ইউজার লগইন

টুকরো-টাকরা ১

১.
তালেবানগো বিরুদ্ধে লড়াই করতে হইবো, এইরম জেহাদি ঘোষণা আমাগো অধিকাংশ প্রগতিশীল বন্ধুগো চেতনায় আসা যাওয়া করে। কিন্তু আমরা জানি না আফঘানিস্তানে তালেবানি শাসন কায়েমের রাজনীতি। আমরা অধিকাংশই জানি না কেমনে মধ্যবিত্ত আফঘানিস্তিয়ান তৈরী কইরা দিছে আমেরিকান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আমরা জানি না বা জানতে চাইনা এই রাজনীতির সাথে বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ রাজনীতির কদ্দূর সম্পর্ক বিরাজমান।

এমনিতেই আমাগো দেশে মিশন পলিটিক্স বিশাল একটা বিষয় হইয়া গেছে। কারণ একটাই, সামরিক বাহিনীর সদস্যরা আমাগো আভ্যন্তরীণ রাজনীতির বড় উপজীব্য। তারা সরকারী বেতন আর সুবিধাদির বাইরে মিশনের টাকা পাইলে বাড়ি-গাড়ি বানাইবো। তারা দেশের প্রিভিলেজ্ড অংশ হইলেও মিশনে যাওনের সুযোগে সমাজের ক্ষমতাধর নীতি নির্ধারক হইবো এইটা মাইনা নিয়াই আমরা সিভিলিয়ান। মার্কিনী অনুরোধে আফঘানিস্তানে সৈন্য পাঠাইয়া কোন পক্ষে যাইতাছি এইসব দেখনের বালাই বা সময় কোনটারেই পাত্তা দিমু না এইরম আবেদন বা দাবী জানাইলে বিষয়টারে আমার আধিপত্যবাদীই লাগে। মার্কিনীরা কইলো তাই পলিটিক্যালি জাস্টিফাই করনের কোনো প্রয়োজন নাই এইরম ভাবলে বিষয়টা আবেগের হইতে পারে, কিন্তু কতোটা পলিটিক্যালি কারেক্ট হয় তা দেখনের বিষয় আছে।

যদিও অনেক প্রগতিশীল মানুষজন মার্কিনীগো দাবীর প্রতি সহমর্মিতা জানাইতেছেন, তবু আমি কইতে চাই এইসব প্রগতিশীল মানুষ আসলে এক চোখা, তারা আসলে দেশের মানুষের অন্তরাত্মারে ছোটো কইরা দেখেন। তারা নিজেগো মহা পন্ডিত ভাবেন। এইসব মানুষের রাজনৈতিক সংগ্রামে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা প্রশ্নবিদ্ধ। তারা জানেন না তারা আসলে কি চান। তারা জানেন না আসলে এই দেশের মানুষের হৃদয়ের চাওয়াটা কি...

আমার মার্কিনী অনুরোধ-উপরোধ শুনলে ব্যাটাগো বিপদে ফেলতেই বেশী আগ্রহ তৈরী হয়।

২.
সাম্প্রতিক সময়ে থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার নামের একটা চলচ্চিত্র দেখলাম। দেইখা বিরক্ত হইলাম। ফারুকীর লগে একসঙ্গে গাঞ্জা খাওনের অভিজ্ঞতা থেইকা জানি তার এই সিনেমা কোনো প্রাসঙ্গিক প্রয়োজন কিম্বা সামাজিক বিশ্লেষণগত অবস্থান থেইকা নির্মিত হয় নাই। কেবলি অর্থ উপার্জনের তাগীদ ছিলো এই সিনেমা নির্মাণে। কেবলি বিনোদনের নামে ভাড়ামির উপাদান রাখা হইছে এই সিনেমা নামের প্রহসনে। পেশাগত কারনেই এই দেশের চলচ্চিত্র নিয়া প্রায়শঃ ভাবি। ভাইবা যদিও কোনো লাভ হয় না, বরং এই দেশের নির্মাতাগো পেশাদারিত্ব আর উদ্দেশ্য বেশ কাছ থেইকা উপলব্ধি করনের কারনে জানি তারা কোন ধরনের সংকটে থাকেন, কোন ধরনের সামাজিক মূল্যবোধের কারনে তারা শট ডিভিশন বা স্টোরী টেলিং স্টাইল নির্ধারণ করেন। আর তাই এদিকে-ওদিকে বিতর্ক উঠলে বেশ বিব্রত বোধ করি। শিশুতোষ উপলব্ধি দেখলে হাসিও পায়।

