প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কাউন্সিলর নির্বাচন: পোকায় কাটা গাছের গোড়ায় গণতন্ত্রের জল...
সাফল্যের নিরীখে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ণ প্রকল্পগুলোকে এই কিছুদিন আগে পর্যন্তও এগিয়ে রাখা হতো বেশ খানিক। কিন্তু সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গেছে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার হার আবারো প্রায় পঞ্চাশ ভাগে উন্নীত হয়েছে। বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রবণতাও ৪% হ্রাস পেয়ে ৯৩%'এ নেমে গেছে। এমনি একসময় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে শৈশবেই গনতান্ত্রিক চর্চার প্রতি উৎসাহী, পরমতসহিষ্ণুতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ণে শিক্ষার্থীদের যূক্ত করার প্রয়াসে একটি নতুন প্রকল্প চালু করা হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে গতো ১৪'ই জুন পরীক্ষামূলকভাবে সারাদেশের ১০০টি বাছাইকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন। এ নির্বাচনে প্রতিটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ নিয়েছে। প্রতিটি ক্লাস থেকে অন্ততঃপক্ষে দুজন করে ক্লাস প্রতিনিধি নির্বাচনের মধ্যদিয়ে একটি সাত সদস্যের ছাত্র প্রতিনিধি কমিটি তৈরী করা হয়েছে প্রতিটি বিদ্যালয়ে। যারা বিদ্যালয়ের সাতটি প্রধান কার্য্যক্রমে তদারকী করবে। এই কার্যক্রমসমূহের মধ্যে রয়েছে-পুস্তক ও শিখন সামগ্রী, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, পানিসম্পদ, দুপুরের খাবার ও অভ্যর্থনা এবং আপ্যায়ন। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে অনুপ্রেরণা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ তৈরীতে এই নতুন প্রচেষ্টা ইতোমধ্যেই সমাজকর্মী এবং বিশেষজ্ঞমহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
বর্তমান সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ দায়িত্ব নেয়ার পর প্রায় দেড় বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যেই স্কুল পর্যায়ে সময়মতো নতুন বই পৌছে দিয়ে তিনি মনোযোগ কেড়েছেন। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতে দেশব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাণের সঞ্চার করেছেন। তারই অধীনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই স্টুডেন্ট কাউন্সিলর নির্বাচনের উদ্যোগটিও যখন আশার মুখ দেখতে পেলো তখন দেশের শিক্ষাবিদ-শিক্ষানুরাগীরা বিষয়টিকে বেশ ইতিবাচক একটি পদক্ষেপ হিসেবেই গ্রহণ করেছেন। তবে গতো ১৪ জুনের এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে আয়োজনের ঘনঘটা দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তদের অভিভাবক মহল যেভাবে যূক্ত হয়েছেন এই প্রক্রিয়ার সাথে তাতে কিছু বিষয় নিয়ে চিন্তা করারও যে সময় হয়ে এসেছে সেটাও উল্লেখ্য।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে এই কাউন্সিল গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়েছে গণতন্ত্র চর্চার প্রতি উৎসাহী করে তোলা। কোমলমতি শিশুদের মাঝে খেলাচ্ছলে, শৃঙ্খলাপরায়ন পরিবেশে এ ধরনের নির্বাচন আসলেই কতোটা কার্যকরী হবে সেটা হয়তো ভবিষ্যতই বলে দেবে; কিন্তু যে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগ্রহণের প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিক কোন নিশ্চয়তা নেই তাদের কিভাবে ভবিষ্যতের নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা সম্ভব সেটা এই প্রক্রিয়ার পরিকল্পকরা কতোদূর ভেবেছেন সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ। ১৪জুনের এই নির্বাচন অনুষ্ঠান প্রায় জাতীয় অন্য যেকোনো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আদলেই আয়োজন করা হয়েছে। শিশু শিক্ষার্থীরা নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছে সবার সামনে ক্লাসে ক্লাসে তারা গিয়েছে ভোট প্রার্থনা করতে। ধীরে ধীরে এই প্রক্রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকানের আলোচনায়। প্রার্থীদের অভিভাবকেরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন। বিদ্যালয়ের চৌহদ্দী ব্যানার-ফেস্টুন-পোস্টারে ছেয়ে গেছে ধীরে ধীরে। এসব দেখে সংশ্লিষ্টদের উৎসাহ টের পাওয়া গেছে, কিন্তু এই যে প্রতিযোগিতামূলকতার চর্চা, তা একজন শিশুর মনস্তত্বে কিভাবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ তৈরীতে সহযোগিতা করবে, সে বিষয়ে কি শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে অন্যান্য পরিকল্পনাকারীরা একবার ভেবে দেখেছেন!?
