রূপগঞ্জে জনতার প্রতিরোধ: কবর রচনা হোক সকল আধিপত্যবাদী শক্তির...
রাষ্ট্রের কাছে আমাগো প্রত্যাশা অনেক। ক্ষমতার ভাগাভাগিতে প্রতিযোগিতায় থাকা রাজনৈতিক দলগুলির কাছে আমাগো প্রত্যাশা সীমাহীন। রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারকগো জ্ঞানে আজো আমাগো বিপুল আস্থা। সেবামূলক সংস্থাগুলি থেইকা আমরা আজো প্রত্যাশা করি সেবার ফুলঝুড়ি। আবার এই আমরাই জানি রাজনৈতিক দলগুলি সুবিধাবাদী মুনাফাখোর ব্যবসায়ি আর মাস্তানগো ক্লাব। নীতি-নির্ধারকেরা মানে পলিসি মেইকাররা দেশের বাস্তবতাজ্ঞান বিবর্জিত একটা গোষ্ঠী। সেবামূলক সংস্থায় চাকরি পাইতেও একজন চাকরী প্রার্থীরে বহুত টাকা ঘূষ দিতে হয়। আমাগো সেনাবাহিনী আমাগো কাছে আজো দেশরক্ষার অতন্দ্র প্রহরী। আমরা ভাবি সেনাবাহিনীতে মানুষ পিটাইয়া ফেরেশতা বানাইয়া দেয়া হয়। কিন্তু আমরা জানি যূগে যূগে কালে কালে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এই দেশের প্রতিবাদী মানুষরে নির্যাতন করছে। চাকরী শেষে তারা ক্ষমতার অপব্যবহার কইরা এই দেশের রাজনীতি আর অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সুবিধাভোগী দানব হইয়া উঠে।
আমাগো ভাবনা আর জানার মাঝে এমন কন্ট্রাস্ট আসলে কিসের নির্দেশনা দেয়? জাতিগত ভাবে এমন ভাবুক আর প্রত্যাশা উন্মুখ কেমনে হইলাম? এইটা কি এই জাতির কোনো অসারতারে নির্দেশ করে? আমার তা মনে হয় না। আমি নিজেরে দিয়া বিচার করতে পছন্দ করি। কোর্ট পাড়ায় গিয়া আমি শান্তি পাই না। কেনো পাই না? কারণ সেইখানে আমার সব মানুষরে সন্দেহ হয়। কোনো নির্যাতিত-বঞ্চিত মানুষের চেহারা সেইখানে দেখা হয় না আমার। যারে দেখি তারেই আমার অপরাধী নাইলে অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট টাউট বাটপার মনে হয়। এই মনে হওয়ার প্রক্রিয়াতে ঝামেলা আছে। এই প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসহীনতার ছাপ আছে। তবু আমি নিজেরে জাস্টিফাই কইরা কোর্ট পাড়াতে অস্বস্তি বোধ করতেই যেনো ভালোবাসি। আর চরিত্রে আবার একটা প্রত্যাশার চাপ রয়ে যায়। আমি আমার চারপাশে বিশ্বস্ত মানুষদেরই দেখতে চাই। কোর্ট পাড়ার ঐ মানুষগো মুখে আমি অপরাধের ছাপ দেখতে পাইলেও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় সেই একই মানুষই হয়তো আমার কাছে অপরাধপ্রবন নয়।
আদালতের মতোন একটা নির্ভরতার জায়গারে আমার মনে হয় অপরাধীগো আড্ডা। তারমানে আমার অনাস্থা তৈরী হইছে এই দেশের আইন বিভাগের প্রতি। তবু আমি আদালত কোনো ঘোষণা দিলে তার অর্থবহতা জাহিরের তাগীদ পাই। ঠিক এমনেই পুলিশের ঘুষ নেওনের ফুটেজ দেখি, অন্যায় অবিচারের নমূণা পড়ি খবরের কাগজ, অথচ বিপদে পড়লে পুলিশের কথা ঠিকই স্মরণ কইরা ফেলি। আসলে কিছু করার তো নাই। নিজের হাতে আইন তুইলা নেওনের সামর্থ্য কিম্বা ইচ্ছা কোনোটাই আমার নাই। তার চাইতে ভালো চাইরপাশের ডিস্টার্ব্যান্সের থেইকা নিজেরে দূরে রাখনটা। প্রতিবাদী মিছিল দেখলে আমি রাস্তা পাল্টানের কথা ভাবি...বিরক্ত হই। মিছিলের প্রতিবাদরে হয়তো আমি সমর্থন করি, তবুও।