যারা এই দেশের বাণিজ্যিক টিভি চ্যানেলের কাছ থেইকা জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি প্রত্যাশা করেন বক্তব্য দিয়া, যারা এই বক্তব্য ব্যতিরেকে আর কোনো ধরনের অ্যাক্টিভিজমে অংশগ্রহণের মুরোদ রাখেন না, তাগো এইরম আষ্ফালনে হাসি পায়...অট্টহাসির নহর বহাইয়া দেই। কারণ এই মানুষেরাও যদি আমাগো শিল্প-সাহিত্যে অবদান রাখনের চেষ্টা চালান, সেইটারে কোনোভাবেই এই দেশের সমাজ-সভ্যতার অগ্রগামিতায় চিহ্নিত করা যাইবো না তা জানি। এই মানুষগুলি নিতান্তই বলদ কিসিমের। তারা অপ্রয়োজনীয়।

প্রয়োজন এই দেশের নিজস্ব গল্প বলার ধরণ। প্রয়োজন এই দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসরে পাঠ করতে পারে এইরম মানুষগো...যারা রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত, যারা এই দেশের সংস্কৃতিরে অন্তর দিয়া পাঠ করতে পারছে। ঘরের খাইয়া বনের মোষ তাড়াইছে গতো দশকে...তাদের প্রতি আহ্বান জানাই,

জাগো বাহে কোনঠে সবাই!

৩.
আওয়ামি লীগ তাগো নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে যুদ্ধাপরাধীগো বিচার করবো বইলা তরুণ সমাজের একটা বড় অংশের ভোট নিজেগো পাতে টানছে। কিন্তু তারা যা শুরু করছে তারে আমার যুদ্ধাপরাধীগো বিচারের বদলে যুদ্ধাপরাধীগো লগে প্রহসণ বইলাই মনে হইতেছে। এই প্রহসণে নাটকের সংজ্ঞা মাইনা সকলের প্রবেশ-অনুপ্রবেশ। বিষয়টারে আরো হাস্যকর করার প্রবণতা আছে আওয়ামি নেতুবৃন্দের। যেকোনো ধরনের পরিস্থিতিরে যুদ্ধাপরাধীগো বিচারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক জাহির কইরা ক্ষমতা টিকাইয়া রাখনের বা জনপ্রিয়তা ধইরা রাখনের একটা অপচেষ্টা আওয়ামি নেতাকর্মীরা অহর্নিশী চালাইতেছে, যেইটা একজন রাজনৈতিক সংগ্রামের সৈনিক হিসাবে মাইনা নেয়াটা কঠিন। আওয়ামিরা কি চায় সেইটারে বরং প্রশ্ন সাপেক্ষ লাগে বেশি...

দেখা যাক এই যুদ্ধাপরাধী ইস্যূতে আওয়ামি নেতৃবৃন্দের বাণিজ্য কদ্দূর যায়।

ফুটনোট: বহুদিন কিছু লিখি নাই, আজকে মনে হইলো এই না লেখাটা আসলে নিজের কাছে নিজের অপরাধ...এখন থেইকা অন্ততঃ নিজের লেইগাই কিছু লিখনের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হইলাম।

পোস্টটি ১২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

তানবীরা's picture


১. সহমত

২. এই ফালতু ফ্লিমটা অস্কারে পাঠাচ্ছে যার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এটা আমাদের দেশের কিছুই রিপ্রেজন্ট করে না।

৩. আমরা যে বদলাই না কোন মূল্যেই সেটাই আবার প্রমানিত।

ভালো থাকবেন, কুন্ডেরা আর আত্মহত্যা সিরিজের আশায় আছি

মামুন হক's picture


ওয়েল্কাম্ব্যাক! আপনার লেখালেখি মিস করছি। আফগান-আম্রিকা বিষয়ে একটা লেখা আধাআধি ড্রাফট করে ফেলে রাখছি, শেষ করায় কোনও আগ্রহ পাই না। কী হবে এসব লিখে!

নুরুজ্জামান মানিক's picture


১। সহমত ।আফগানস্থানে বাংলাদেশের সৈন্য পাঠানো উচিৎ মনে করিনা । সরকার যদি আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত নেয় তবে তার বিরুদ্ধে যে কোনো চিন্তা ও কর্মতৎপরতার সাথে আমি আগাম সংহতি প্রকাশ করছি ।

২। থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার দেখি হয় নাই ।

৩।

যেকোনো ধরনের পরিস্থিতিরে যুদ্ধাপরাধীগো বিচারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক জাহির কইরা ক্ষমতা টিকাইয়া রাখনের বা জনপ্রিয়তা ধইরা রাখনের একটা অপচেষ্টা আওয়ামি নেতাকর্মীরা অহর্নিশী চালাইতেছে

