চোখ আর দৃষ্টি বিষয়ক কিছু স্বগতঃ সংলাপ...
এক.
প্রথমেই চোখ দুটো খুবলে নিয়ে পুড়েছি পকেটে। তারপর পরেছি সাদা শার্ট...পথের তুমুল ব্যস্ততায় অদৃশ্য আমারে আর কোনো চোখ অনুসরণ করেনি। ঠিক যেমন আমার চোখ জোড়া শুধু আঁধার দেখেছে, ঠিক যেমন আমিও আর কিছু দেখতে পারি নাই। তবে বৃষ্টি এলে আমি ও আমার চোখেরা জলের ঠান্ডা প্রবাহরে টের পাচ্ছিলাম...জলের আকার কিম্বা বর্ণ নাই বলে খুবেকটা দুঃখবোধ ছিলো না। আর যেহেতু চোখেরা পকেটের আড়ালে নিথর ছিলো সেহেতু কান্নারো কোনো স্কোপ আসে নাই।
থেকে থেকে রক্ত ঝরছিলো ফোটায় ফোটায়...কয়েকটি ফোটা পকেটের ধারে কাছে পৌছালেও চোখ থেকে বেশ দূরেই থেকেছে।
দুই.
হৃৎপিন্ডে ক্র্যাম্প হলে টের পাই। টের পাই কয়েকফোটা বাতাসের কনা এই মাত্র ঢুকেছে অলিন্দে। তাদের অবশ্যি জানা নাই কোনখানে যেতে হয়...
মস্তিষ্কে পৌছালে ভালো...না হয় হয়তো আজীবন ঘুরে ফিরে কেটে যাবে রক্তের প্রতারণায়।
তিন.
আগেও ছিলাম অন্ধ, এখনো তেমনি রয়ে গেছি...কেবল পাল্টেছে রুটিনের লেখাজোখা। কেবল পাল্টেছে পাল্টানোর অভ্যাস...





ভাস্করদা' আপনে যে বস্ কত রকমের লেখা পারেন! অবিশ্বাস্য।
অসাধারণ লাগলো।
আরে আজিব তো,

খালি চোখ আর হৃদয় গেল? আরো কত কিছু রইল বাকি?? নাক- কান- গলা!!!
ভালো লাগছে।
ধন্যবাদ মীর, জয়িতা আর মুক্তবয়ানরে...
খাইছে, ডরাইছি

এই লাইনটা সবচেয়ে সুন্দর হয়ছে ভাস্কর দা।
@মেসবাহ ভাই: ডরের চোটে ঘুমাইয়া পড়লেন?
@ রাসেল আশরাফ: ধন্যবাদ...
কঠিন...। তবে ভালো লাগলো।
দারুন লেগেছে।
২ আর ৩ অসাধারণ লাগলো।
৩ প্রসঙ্গে সুমনের একটা গান মনে পড়লো-
পাল্টায় মন পাল্টায় বিশ্বাস
শ্লোগান পাল্টে হয়ে যায় ফিসফাস...
প্রেম পাল্টায় শরীরও পাল্টে যায়
ডাকছে জীবন আয় পাল্টাবি আয়...
.
দারুণ
বেশ
জটিলের বাবা জটিলা লেখছেনদি! চোখ খুবলে নেবার পরও সাদা শার্ট দেখবার হ্যাপায় পড়তে হতোনা যদি হৃৎপিন্ড খুবলে নেয়া যেতো...যেহেতু বুকের খাঁচায় সেটা ধুঁকপুক করেই চলে......তাই বদলে যাওয়া সময়ের কাছে হাতের মুঠো খুলে দিতেই হয়..।মনে মনে আওড়াতে হয় 'পোড়া চোখ কেনো তুই অন্ধ হলি না.....' খৈয়াম ট্রিটমেন্ট আরকি.....কি কইতে কী কইলাম রে! আমিও গেছি রেএএএএ
(
কেবল পাল্টেছে রুটিনের লেখাজোখা। কেবল পাল্টেছে পাল্টানোর অভ্যাস...
জটিল দুটো লাইন
মন্তব্য করুন