জীবনের প্রথম ছবি ব্লগ...
আমার বাবার একটা কমদামী ইয়াশিকা ক্যামেরা ছিলো। তবে তার ছবি তোলার বিন্দুমাত্র আগ্রহ দেখি নাই কোনো দিন। আমার মায়ের পর্যন্ত সেই ক্যামেরায় হাত দেওনের পার্মিশন ছিলো না। মাঝে সাঝে সেই ক্যামেরা আলমিরা থেইকা বের করা হইতো বাড়িতে বড় কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন হইলে। যদ্দূর মনে পড়ে আমার আর ছোট বোনের পঞ্চম অথবা ষষ্ঠ জন্মদিনে বাবা ক্যামেরা বের কইরা আনলো কিন্তু হাজারো চেষ্টার পরও তাতে কোনো ছবি উঠতেছিলো না। সেই থেইকা কোনো দিন আমাগো বাড়িতে আর ক্যামেরার ফ্ল্যাশ জ্বলতে দেখি নাই। আর যেই কারনে আমার কিশোর বয়স থেইকা তারুণ্য পর্যন্ত পাসপোর্ট সাইজ ছাড়া ছবিতে আবদ্ধ কোনো স্মৃতি নাই। ঘটনাবহুল জীবনের সেইসব পাসপোর্ট সাইজ ছবি গুলিও সংগ্রহের কোনো আগ্রহ হয় নাই আমার।
অন্য কারো হাতে ক্যামেরা দেখলে তার ভিউ ফাইন্ডার দিয়া জগতটারে দেখনের খায়েশ হইতো মাঝে সাঝে। কিন্তু বাপ-মায়ের কড়া নিষেধ ছিলো তাতে। অর্থনৈতিক দারিদ্রের কারনে আমার মধ্যে একরম অনিশ্চয়তা কাজ করতো। এইসব ইলেক্ট্রনিক জিনিষ যেহেতু অনেক সেন্সিটিভ তাই যেকোনো সময় নষ্ট হইয়া যাওনের সম্ভাবনা রাখে, তাতে হাতই দেওন যাইবো না, কারণ ঐটা ঠিক কইরা দেওনের সামর্থ্য ছিলো না আমার বাবার। বাড়িতে তখন একমাত্র বিলাসীতা হইলো বই কেনা। সেইটাও মায়ের বদান্যতায় চালু ছিলো। আর আমি বই কিনতাম টিফিনের পয়সা বাঁচাইয়া। আমি যেই পত্রিকার স্টল থেইকা বই কিনতাম সেইখানে মাঝে সাঝে ছবির বই দেখতাম উল্টাইয়া পাল্টাইয়া। আর ভাবতাম কোনো একদিন একটা ক্যামেরা কিনা এমন সব ছবি আমিও তুলুম।
সেই ক্যামেরা কিনলাম প্রায় শেষ বয়সে, মধ্য তিরিশে। কয়দিন আগে মাসুম ভাইয়ের বদান্যতায় ঢাকার অদূরে রূপগঞ্জ এলাকায় যাওয়া হইলো। সেইখানে কয়খান ছবি তুলছি। কয়েকজন বন্ধুর অনুরোধে সেইসব ছবি ব্লগের পাতায় তুইলা দিলাম। ভালো মন্দ আলোচনা হইলে আমার উপকারে আসবো।

দুইকালের দুই নারী বাড়ির রান্নাবান্নার লেইগা জ্বালানি সংগ্রহ করতেছিলো। আমি কেবল একটা কম্পোজিশান করতে চাইছি মুহুর্তটারে নিয়া। জ্বালানির এই স্থানীয় বাস্তবতা যদিও আমাগো গ্রাম জীবনের নিয়মিত আখ্যান।

জ্বালানী সংগ্রাহক পেছনের বৃদ্ধার পোর্ট্রেইটটাও আমার পছন্দের ছিলো...

আমি গাছের গণ-প্রজাতি এইসব চিনি না। এই দূর্বলতার কারনে এই ফুল আমার কাছে কেবলি একটা সাদা ফুল।

সরিষা ক্ষেত ফটোগ্রাফারগো কাছে চিরকাল লোভনীয়। হলুদ সরিষা ক্ষেতের মাঝখান দিয়া লাল শাড়ি পরা নারীর ছবি তুলনের খায়েশ আমার সহব্লগার ফটোগ্রাফারগোর মধ্যেও ভালোই ছিলো। কিন্তু আমার মনোযোগ কাড়লো কেবল এই মৌমাছি...

