির ভেজা ঘাসের চাদর । ব্যাস্ত আমি
ছুটে চলি । প্রবাস জীবনের ব্যাস্ত কোলাহল আর
চক বাঁধা জীবনের গণ্ডিতে । দিনের পর দিন
মাসের পর মাস, বছরের পর বছর
তবু মেলেনা মুক্তি আমার এই বেড়াজাল থেকে।
আমি প্রতীক্ষায় থাকি , দেশের মাটি আর
মা তোমার আঁচলে মুখ লুকানোর জন্য।
(১৮.০৯.২০১১ দুপুর ০১.২৫ রিয়াদ, সৌদি আরব।)





কবিতার ওপরে দ্বিতীয়বার শিরোনাম ও নাম না দিলে ভালো হয়। আর কিছু কিছু জায়গায় বিরাম চিহ্নের পর স্পেস দিয়ে দিতে পারেন।
মায়ের বাসার কই মাছের ঝোল আর হেলেঞ্চা শাক খুব মিস করি। বিয়ের পর আমরা যারা মায়ের বাড়ি থেকে দূরে বাস করি, তাদের জীবন অনেকটা প্রবাসীদের মতো।
কবিতা হৃদয় ছুঁয়ে গেল।
ঠিক করে দিলাম । আপনার মঙ্গল কামনায় ।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনাকে ও ধন্যবাদ আপু । ভাল থাকবেন সে মঙ্গল কামনায়।
ধন্যবাদ তানবীরা
মন্তব্য করুন