মুকুল's picture


একমত হইলাম।

আফগানিস্তানে সৈন্য পাঠানোর বিরুদ্ধে সব ধরনের মিডিয়াতে ব্যাপক প্রচারণা চালানো দরকার। কারণ আমাদের রাষ্ট্র দূর্বল। এর পররাষ্ট্রনীতি নতজানু। তাই জনগণের সচেতনতাই পারে সরকারকে ভুল সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে। শক্তিশালী রাষ্ট্রের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার মত মানসিক শক্তি অর্জন করার মত শক্তিটা ব্যাপক জনসচেতনতা থেকেই আসতে পারে। তাছাড়া জনগণের কাছ থেকে প্রতিবাদ আসলে সরকার অন্তত আধিপত্যবাদী আমেরিকাকে এই বলে বুঝ দিতে পারবে যে, জনগণ এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে।

নীড় সন্ধানী's picture


১. আমাদের পররাষ্ট্রনীতিতে বহুবছর কোন মেরুদন্ড নাই। সৈন্য পাঠানো উচিত অনুচিত এটা বিবেচনার আগে আমার বিবেচনা আমাদের একটা মেরুদন্ডসই পররাষ্ট্রনীতি। (সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়, এরকম একটা আবাল নীতি পড়ে আসছি ছেলেবেলা থেকে, সেখান থেকে কোন উন্নতি হয়েছে বলে জানা নেই)

২. ফারুকীরে মনে হয় সব ব্লগে একটু বেশী পাত্তা দেয়া হয়ে যাচ্ছে (সমালোচনা দিয়েও)। তার নাটক সিনেমা নিয়ে এত আলোচনা দেখি যে, তারে শেষমেষ বিখ্যাত লোক বলেই বিবেচনা করতে ইচ্ছা করছে। আর সে তো নিজেকে আব্বাস কিওরাস্তামির কাছাকাছি মনে করা শুরু করছে।

৩. এইটার পরিণতি নিয়ে আমি বিশাল শংকিত। আওয়ামীলীগের নেতাদের আজাইরা গলাবাজি বিচারকে ব্যহত করছে কিনা জানি না, কিন্তু আমি চরম বিরক্ত। গলাবাজি না করে রাজাকারগুলো একাত্তরে কি কি করছে তার পত্রিকার কাটিং এর অডিও ভিডিওর বাছাইকৃত অংশ চালালে বরং জনমত গঠনে আরো সহায়ক হতো।

ভাস্কর's picture


ফারুকী জনপ্রিয়তো অবশ্যই...ব্যক্তিগতভাবে আমি তার নির্মাণের ধরণ পছন্দ না করলেও, তার গল্প কওনের ধরণ অনুসরণ না করলেও তারে অজনপ্রিয় কইতে পারি না। এখন তার ভাষারীতি নিয়া প্রশ্ন তোলার প্রবণতাটা অনেক পুরানা বিতর্ক। এই ভাষারীতিরে সারয়ার ফারুকীর নিজস্ব বানাইয়া দেওনের চেষ্টা হইতাছে। তারপর ফারুকীরে গাইল পারা হইতাছে জাতির ভবিষ্যত নষ্ট কইরা দেওনের অভিযোগে। কিন্তু আমাগো আমলে আজিমপুর কলোনীর একটা বাংলা ভাষার প্রচলন আছিলো, যেইখানে সারাদেশের বিভিন্ন জনপদের মানুষেরাই থাকতো। দেয়ালের ঐপারেই আছিলো লালবাগ। তো আজিমপুরের ঐ পোলাপাইনেরা একরম ভাষায় কথা কইতো...মুরব্বীরা সামনে আইলে তাগো মুগ্ধ করনের লেইগা প্রমিত বা শুদ্ধ কওনের চেষ্টা যদিও ঐ পোলাপাইনগো মধ্যে ছিলো, তবু তারা নিজেগো মধ্যে কম্যুনিকেট করনের লেইগা নিজেগো ধরনের ভাষারেই বাইছা নিছিলো।

ফারুকী আমার ব্যাচের পোলা। তার জন্ম নাখালপাড়ায়। কিন্তু আজিমপুইরা ভাষা তখন সারা ঢাকার শহরেই প্রচলিত হইতেছিলো পরিক্রমায়। যেই কারনে ফারুকীর নাটকে এই ভাষা রীতিতেই সংলাপ কওয়া হয়। আর সেই রীতি ২০০০ পরবর্তী জেনারেশনের কারনে পাল্টাইয়া যায় অনেক্ষানি। এইটাই তো নিয়ম...যোগাযোগ করনের ভাষারীতিতো এমনেই পাল্টায়। ফারুকীরা ফিল্ম থিওরী অনুযায়ী রিয়ালিষ্ট ঘরানার অনুসারি। তার নাটকে সেইটা ব্যর্থ প্রয়োগের চেষ্টা আছেই। আমি সেইটারে অপছন্দ করতে পারি, কিন্তু নিজেরা বিকল্প না দেখাইয়া সমাজ-সভ্যতা গেলো গেলো কইয়া লাভ কি?