দুই বন্ধুর ছবি তুলতে চাওনের পর তারা নিজেরাই বাড়ির ছাগশিশুটারে জড়াইয়া ধইরা রীতিমতোন পোজ মারলো।

এই মুহুর্তটা আমি অনেক প্ল্যান কইরা তুলি নাই। বাচ্চা মেয়েটা কোনো কারনে দৌড়াইয়া যাইতেছিলো। আমার ক্যামেরার লেন্স তারে অনুসরণ কইরা প্রেমে পড়লো শেষ বিকালের কুয়াশা আর সূর্য রশ্মির সহবাসে...
এই ছবিটা আমার পছন্দের না তেমন তবুও লীনা দিলরুবা'র অনুরোধে দিলাম...





শেষের ছবিটা দারুন আইছে
ধন্যবাদ...ছবি নিয়া ভালো-মন্দ আলোচনা করলে খুশি হইতাম...
শুধু শেষের ছবি নয় সবগুলো ছবিই দুর্দান্ত।
আমার কাছে বেশী ভালো লেগেছে দুই বন্ধুর ছবি।ছবি বলে দিচ্ছে আমরা বন্ধু।

ধন্যবাদ রাসেল...
আমার নিজের কাছেও ঐ ছবিটা পছন্দ হইছে এই কারনেই পোস্টে শর্টলিস্ট করছি...
রাসেল সম্ভবত ত্রিভুজ চিনে না
কিছু পুরানো স্মৃতি রোমন্থন করি চলেন
২০০৭
২০০৮
২০১০
শারফু'র একটা ক্লাসিক টিউট ছিল ত্রিভুজ অংকন নিয়ে, সম্ভবত ডিলিট খাইছিল
ত্রিভুজরে নিয়া কিছু কইয়েন না। সে এখন শাবাকা কোম্পানীর সিইও, যারা বাংলা কী প্যাড এখন আন্তর্জাতিকভাবে বিক্রী করে ডলারে...
শেষ ছবিটা পুরাই প্রফেশনাল হইছে।
ধন্যবা ভাঙ্গা পেন্সিল।
তয় প্রোফেশনাল বলতে কি বুঝাইলেন ঐটা পুরাপুরি বুঝি নাই...
জোশ হইছে ছবিগুলি। শেষের ছবিটা দারুণ।
ছবি গুলো বেশ । আপনার বিষয়বস্তু নির্বাচন ক্ষমতা চমৎকার, চালিয়ে যান।
ধন্যবাদ...
বিষয়তো গ্রাম বাংলার মাঠে-ঘাটে গড়াগড়ি খায়...নির্বাচনের লেইগা ক্ষমতার তেমন একটা দরকার হয় না। ফটোগ্রাফি আমার নিতান্তই শখের বিষয়, যতোদিন তেল আছে শখের গাড়িতো চলবোই...
নিতান্ত সাদাফুল খুব চমৎকার হৈসে। প্রথম ছবিটায় আর একটু আলো দরকার ছিলো মনে হচ্ছে। আর শেষ ছবিটা নিয়ে কে সেরা কমেন্ট করতে পারে দেখতে চাই। আমার সাধ্য নাই আগেই স্বীকার করলাম।

ভাস্কারদা'র ছবি তোলার হাত দেখে পুরাই তব্ধা খাইলাম।
আপনের ছবি ব্লগের ভক্ত আমি।
আগের দিকে ইয়াশিকা ক্যামেরা গুলোতে ব্যাটারী শুদ্ধ রেখে দিলে ফ্ল্যাশ নষ্ট হয়ে যেতো। আমার ভাইয়ের জন্মদিনে একবার ও ক্যাম উপহার পেয়েছিলো। ফ্ল্যাশ জ্বলছিলো না কতোদিন পর। তখন দোকানে ঠিক করাতে নিলে এই তথ্য জানতে পারি। এখনো আমি আমার ডিজি ক্যামের ব্যাটারী খুলে রাখি
আফটার অল ছোটবেলার শিক্ষা।
ছবি সুন্দর হয়েছে।
হয়তো এমন কিছুই হইছিলো...কিন্তু ঐ আমলে ক্যামেরা মেকানিক খুব এ্যাভেইলেবল ছিলো না হয়তো...