গণতান্ত্রিক চর্চা বলতে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকেই মোটা দাগে বোঝানো হয়। কিন্তু এই মোটা দাগের চর্চাকেই কি আমরা শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাইবো? নাকি এ ধরনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চায় শিশুদের আগ্রহী করে তোলা? একজন শিশুকে আমরা ভোট প্রার্থনা করতে শেখাবো? নাকি কেনো ভোট প্রার্থনা একটি প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সেটা শেখাবো? এ প্রশ্নগুলোকে সামনে আনতেই হচ্ছে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর স্থানীয় এবং জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদে আয়োজনের বাহুল্য এবং ধরণ দেখে। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার একটি স্কুলের একজন প্রার্থীর মায়ের অনুভূতি একটি জাতীয় দৈনিকের রিপোর্টার লিখেছেন,"আমার গ্যাদার নাইগ্যা গেরামের ব্যাবাক বাড়িতে গেছি ভোট চাইতে, ছাত্তরগরে চকলেট খাওয়াইছি, গ্যাদা আমার লেতা হবি, হুগলি ভালাই ভোট দিতাছে।" এই কথায় আসলে কি প্রতিফলিত হয়। যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অভাব মাথায় রেখেই এধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে, সেই সর্ষে দানাতেই চকলেটের ভুত এসে বসে গেছে নির্বাচনের আগে। আমাদের জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনী প্রচারাভিযানে প্রার্থীরা টাকা ছড়ায় নেতা হবার প্রত্যাশায়। এই নেতা হবার প্রক্রিয়া জাতীয় সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। ভবিষ্যত প্রজন্মকে এই সকল নেতিবাচক চর্চার মানসিকতা থেকে সরিয়ে আনাটাই হতে পারে এ মুহুর্তে গণতান্ত্রিক চর্চায় আগ্রহী করে তোলার সবচাইতে বড়ো উদ্দেশ্য।
দলমতহীন একটি নির্বাচনী প্রয়াসকেই আমাদের দেশে গণতান্ত্রিক চর্চার পূর্বশর্ত হিসাবে গ্রহণ করে ফেলছেন অনেকেই। ছাত্র রাজনীতিকে জাতীয় রাজনীতি থেকে পৃথক একটি স্বত্ত্বা হিসেবে দাঁড় করানোর কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ হিসাবে সামনে আসছে জাতীয় রাজনীতির অসারতা, জাতীয় রাজনীতির মাঝে দূর্নীতি এবং অনৈতিকতার বিভিন্ন উপাদানের উপস্থিতি প্রবল হয়ে পড়াকে। অথচ দেশের জাতীয় রাজনীতির এই প্রকোপ থেকে বাঁচতে হলে আমরা প্রতিষেধকে যাবো, নাকি গা বাঁচিয়ে চলবো তা নিয়ে আলোচনার যখন অনেক বেশি প্রয়োজন দেখা দিয়েছে, যখন জাতীয় রাজনীতিকে ঢেলে সাজানোর মধ্য দিয়ে একটি নতুন দেশের স্বপ্ন দেখার সময় হয়ে এসেছে ঠিক সেসময়ে আমরা আরো রাজনীতিবিমুখ ব্যক্তিতান্ত্রিক নির্বাচনমূখী একটি ব্যবস্থার প্রসার করতে