মিলিটারীরা কোন কালে আমাগো পরিত্রাতা ছিলো আমি জানি না। অন্ততঃ আমার প্রায় চল্লিশের জীবনে তাগো কোনো দিন এমন কিছু করতে দেখি নাই যাতে আমার মনে হয় এই দেশে সামরিক বাহিনীর দরকার আছে। তারা ভালো কাজ করে না তা কিন্তু না। গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী ভাইঙ্গা গেলে সেনাবাহিনী সেইখানে উদ্ধারকাজ চালাইতে গেলে আমরা হাত তালি দেই। ভোটের সময় সেনাবাহিনী পুলিশী ভূমিকা পালন করলে তারা ভয়ের সাথে হাততালি পায় আমাগো। পার্বত্য এলাকায় তারা সামরিকজান্তার তৈরী করা সমস্যারে ঘনিভূত করতে নামে বিদ্রোহ দমনের সিউডো আবরনে। রাজনৈতিক দলগুলির দুর্নীতি দমনের নামে তারা ক্ষমতা কুক্ষিগত কইরা বহিঃ রাষ্ট্রের প্রেসক্রিপশন বাস্তবায়ন করতে নামে, আমরা মধ্যবিত্ত শহুইরারা তাতে উল্লসিত হই। কিন্তু মিলিটারীগো পিছনে কি এইসবের লেইগা টাকা বরাদ্দ হয়!?
মিলিটারীগো যেইসব কাজের লেইগা আমরা মোহিত হইয়া থাকি, তার বেশির ভাগের লেইগাই এই রাষ্ট্রযন্ত্র ভিন্ন সংস্থা লালন-পালন করে। এই সংস্থাগুলিরে আধুনিক না কইরা রাষ্ট্রযন্ত্র মিলিটারীগো পিছনে ব্যয় করা টাকারে হালাল করতে চায়। পুলিশের ট্রেইনিং ফ্যাসিলিটি কিম্বা সুযোগ-সুবিধা না বাড়াইয়া রাষ্ট্র সবসময় তাগো দুর্নীতিরে উৎসাহিত করতেই উদ্যোগী হয়...আর এই জায়গায় ক্ষমতার অংশীদারের মতোন কইরা মিলিটারীরা এন্ট্রি নেয় পুলিশী ভূমিকায়।
সাম্প্রতিক সময়কালে মিলিটারীরা একটা দাবী করতেছে যে তারা মিশনে গিয়া দেশের সম্মান বৃদ্ধির পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মূদ্রা নিয়া আসতেছে। সম্মানের বিষয়টা ইতোমধ্যেই প্রশ্নের সম্মুখিন হইতে শুরু করছে; সত্য ঘটনাগুলি নিউজ মিডিয়ায় আসনের পর থেইকা। আর টাকার প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তুলনের সময় হইয়া আসছে। ট্যাক্স ফ্রি এই টাকা আসলে রাষ্ট্রে কিছু আচমকা ধনী পয়দা করা ছাড়া আর কি করতেছে সেইটা জনগণের কাছে জবাবদিহিতার সময় আসছে।
রূপগঞ্জের ঘটনায় দেখি অনেকেই মর্মাহত হইয়া আছে। অনেকেই মিলিটারীর বিরুদ্ধে নতুন কইরা লিখতেছেন। তাগো প্রতি শ্রদ্ধা বলবৎ রাইখাই বলি, আমি মিলিটারীগো এই আচরনে বাস্তবতই নতুন কিছু পাই নাই। মিলিটারী মাস্তানি কইরা জমি কিনবো কম দামে। নিজেগো সুবিধা অনুযায়ী জমির মালিকগো বাধ্য করবো জমি বিক্রি করতে এইটাই তো স্বাভাবিক। মিলিটারীরা বাজার দরের চাইতে অনেক কম দামে চাইল খায়, তাগো লেইগা সকল পণ্য-সামগ্রীতে ভর্তুকী দেওয়া হয়...জমিতেও তারা একইরম সুবিধা চাইবো এইটাইতো নিয়ম! কর্মজীবনে যেই খবরদারীমূলক আচরনে তারা অভ্যস্ত হয় তার প্রতিফলন তো তাগো অবসরপ্রাপ্ত জীবনেও দেখা যাইবো।