ছবি নিয়ে মন্তব্য করার মতো যোগ্যতা রাখি না, শুধু মনে হইল বড় মানবিক হইছে সবগুলি ছবিই... লেখাটা যথাযথভাবে কম্প্লিমেন্ট করছে তাদের
আপনার তোলা ছবি আমার বেশ লাগে। জীবনের প্রথম ছবি ব্লগ তৈরী করতে গিয়া আপনার কথাও মাথায় আসছে...
শেষের ছবি টা বেশি সুন্দর .....
ধন্যবাদ...
ভুল কইরা আপনার ছবি নিয়া আলোচনা করার ধৃষ্টতা প্রায় চিন্তা কইরা ফেলছিলাম।
লাইনটা ঠিক বুঝলামনা। তবে মাসুমভাই ভাবিরে বুঝ দিতে গিয়া আপনার সাথে আমার নামও বিখ্যাত ফটোগ্রাফার হিসাবে বয়ান করছে এইটা মনে হইলে হাসতে হাসতে মইরা যাওনের অবস্থা হয়।
শাড়ি পইড়াই কোনো নারী যায় নাই লাল শাড়ি তো..
ধৃষ্টতা মানে বুঝলাম না রায়হান ভাই।
আমাগো দুইজনরেই বিখ্যাত ফটোগ্রাফার টাইটেল দেওনটা মাসুম ভাইয়ের পঞ্চম মাত্রার অপরাধ হইছে...
আমি তো আপনের ইচ্ছার কথাটাই লেইখা দিতে চাইছি পোস্টে
ওইটা মুনেলয় মাসুমভাইয়ের বদন্যতায় হপে না ... রায়হান ভাইয়ের বদন্যতায় হপে
কার যে বদান্যতায় সেইটা নিয়া এখন আমি কনফিউজ্ড...
এইখানে মনয় আমার নাম হবে।
আই লাইনে আমি নিউবী। তাই আপনাদের মত ফটোগ্রাফারদের ছবি নিয়া আমার আলোচনা করা ঠিক না। শিখতে অনেক দিন লাগবে।
তবে শাড়ি পরা মডেলের অভাব ঘুচায় দিছে নাজ ও ঋহান। বিশেষ কইরা ধন্যবাদ ঋহানকে। সরিষা খেতে মায়ের কোলে ঋহানের ছবি তুলেআমি পরিতৃপ্ত।
আপনে নিউবী হইলেতো আমিও নিউবীই...আমি জীবনের প্রথম ছবি তুলনের কথা ভাবতে পারছি ২০০৮ সালের জুন মাসের দিকে। মাত্র দুই বছর হইছে ছবি তুলনের বয়স।
আর আপনের অনেক ছবি দেইখা মনে হয় ঐ ছবি আমি জীবনেও তুলতে পারুম না...
আহা... সব্বাই বিনয় কুমার
আপনার ক্যামরার মডেল জানতে চাই। ছবিগুলো দেখে ক্যামেরাম্যানের চোখ আর লেন্সের চোখ দুটোর উপরে শ্রদ্ধা জাগলো। শেষের ছবিটার ব্যাপারে বলি, এরকম আতকা ক্লিকে তোলা ছবিগুলো অসাধারণ হয় অনেক সময়। আপনার মতো আমারো আতকা ক্লিকের অভ্যেস আছে।
আমি একটা নাইকন কোম্পানীর ডিএসএলআর ব্যবহার করি। মডেল ডি ২০০। বেশ পুরানা মডেল এইটা, আজকাল আর এইটার কদর নাই। সিসিডি সেন্সর আমলে এইটার বেশ গ্রহণযোগ্যতা ছিলো যদিও। তয় আমার লেন্স খুব একটা সুবিধার না। সম্ভবতঃ নাইকনের সবচাইতে বাজে লেন্সটা দিয়া এইখানকার বেশিরভাগ ছবি তোলা হইছে। ১৮-১৩৫ রেইঞ্জের এই জুম লেন্সটারে প্রো ফটোগ্রাফাররা কখনো রিভিউও করে নাই।