চাইবো আমাদের কোমলপ্রাণ শিশুদের মাঝে? ছাত্রদের এই কাউন্সিল কি কোনো শিক্ষাপদ্ধতির অংশ হিসাবে আমাদের শিশুরা চর্চা করবে, নাকি তা কেবল হবে লেতা হওয়ার উপলক্ষ্য? এসব প্রশ্নগুলি অবশ্যই সামনে আনতে হবে, এখনই। নাহলে একশোটি বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলক সাফল্য দেখিয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হবে কোনোরকম উদ্দেশ্যাভিমূখি না হয়েই। জাতীয় নির্বাচনের একটি মিনিয়েচার তৈরী করা ছাড়া আর কোনোরকম শিক্ষা আমাদের শিশুরা পাবে না এই প্রক্রিয়ার আদলে।
এছাড়াও আরেকটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়। নব্বইয়ের ছাত্র-গণঅভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে আমাদের দেশে গণতন্ত্রের হাতছানিতে যে ক্ষমতা বদলের প্রক্রিয়া চালু হয়েছে তার ফলশ্রুতিতে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শুরু হয়েছে সরকারী ছাত্রসংগঠনসমূহের দৌড়াত্ম। সরকারী ছাত্র সংগঠনের একচেটিয়াত্বের মাধ্যমে কেবল ক্ষমতার মুখগুলো পাল্টে যাচ্ছে গতো ২০ বছর ধরে। সন্ত্রাস এবং নির্যাতনের ধরণ কেবল একইরকম রয়ে যাচ্ছে না, বরং আরো নতুন আধুনিক রূপ পরিগ্রহ করছে এর কারণ হিসেবে জাতীয় রাজনীতির দারিদ্র সামনে চলে আসছে। কিন্তু দেশের এই সব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীদের গণতান্ত্রিক চর্চার কোনো উদ্যোগ একটি সরকারও নিতে আগ্রহী হয়নি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করনের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়তঃ। ছাত্র-ছাত্রীরা মুখ বুজে ক্ষমতার দৌরাত্ম সহ্য করে কেবল পাস করে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে, যেই স্বপ্নেও থাকে একটি ক্ষমতাবান চাকরীর হাতছানি। অথচ এই দারিদ্রের অসারতা আমাদের বর্তমান উদ্যোগমূখী শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টিতে এখনো পড়েনি। ছাত্র সংসদের কক্ষগুলি পরিণত হয়েছে ক্ষমতাসীনদের আড্ডাবাজী এবং নির্যাতনের স্থান।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন না দেয়ার পেছনে ক্ষমতাসীন সরকারসমূহের যে মানসিকতাটি কাজ করে তা হোলো ক্ষমতার একচেটিয়াত্বকরনের সাধ-আহ্লাদ। তারা চায় নিজের দলের মাঝেই বেড়ে উঠুক তার সন্ত্রাসের হাতিয়ার। একটি কার্যকর ছাত্র সংসদ সব সময় ক্ষমতালোভী মন্ত্রী-এমপিদের দূর্নীতি পরায়নতার সমূখে হুমকী হিসাবে উপস্থিত থাকে। ছাত্র সংসদের অনুপস্থিতিতে আরেকটি বিষয় রীতিমতো নোংরামীর পর্যায়ে চলে গেছে গতো দেড় দশকে। শিক্ষকরা বাধাহীন হয়ে পড়েছে। শিক্ষক রাজনীতিতেও চলছে অনৈতিকতা চর্চার এক্সপ্রেস