একটি কারখানা বিষয়ক কবিতা...
এক.
আমি এক কারখানা
বিরামহীন উৎপাদন করেছি তাদের।
যারা আজো চোখ মেলে
দেখে নাই মেলা কিছু।
আমার শ্রমিক ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে,
তার হাতুড়ি বাটাল পড়ে;
তবু নড়ে নাই যন্ত্রের সামর্থ্য।
যন্ত্রাদির সাথে শ্রমিকের কুস্তি চলে...
আমি কারখানা তবু ঠায় আচ্ছাদনের আড়ালে
শ্রমিকদের আর যন্ত্রাদিরে যতনে রেখেছি।
আমি প্রতিদিন যন্ত্র আর শ্রমিকের স্বার্থরক্ষা করে চলি
ঠেকাই রোদ্দুর-বৃষ্টিজল আর গোপনীয়তা...
কারখানা কখনোই মালিকানা চাইতে পারে না।
তারা কেবল উৎপাদনের ছাউনী হয়ে
বেঁচে থাকে। আর উৎপাদিত পণ্যেরা কারখানার
নাম লিখে রাখে ইতিহাসে...যে ইতিহাস অনেকে না পড়েই
ফেলে রাখে পড়ার টেবিলে...
দুই.
কেউ একজন কারখানার নাম ভুলে গেছে
কারণ দীর্ঘসময় বন্ধ ছিলো কারখানার দরোজা...
শ্রমিকেরা এসে ফিরে গেছে...চৌকাঠে মাথা কুটে।
তিন.
যদি চালু থাকে তবে কারখানা,
আর বন্ধ হলে পোড়োবাড়ি...
ভুত আর ভবিষ্যত সেথা ভয় নিয়ে খেলা করে।





বিজিএমইএ- যাদের এই কবিতার মত হবার কথা ছিল কিস্তু কার্যকারণের চিরন্তন দ্বন্দে তাদের সেরকম হয়ে উঠা হয়নি।
এফডিসি'র সামনে ঐটা কি বিজিএমইএ'র ভবন? ঐ বিল্ডিংটা দেখলে আমার কেরম যাদুঘর যাদুঘর মনে হয়। মনে হয় ঐখানে ইতিহাস আর যাদুকররা একলগে বইসা থাকে...
হ্যাঁ সেই ভবনটিই। জলাধার বন্ধ করে অন্যায়ভাবে বানানো ভবন।
কিচ্ছু কওয়ার নাই
মৌনমূখরতা...
সিটি অফ গোল্ড সিনেমাটা দেখার পর থেকে কারখানা আর শ্রমিক নিয়ে কথা ওঠলেই গা শিরশির করে ওঠে
সিটি অফ গোল্ড মানে কি সেই বিখ্যাত ডক্যুমেন্টারিটা? ফটোগ্রাফ বেইজ্ড একটা ডক্যুমেন্টারি দেখছিলাম...
না, একটা ফুল ফ্লেজেন্ড সিনেমা। দেখতে পারেন
এল ডোরাডো? নাকি লস্ট সিটি অফ গোল্ড?
কবিতা পড়ে সুকান্ত ভট্টাচার্যকে মনে পড়ে গেলো। উনার মতো হয়েছে বলবো না। কিন্তু প্রতিবাদী হয়েছে। ধারালোও।
ভাস্করদা' মিলান কুন্ডেরা অনুবাদের কি হলো? অপেক্ষায় আছি।
মন্তব্য করুন