ব্যক্তিগতভাবে আমি সাজাইয়া ছবি তুলতে পারি না তেমন বলা যায়। এই কারনেই সাথে যাওয়া কারোর পোজ দেওয়া ছবি আমার মেমোরী কার্ডে নাই। আপনের ছবি দেখছি আগে। ছবি ব্লগ দিলে ভালো লাগবো।
ছবি দেয়ার ক্ষেত্রে সেটিংসটা আমাদের মত নবিশদের জন্য তুলে দিলে অনেক কিছু শিখতে এবং বুঝতে পারি।
Camera:
Exposure:
Aperture:
Focal Length:
ISO Speed:
Exposure Bias:
Flash:
Continuous Drive:
Focus Mode:
Metering Mode:
Exposure Mode:
বিশেষ করে লাস্ট ছবিটার... ত্রিভুজেরটার দর্কার নাই... ভাল একটা ছবি সবার জন্যই আসলে শিক্ষনীয়।
এক্সিফ ডেটা তো মনে রাখি নাই সব ছবির। তয় ফ্লিকারে গিয়া এক্সিফ দেইখা নেওনের আহ্বান জানাই। আমি সাধারনতঃ ম্যানু্য়াল প্রেফারেন্সে ছবি তুলি। রোদের মাত্রা দেইখা এ্যাপারচার সেট করি। আর স্পট মিটারিং কইরা সেই হিসাবে শাটার স্পীড কন্ট্রোল করি। এক্সপোজার সেট করাটা যেই কারনে ইন্ডিভিজ্যুয়াল ছবির ক্ষেত্রে আলাদা হয়।
এইখানে ঐ ত্রিভুজের ছবিটা বাদে বাকী সব ছবিই ১৮-১৩৫-এ তোলা। ঐ ছবিটা আমার পছন্দের লেন্স ১১-১৬ টোকিনাতে তুলছি। দিনের বেলায় আমি আইএসও ১৫০এর বেশী না উঠানের পক্ষে। মিটারিং মোডে আমি প্রেফার করি মেট্রিক্স।
আমার পক্ষে যদ্দূর জানানো সম্ভব সেইটা কইলাম। কারণ আমি বিশ্বাস করি একটা ভালো ছবি তৈরী করার জন্য টেকনিকের চাইতে আবেগের-ইনভল্ভমেন্টের গুরুত্ব অনেক বেশি...
আতকা ছবিটাই আপনের সেরা ছবি। ঐটা তোলার সময় আমিও পাশে বসা ছিলাম। আতকা আমিও একটা তুলছি। সেইটা দেওয়ার লোভ সামলাইতে পারলামনা।

দারুণ রায়হান ভাই...
এই ছবিটা অসাধারণ।
ছবি ভালো হয়েছে এইটা বুঝতে পারলাম, যদিও ছবির ব্যাখ্যা দেবার যোগ্যতা রাখি না, চোখে ভালো লাগলেই মনে হয় ভালো হয়েছে।
সন্ধ্যার ছবি গুলো পোস্ট এ পেলাম না, সেগুলো দিলেন না কেন?
সন্ধ্যার ছবিগুলি আমার কাছে তেমন ভালো লাগে নাই...সিসিডি সেন্সরের একটা সমস্যা আছে, লো লাইট পারফরম্যান্স অনেক খারাপ...