রংপুরের একজন রিকশাওয়ালার গল্প ফারুকী কইতে চায়না। সে অ্যাসপিরেশনাল আরবান মিডলক্লাস লইয়াই তার কাহিনী তৈরী করে। ঐ অংশ যেই ভাষায় কথা কয় তারা সেইটারেই সংলাপের ধরণ হিসাবে বিবেচনা করে। ফারুকীরে চলচ্চিত্র বা ফিকশন ধর্মী অডিও-ভিজ্যুয়াল নির্মাতা হিসাবেই দেখতে চাই, সে অতি অবশ্যই ভাষা বিজ্ঞানী না। তার প্রিয় ব্রুস স্প্রিংস্টিন বা স্টিং'য়ের গান নাটকে থাকে। এই জমানার পোলাপাইনে কয়টা গান শুনছে ঐ জমানার এইটা প্রশ্নসাপেক্ষ কিন্তু একজন পরিচালকের পছন্দ-অপছন্দতো তার তৈরী ইমেজে, দৃশ্যায়নে প্রভাব ফেলবোই। সিনেমা মানে তো আর ডক্যুমেন্টেশন না সবসময়, এন্টারটেইনমেন্টও তার একটা অংশ হইতেই পারে।

ফারুকীরে লইয়া যেই তর্ক হয় সেইটারে আমার নিরর্থক বা কিছু মানুষের উষ্মাই মনে হয়। আব্দুল্লাহ আল মামুনরা খারাপ মানুষ বুঝাইতে ধূমপায়ী দেখাইতেন। আজকাল মদ না খাওয়া খারাপ মানুষও অ্যাভেইলেবল। আইকন প্রীতি আসে সামাজিক মূল্যবোধের থেইকা। আজকালকার জমানার পোলাপাইন সিগারেট খাওয়া মানুষরে খারাপ মানুষ বিবেচনা করে না। ঐ ইমেজ এখন হাস্যকরও হইতে পারে। ফারুকীর নাটকের লিটন ভাইয়ের ফ্ল্যাটতো এই সমাজের আরবানাইজেশন প্রক্রিয়ার একটা স্যাটায়ার। এই স্যাটায়াররে তো তার লিপ্সা অভীপ্সা হিসাবে চিহ্নিত করনের কোনো সুযোগ নাই। সামাজিক মূল্যবোধই ঠিক কইরা দিবো লিটন ভাইরা তাগো ফ্ল্যাটের চাবী বিতরণ কইরা বেরাইবো কি বেরাইবো না।

ব্যক্তিগতভাবে আমি ফারুকীর সিনেমা ভাষা মানে ইমেজ প্রকাশ পদ্ধতিরে পছন্দ করি না। তয় তারে বাদ দিয়া সিনেমা ইতিহাস লিখনের পক্ষের লোকও হইতে চাইনা। একটা ডেকাডেন্স কাল কাটাইতেছে আমাগো সমাজ সভ্যতা। এই সময়ের সিনেমাতেও তার প্রভাব পড়বো এইটাই স্বাভাবিক লাগে আমার কাছে। এর মধ্য দিয়াই তৈরী হইবো কোনো শক্তিশালি প্রকাশ...যেইটারে আমরা আমাগো সিনেমা কইতে পারুম। যেমনে কইরা দাঁড়াইছে ভারতের চলচ্চিত্র ভাষা...উদ্দেশ্য বাণিজ্যিক হইলেও তারে ভারতীয়ই কইতে হয়। সবাই যে আইজেনস্টাইন-তারকোভস্কি কিম্বা অং কার ওয়াই হইবো এই কথাতো কোথাও লেইখা রাখা হয় নাই।

নুশেরা's picture


ওয়েল্কাম্ব্যাক ভাস্করদা! লেখা ভালো লাগছে, বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে আজকাল ভালো লেখা কেবল মন খারাপ করায়।

বকেয়া সিরিজের সাথে ডায়রীও ভু্ইলেন না।

"এই দেশের নিজস্ব গল্প বলার ধরণ" ধারণ করেন এবং "এই দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসরে পাঠ করতে পারে এইরম মানুষ" কে কে আছেন অথবা সম্ভাব্য তালিকায় থাকতে পারেন বলে মনে করেন?

