নির্বাসিতজনের আত্মকথা...
নির্বাসিত শরীর চলেছে পৃথিবীর পথে। নির্বাসনের পথেরা গন্তব্যহীন...যদিও অধিবাসীরা ঠিকি পৌছে যায় তাদের ঘর-গৃহস্থালিতে। বিকেলে আরাম করে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে ভাবে নিজস্ব এক টুকরো জমির কথা। নির্বাসিত আমার অধিকার নাই ভূমির ভূমিকায়।
তুমিও পেয়েছ খুঁজে একটা মেইল বক্স। আর আমার দরোজা পেরিয়ে খবরের কাগজটাও নিয়মিত এসে পৌছায় না প্রায়শঃ। সিঁড়ি বেয়ে যদি কোনদিন দুধওয়ালা কিম্বা মাছ বিক্রেতা এলে খাবার জুটে যায়...দুপুরটা নিশ্চিন্তে কাটে। তবে রাতে অন্ধকার ছাড়া আর কোনো খাবার থাকে না।
তোমার মেইল বক্সে আমি রোজ একটা করে চিঠি লিখে আসবো বলে ভাবি। কাগজ অথবা কলমের অভাব আমাকে অসহায় করে তোলে। মেইল বক্স খুলতেই তুমি একতাড়া মেইলে হাবুডুবু খেয়ে আবার বাড়িতেই ফিরে যাও। আমি তোমার মেইল আর তোমাকে চলে যেতে দেখি। আমাদের দূরত্ব বাড়ে। আমার জানালা থেকে তোমার দরোজা বেশ অনেকটা দূর...
আমি গরাদে মুষ্টিবদ্ধ হাত আর চিবুক রেখে নির্বাসনের জ্বালাটা টের পাই। টের পাই এইখানে নির্বাসিতজনেরা খুব সুখে থাকে না...





দূরদান্ত...
অদ্ভূদ লাগলো দাদা।
এক নিশ্বাসে পড়লাম। অ-সা-ধা-র-ণ।
এইভাবে অসাধারণ লেখার আইডিয়াটা মাথায় ঢুকে গেছে।
গ্রেট। অনেকদিন পর ভাস্করদা'র নতুন লেখা পড়লাম এবং সেইরকম হয়েছে।
'...এইখানে নির্বাসিতজনেরা খুব সুখে থাকে না...' ভাইয়া, ভালো লাগলো।
অনবদ্য
বরাবরের মতোই, অনবদ্য
আসলে কারো সুখ নাইরে পাগল...
মন্তব্যগুলো অদ্ভুত, অনবদ্য, গ্রেট, অসাধারণ আর দুর্দান্ত । মূল পোস্টে ভাস্কর কি বুঝাতে চেয়েছেন তা বুঝবার মত সমঝদার আমি নই তবে ।
মন্তব্য করুন