ভাস্করদা, ওস্তাদ, গুস্তাখি মাফ, আপনার শেষ ছবিটা হালকা ঘষা-মাজা করলাম। আর ছবি ব্যাপারে কইতে গেলে লোকে আমারে বিনয় কুমার কইব।
আপনে যদি ফটোশপে কইরা থাকেন তাইলে ব্রাইটনেস আর কন্ট্রাস্ট হালকা বাড়াইছেন। আর যদি কোনো ফটো এডিটর সফ্ট'এ কইরা থাকেন তাইলে এক্সপোজার বাড়াইছেন। আমি আসলে ঐটা করতে চাই নাই। শেষ বিকালের কোমল রোদ্দুরটা রাখতে চাইছি। আর এক্সপোজার বাড়ানোতে দেখেন সামান্য ক্ষতি হইছে সূর্য রশ্মির রেখাগুলিতে।
তবে দেখতে ভালো লাগতেছে নতুন রূপ...ধন্যবাদ।
টেকনিক বলে কিছু আছে তা-ই তো জানিনা । ইচ্ছে হলেই শাটার টিপি, একটা ছবি ওঠে - ভাল হয় কোনটা দৈবাৎ, তাতেই খুশী । পোস্টের ছবিগুলোর মত একটা ছবিও আজ পর্যন্ত তুলতে পেরেছি বলে মনে পড়ছেনা ।
টেকনিকের আসলেই তেমন দরকার নাই...ছবি তুলতে থাকলে অনেক ভালো ছবি পাইবেন।
ভাইজান, একটু অমত করি - মনে কিছু নিয়েন না।
ভাল ছবি তুলতে টেকনিক এবং নান্দনিকতা - দুটোই সমান দরকার। গাহি সাম্যের গ্ন আরকি।
টেকনিক জানাটা খুব খুব খুব জরুরী। নচেৎ ভাল ছবি টা কপালের উপরেই ছেড়ে দিতে হবে আরকি! অথবা ক্যামেরার অটো মোডের উপরে
টেকনিক বিষয়টারে একদম উড়াইয়া দিতেছি না। তয় আমি নিজে খুব বেশি পড়ালেখা জানা লোক না। ফটোগ্রাফির যতোটুক বুঝি সেইটা তুলতে তুলতেই হইছে...আমি কেবল প্রয়োজনীয় বিষয় যেমন অ্যাপারচার, শাটার স্পীড...এক্সপোজার, মিটারিং, আইএসও, ডেপ্থ অফ ফিল্ড...কিম্বা কম্পোজিশানের খুচরা কিছু নমূনা সম্পর্কে জানতাম। ডিজিটাল ক্যামেরা থাকায় বিভিন্ন মাত্রার এক্সপোজারে ছবি তুলছি অনেক। একসময় ধারণা জন্মাইছে লাইট আর কালার টেম্পারেচার নিয়া। আইএসও বিষয়টা খুবই সহজ। ডেপ্থ অফ ফিল্ড'ও নির্ভর করে অ্যাপারচারের উপরে। আর পুরা ব্যপারটাই আমাদের চোখ আর দৃষ্টির নিয়ম মাইনা চলাতে বুঝতে কোনো সমস্যা হয় নাই লেন্সের ফিজিক্স। এই টেকনিক তুলতে তুলতেই জানা সম্ভব।
আর কম্পোজিশানও এইরকমই। বিভিন্ন কম্পোজিশানে ছবি তুইলা নিজের রুচী অনুযায়ী একটা ধরণ তৈরী করা। সাথে সামান্য কিছু নিয়ম জানা থাকলে তো সোনায় সোহাগা। অটো মোডরে ফেলনা ভাবনের কোনো কারণ নাই। অনেক নামকরা ফটোগ্রাফও অটো মোডে তোলা হইছে এমন উদাহরণ আছে। পরিস্থিতি কইয়া দিবো কোন মোডে ছবি তুলবেন। অনেক ভালো ফটোগ্রাফার এখনো অ্যাপারচার প্রায়োরিটিতে ছবি তুলে। যেইখানে অ্যাপারচার ঠিক কইরা দিলে এক্সপোজার আপনাসে সেট হইয়া যায়। এইটা অটো মোডের চাইতে অল্প কিছু খাটনির একটা মোড। তাই বইলা অ্যাপারচার প্রায়োরিটিতে তোলা ছবিরে তো আর খারাপ ছবি কইতে পারবেন না। আমার অনেক পছন্দের একজন ফটোগ্রাফার ফ্লিকারের ক্যাচ দ্য ড্রিম এই মোডেই তার অনেক নামকরা ছবি তুলছে।
এই বেইসিক জ্ঞানটা জরুরী - এটাই আসলে বলতে চেয়েছিলাম।
একমত নই। অটো মোড ফটোগ্রাফারকে স্পয়েল করে। ক্যামেরার প্রতি এই taken for granted ভাবটা সদ্য ক্যামেরা কেনা মানুষের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এটা কল্পনা শক্তি নষ্ট করে। এক্ষেত্রে আমি শাটার/ অ্যাপারচার প্রায়োরিটি -এর কথা বলছি না
। শুধু অটো মোডের কথা বলছি।
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে.....