ভাস্কর's picture


এই দেশের গল্প বলার ধরনে আমার চোখে যারা পড়ছে তারা হইলো নুরুল আলম আতিক, অনিমেষ আইচ, ওয়াহিদ তারেক, গিয়াসউদ্দিন সেলিম (যদিও তার মনপুরা বেশ হতাশ করছে)। ইতিহাসের রাজনৈতিক পাঠ বা রাজনীতির ঐতিহাসিক পঠনেও নুরুল আলম আতিক, ওয়াহিদ তারেক আর গিয়াসউদ্দিন সেলিমের নাম উল্লেখ করতে হয়। সেলিম ভাই বাদে বাকীরা খুব শীগগিরী সিনেমা বানাইবো বইলা জানি। আপাততঃ টেলিভিশনেই হাত পাকানো চলতাছে।

অমিতাভ রেজারে আমার সুন্দর দৃশ্যের নির্মাতা মনে হয়। বিজ্ঞাপনে যেইটা দিয়া পার পাইয়া যাওয়া যায় বা ঐটাই বেশি প্রয়োজনীয়। কিন্তু কাছের মানুষ হিসাবে, গল্প বলার ধরনে তার দূর্বলতা দেখতেছি শুরু থেইকাই। রাজনৈতিক ইন্টারপ্রিটেশনেও অমিতাভরে খুব জুইতের লাগে না...

মাহবুব সুমন's picture


আফগানিস্তানে যেই যারা সৈন্য পাঠানোয় সায় দেয় তাদের কেউই সেনাবাহিনীতে কাজ করে না, 'করলে' কেউ তার ভাই/বন্ধু/স্বজন দের একটি অন্যায় যুদ্ধে পাঠিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে চাইবে না।

১০

মীর's picture


ভাস্করদা'র পোস্টে এত বিষয় যে কুনটারে ছাইড়া কুনটা নিয়া আলুচনা দিমু বুঝতাসি না। তয় একটা কথা কইতে পারি, মন্ত্রণালয় আফগানিস্তানে সৈন্য পাঠানোর বিপক্ষে। যদিও সব সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা সরকারের। আর সরকারও সৈন্য না পাঠানোর সিদ্ধান্তই মনে হয় নেবে। এর আগে ইরাক যুদ্ধের সময় জুনিয়র বুশ বাংলাদেশের কাছে সৈন্য চাইসিলো। সে সময়ও দেয়া হয় নাই। বাংলাদেশ সাধারণত বিদেশে যুদ্ধ করতে সৈন্য পাঠায় না। তবে নির্মাণ বা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে এই দেশের আগ্রহ আছে। Smile

ফারুকীর রিয়ালিস্টিক কাজ-কামগুলা একেবারে যে খারাপ লাগে, তা না। কিন্তু মাঝে মাঝে যখন পয়সার লিগা আউল-ফাউল জিনিস বানায় তখন মেজাজ বিলা হয়া যায়। থার্ড পার্সন দেইখা সেইটাই হইছিলো। ভাল্লাগছিলো চড়ুইভাতি।

যাউক্গা, ম্যালাদিন পর দেখলাম। ভাই আছেন কিরাম?

১১

জ্যোতি's picture


অনেকদিন পর ভাস্করদা লিখলেন।ভালো লাগছে। হারিয়ে যাইয়েন না। লেখালেখিতে থাকেন।

১২

piew's picture


ফারুকীরে এক সময় ভালো লাগতো এখন ভালো লাগেনা তবে যার শুরু ওয়েটিং রুম দিয়ে এবং পরে দর্শকপ্রিয় হয়ে ওয়েটিং রুম ২, ফার্স্টডেট বানায় তখন আসলে মনে হয় দর্শকদেরই সমস্যা তদের চাহিদার যোগান ই তো ফারুকীরা দিচ্ছে।

১৩

ছায়ার আলো's picture


মেলা দিন পরে আপনার লেখা পড়লাম। আছেন কেমন? Smile

১৪

শওকত মাসুম's picture


বরং আফগানিস্তানে কিছু রাজনীতিবিদদের পাঠাইতে পারলে বাংলাদেশের অনেক লাভ হইতো।
থার্ড পারসন অখাদ্য ও বিরক্তিকর।
আপনারে আবার দেইখা ভাল লাগছে।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

ভাস্কর's picture

নিজের সম্পর্কে

মনে প্রাণে আমিও হয়েছি ইকারুস, সূর্য তপ্ত দিনে গলে যায় আমার হৃদয়...