রেল। যার ফলে দ্বিতীয় শ্রেণী পাওয়া দলীয় কর্মীটি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে এলাকায় চাঁদাবাজী থেকে শুরু করে ছাত্রী'র উপর যৌন নির্যাতন শেষে এখন হাত বাড়াচ্ছে নারী সহকর্মীর দিকে। আর এসব শিক্ষকরাই এখন ইন্ধন যোগাচ্ছে, অনেকক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলবাজী সম্প্রসারনে। শিক্ষকদের ব্যক্তিগত অভিলাষে ব্যবহৃত হচ্ছে ক্ষমতাসীন ঘনিষ্ঠ ছাত্র সংগঠনের মাস্তানেরা।
ছাত্র রাজনীতির বর্তমান অবস্থার শুরু হয়েছিলো স্বৈরশাসক এরশাদের হাত ধরে। নব্বই দশকে ছাত্র রাজনীতিকে জাতীয় রাজনীতির করালগ্রাসের (?) হাত থেকে রক্ষার নিমিত্তে সে দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংগঠিত করেছিলো নিজের পেটোয়া বাহিনী। যারা অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে ছাত্র সংসদগুলো দখল করে সমাজ জুড়ে বিস্তার করেছিলো সন্ত্রাসের কালো হাত। যার মূল দায়িত্ব ছিলো স্বৈরতন্ত্রের আখের গুছানোতে সহযোগিতা, অনেকক্ষেত্রে সরাসরি অংশগ্রহণ। এদেশের ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের যাত্রা শুরু হয় একটি রাজনীতিহীন পরিবেশেই।
স্বৈরতন্ত্র পতনের সময়েই তৎকালীন ছাত্র রাজনৈতিক নেতারা চেয়েছিলেন ছাত্র আন্দোলনের ১০ দফার বাস্তবায়ন। আমাদের সুবিধাভোগী রাজনীতিবিদরা ছাত্রদের এই আশার প্রতিফলনে কোনো সময়েই ভূমিকা রাখেন নি। আজকের ছাত্র রাজনীতি যে কারনে কেবল ক্ষমতাকেন্দ্রীক হয়ে পড়েছে। স্বৈরশাসকের পতন ঘটেছে ঠিকই, কিন্তু স্বৈরতন্ত্র রয়ে গেছে রাজনীতিবিদদের অন্তরে। অবহেলিত ছাত্র সমাজ এখন রাজনীতিকে, গণতান্ত্রিক চর্চার সম্প্রসারণকে একটি বাহুল্য হিসেবেই দেখতে শিখে গেছে। জ্ঞানার্জনের বিদ্যাপীঠ এখন হয়ে পড়েছে সার্টিফিকেট অর্জনের ক্ষেত্র। যে সার্টিফিকেট তাকে বহুদূর নিয়ে যাবে। কেবল গণতন্ত্রের দেশে আর কখনো তার যাওয়া হবে না।
গণতন্ত্র চর্চা একটি বৃহৎ বিষয়। এর বিস্তারের জন্য প্রয়োগকারীকেও মূল্যবোধের বিস্তার ঘটাতে হয় সর্বক্ষেত্রব্যাপী। গাছের ডালে-পাতায় যখন পোকার আক্রমণ চলছে অবিরত, সেসময়ে কেবল শেকড়ে জল ঢাললেই তরতর করে গাছটি বেড়ে উঠবেনা। যারা এভাবে গণতান্ত্রিক চর্চার কথা ভাবছে তারা আসলে একটি অবৈজ্ঞানিক চিন্তাকে আশ্রয় করে ইউটোপিয়ান স্বপ্নের জগতেই আছেন। আমরা আশা করবো শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এ বিষয়টিকে শীঘ্রই উপলব্ধি করবেন। তার একটি সুন্দর উদ্যোগ কেবল সঠিক চিন্তার অভাবে গণতান্ত্রিক ভাবে চর্চিত ফ্রাংকেনস্টাইন প্রসব করবে না এটাই আমাদের প্রত্যাশা।





প্রত্যাশার সঙ্গে একমত।
মন্তব্য করুন