রূপগঞ্জের ঘটনায় সিগনিফিকেন্স হইলো জনগণের প্রতিরোধের চিন্তাটা। মিলিটারীগো আগ্নেয়াস্ত্রের সামনেও তারা দমে নাই। প্রতিরোধ পরবর্তী রাষ্ট্রযন্ত্রের নির্যাতন হামলা-মামলার ভয়ে তারা চুপসাইয়া যায় নাই। তয় সরকার এই বিদ্রোহে বিরোধী দলীয় ইন্ধনের ষড়যন্ত্র(?) টের পাইলেও জনগণের শক্তিরে নাকচ কইরা দেওনের সাহস তাগো নাই। এখন নতুন ইন্টারপ্রিটেশনে যাইতেছে তারা। পুরা ঘটনাটারে মিলিটারী-সিভিলিয়ান সম্পর্কের বেড়াজালে আটকাইয়া দেওনের এইকটা চেষ্টা করতেছে তারা। এই সম্পর্ক কবে নির্মিত হইছিলো সেই প্রশ্ন করলে সরকার কি উত্তর দিবো সেইটা জাননের শখ হইতাছে। যদিও জানি দেশের আপামর জনসাধারণ কখনোই মিলিটারীগো স্বাচ্ছন্দে মাইনা নিতে পারে নাই।
এই দেশের মিলিটারীগো ইতিহাস হইলো দাপট আর খবরদারীর। এই আচরণ গণতন্ত্রকামী জনগণ কেনো মাইনা নিবো! অতীতে ভয়ের আচ্ছন্নতায় জনতা নিশ্চুপ থাকছে। কিন্তু প্রতিরোধের নজীরও তো আমরা দেখতে পাইতেছি...সকল আধিপত্যবাদের কবর রচনা হোক জনতার প্রতিরোধে।





সামনে পাবেন শুভ দিন
... অপেক্ষা করেন...
যে কোন ধরনের ব্যবসার জন্য আর ব্যবসায়ীগো দর্কার ও পরবে না
রূপগঞ্জের ঘটনায় আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। যেখানে জলপাই রঙা পোশাক দেখলেই আমরা সাধারণ মানুষ ভয়ে কাঁপি, সেখানে গ্রামের সরল-সোজা মানুষদের এমন প্রতিবাদ! শ্রদ্ধায় নতজানু হই।
হেগো লগে ভুমিদশ্যু খেতাবটা যোগ হইল।
কামাল আহমেদের পোষ্ট আপডেট করার সময় এসেছে।
উপমহাদেশের সেই মান্ধাতা আমলের নিয়ম কানুন এখনো চলবে। বেতন দেয়া হয় সবাইকে, সবাই যার যার সামর্থ্যনুযায়ী বাড়িঘর কিনবে না মিলিটারীদের জন্য জায়গায় জায়গায় ক্যান্টনমেন্ট তৈরী করতে হবে, ডি। ও। এইচ। এস।
যত্তোসব।
বাংলাদেশী মিলিটারীর কর্মকান্ডের সঙ্গে পাকিস্তানী মিলিটারীর অনেক মিল পাই আমি। রশীদা আপুর কথাই আবার বলি, গ্রামের সরল-সোজা মানুষদের এমন প্রতিবাদ দেখে শ্রদ্ধায় নতজানু হয়েছি।
এলিটেশ্য এটিল জাতি হৈলো আর্মি, সব তাদের, শুধু নেয়ার অপেক্ষায়।
মীর এবং রশীদা আপার কথার সাথে একমত।
একদিক দিয়া এইটা খারাপ না। মনে করেন, মঈন উ হয়তো ক্ষমতাই ছাড়তো না, পারভেজ মোশার্ফ হইয়া যাইতো। কিন্তু জাতিসংঘ থেইকা মিশনের ডাক না পাওয়ার ডরে মেজর-কর্ণেল-কাপ্তানরা গণতন্ত্র ফিরায় দিছে।
রূপগঞ্জ বাসীর প্রতিরোধ আমাদের বুঝিয়ে দিতে পেরেছে আপাত এলিট শ্রেণীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মত ভুমিপুত্ররা এখনো আমাদের দেশে রেয়ার স্পিসিজ হয়ে পড়েনি...
"রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারকগো জ্ঞানে আজো আমাগো বিপুল আস্থা।"
স্যরি, বস, আমার আস্থা নাই ।
সেনাবাহিনী নিয়ে আপনার বক্তব্য বিষয়ে মন্তব্য করছি না, এগুলো আমাদের জানা (কিন্তু বলতে মানা) তথ্যই। আমি রূপগঞ্জের আন্দোলন সম্পর্কে দুয়েকটা তথ্য দেই। স্থানীয় অধিবাসী (সরকারের ভাষায়- প্যাপ [প্রজেক্ট অ্যাফেক্টেড পিপল] অথবা ক্ষতিগ্রস্ত) হিসেবে জানাচ্ছি, রূপগঞ্জের এই আন্দোলন আসলে আজকে নতুন কোনো ঘটনা নয়, ভাস্করদা'র মনে থাকার কথা ১৯৯২ সালে এমন একটি ঘটনা ইত্তেফাকে লীড নিউজ হয়েছিলো। ১৯৮৭-৮৮ সাল থেকেই এই আন্দোলন চলছে, যদিও শুরুটা হয়েছিলো ষাট-সত্তরের দশকে। ১৯৭২ সালে এটি একটি মোটামুটি জোর পায় যখন বঙ্গবন্ধু পুনর্বাসন প্রকল্প নামে নদীভাঙ্গা একদল লোককে আমাদের এলাকায় এনে হাজির করা হয় [পরবর্তীতে এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জিয়া ও এরশাদ পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি পুনর্বাসন করেন]। এরপর ইউসুফগঞ্জ (দ্বিতীয় পরিবর্তিত নাম পূর্বাচল) আবাসিক প্রকল্পের সময় আরেক দফা বিস্ফোরিত হয় মানুষ, যার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে ১৯৯২ সালে, পুলিশের গুলিতে বৃদ্ধ স্কুল শিক্ষক, ছাত্র, গ্রামবাসী জনতা, শ্রমিকসহ ৯-১০ জন মানুষ মারা যায়। ইউসুফগঞ্জ নিয়ে মামলা আজো চলছে, এই বিষয়ে আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ থাকা সত্ত্বেও সরকার প্লট বরাদ্দ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রভৃতি করেই চলেছে আদালতে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েই। এমনকি ম্যাজিস্ট্রেট রোকনুদ্দৌলা এই মাসের শুরুতেই একবার উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞার কাগজ দেখানোর পরেও তিনি বুলডোজার অব্যাহত রাখেন, পরে জনতার প্রতিরোধের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হন। মজার ব্যাপার হলো, তথাকথিত পূর্বাচল প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়াটি হাস্যকর। সেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে লটারি করে কিছু ক্ষতিগ্রস্তকে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। সমমানের জমি আশেপাশে কোথাও দেয়া হলেও আমাদের আপত্তি ছিল না, পূর্বাচলে আমাদের কোনো আকাঙ্খা/লোভ নেই।
সেনা আবাসন স্কীমটি পুরোটাই অবৈধ, একথা সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটেই [http://www.army.mil.bd/node/366] আছে, তারা বলছে এটির প্রয়োজনীয় বৈধতা ও আইনী অনুমোদন নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে রাজউকের ডিটেইলড এরিয়া প্লানে [www.rajukdhaka.gov.bd/dap/Reports_Images_da.pdf] বলা হয়েছে, যে স্থানে সেনা স্কীমটি পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেটি ঢাকার নিম্নাঞ্চল। এখানে কোনো ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ বা হাউজিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অথচ এমন অবৈধ একটি প্রকল্পের জন্য সেনাবাহিনী ৪টি চৌকি [ক্যাম্প] বসিয়েছে, যার একটি কায়েতপাড়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে [আমার বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরত্বে], কাউকেই তারা তাদের কাছে ছাড়া অন্য কারো কাছে জমি বিক্রি করতে দিচ্ছে না। ১/১১-র পরবর্তী সময়ে মইন উ আহমেদের নামে এমনকি নদী-ও দখল করেছে, এখন বর্ষা চলছে, যে কেউ গেলেই দেখতে পাবেন- শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর দ্বীপের মতো মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে এক স্থাপনা যার মালিক নাকি মইন উ আহমেদ। সুতরাং প্রক্রিয়াটি অনেক দিনের এবং অনেক জটিল।
সেনা ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রকল্পের লেআউট [সোমবারের প্রথম আলোতেও আছে] দেখে বিস্মিত। এখনো অবধি কাগজকলমে জমির মালিক আমার পরিবার। সেখানে ভূঁইভিটা সব আমাদের। অথচ তারা এটাকে প্লট বানিয়ে ফেলেছে। এর ওপর দিয়ে কি হবে না হবে, সেসবও পরিকল্পনা করা হয়ে গেছে। পরিবারসমেত উচ্ছেদ আতঙ্কে আছি। এবং পরিণাম-ও জানা। কারণ ১৯৭২ থেকেই জানা, আদিবাসীরাই উচ্ছেদ হয় বরাবর, জলপাই এসে বসতি গাঁড়ে।
মুজিব আর জিয়া দুইজনরেই জল্পাইসুর্যসন্তানেরা হাপিস করেছেন,
এরশাদ আর মঈন তাদের সময়ের সেরা জল্পাইসুর্যসন্তান
- এই যখন একটা দ্যাশের ৩৫ বচ্ছরের পাতিহাস, তখন এরামটাই হওনের কথা
পূর্ব পাকিস্তান "বাংলাদেশ" হয়েছে।জলপাই-চরিত্র কিন্তু বদলায়নি।সেই একই আছে।জনগনের নিরাপত্তা রক্ষা করা যাদের দায়িত্ব জনগনকে যদি তাদেরকেই ভয় করে চলতে হয় এর থেকে দুর্ভাগ্যজনক আর কি হতে পারে!
রূপগঞ্জবাসীকে স্যালুট।
সংঘবব্ধ জনতা অপ্রতিরোধ্য।ইতিহাস সাক্ষি।
( ভাস্কর ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ব্যাপারটা অবহেলা করার মতো নয় কিন্তু।)
পোস্টের সাথে সহমত। ধন্যবাদ।
এই পোস্টটার খুব দরকার ছিলো। একমত ও ধন্যবাদ।
হৃদয়স্পর্শী ও সময়োপযোগী । মন্তব্যের তথ্যসহ এ লেখাটি কোন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ বাঞ্ছনীয় ।
নাজনীন খলিল আপা,
এই পোষ্টে তেমন কিছু দেখছি না যার দরুণ ভাষ্কর ভাইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে চিহ্নিত হতে হবে । যখন আসলেই নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তার কারণ ছিল মানে সাবেক খান ত্রয়ী সরকারের আমলে তখন তাকে সরাসরি সরকার বিরোধী ব্লগ লিখতে দেখেছি । সচলায়তন ব্যানের বিরুদ্ধে সরকারের স্বৈরচারী কর্মকান্ডের বিরোধিতায় প্রথম ব্লগ এসেছিল ভাস্কর ভাইয়ের কাছ থেকেই । এখন তো নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের আমল ।
ফ্যাসিজম বা স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে দাড়াতে কখনোই পিছপা নন কমরেড ভাস্কর । জানি , আমার এই কমেন্টে অনেকের গায়ে জ্বালা হবে , অতীতেও হয়েছে । ভাস্করের চিন্তা ও কর্মতৎপরতার সাথে আমারও অনেক মিল ও অমিল আছে কিন্তু তার সাহসের জন্য তিনি আমার শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি এটা আমি বলেই যাবো ।
ভাস্কর দা'র সাথে একমত।
সব কিছু গ্রাস করে চলছে সেনাবাহীনি।
মন্তব্য করুন