কেউ কন্টিনিউয়াস অটো মোড'এ তুলতেছে ঘটনাটা এমন হইলে আপনের কথা খাটে। কিন্তু কেউ অটো মোড থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় মুহুর্তে বহুতকিছু সেট করতে করতেই একটা যাচ্ছে তাই মোমেন্ট মিস করলো। কোনোটারেই কিন্তু আইডিয়াল বলা যাইবো না। ওয়ার ফটোগ্রাফিতে অটো মোডটা বেশ প্রয়োজনীয় আর জনপ্রিয় বিষয়। আমি নিজে অটো মোডে ছবি তুলি না...কিন্তু অটো মোড বিষয়টারে ঘৃণাও করি না...এই আর কি।
মনির'রে না চিননের কোনো কারণ দেখি না। ফ্লিকারে সম্ভবতঃ ওর ছবি সবচেয়ে বেশি হিট পায়...
আপনাগো মন্তব্য পইড়া নিজের বকলম নামটা সার্থক মনে হইতাছে।
আপনের পোস্ট প্রসেস দেইখা তো আমার মনে হইলো কলম না খালি তুলিবাজও...
আমি বিনয় কুমার না... আমার লেন্সওয়ালা ক্যামেরা নাই
আপনের ছবি বালা হৈছে, স্রেফ এইডা কৈতে পারি
আপনেতো মিয়া টাইম মতো ঠিকই ক্লিক মারতে পারেন দেখলাম...
শেষ ছবিটা আমার কাছে সবচে ভালো লাগছে । একটা ছবিও কত কথা বলে ।
ধন্যবাদ...
এই দেখার চোখকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
কিশোরীর দৌড়ে যাবার ছবিটা খুব সুন্দর।
ধন্যবাদ...
বাচ্চা মেয়েটার দৌড়ে যাওয়া দেখে ফেলানীর কথা ক্যান জানি মনে পড়ে গেল...
~
ফেলানি'র বিষয়টা নিয়া একটা পোস্ট দ্যান...
আমার বদান্যতায় কিছু না। এইটা হলো আমার ওখানে যাওয়ার একটা অজুহাত। মূল পরিকল্পনা আমার ছিল না।
আলো আধারির খেলা দেখে মনে পড়লো, আমার একটা ছবি ছিল। আলাদা করে ওইটা পেতে পারি?
massum99@yahoo.com
আমিতো আপনের বদান্যতায়ই গেলাম মনে হয়...নাইলে পূর্বাচলের দিকে কে যায়!
আপনের ছবি পাঠাইয়া দিছি...
আমার মোবাইলেও ক্যামেরা আছে
আপনের মোবাইলে তো সিনেমা হলও আছে শুনছি...
সম্ভবত এই যুগে ক্যামেরা অনেকটা সহজলভ্য হওয়ায়, ছবি তোলার সখটা অনেকের মাঝেই জীবনে আসে। আমারো এসেছে। ফিল্ম্ ক্যামেরায় অবশ্যই এখনকার মতো সেকেন্ডে সেকেন্ডে ছবি তুলিনি। আর এখনতো শুধু চিন্তা করতে হয় ব্যাটারীর চার্জ নিয়ে। আমি ৫৫টা মন্তব্যই পড়লাম। এটা নিশ্চিত বুঝলাম ছবি বিষয়ে আপনারা অনেক জানেন। আগে যাওবা ছবি তুলতাম, এখন আমার জগতটা শুধু এদের দুজন নিয়েই। খুব বায়না ধরেছিলো কেমন করে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাবে। ওদের নিয়ে থার্টিফাষ্টের শুভেচ্ছা বিনিময় করলাম এভাবে।
ছবিটা উঠবে কিনা জানিনা।
ক্যামেরার ব্যাটারী ঠিক না থাকলে আপনে এই দেশের বিশেষজ্ঞগো কাছ থেইকা এভারেস্টে উঠনের পারমিশনই পাইবেন না। ক্যামেরার ব্যাটারী বেশ প্রয়োজনীয় বিষয় জীবনে...
পুরা ছবিটা ফিট না খাইলেও আপনের পিচ্চি দুইটা যে অনেক কিউট সেইটা বুঝতে পারতেছি...
হায় কিউট পিচ্চি দুইটার ছবি ঠিকমতো আসে নি।
ধন্যবাদ মীর...
পছন্দ হৈছে।
অনেক দেরী হয়ে গেল, তবুও পড়লাম।
ছবি গুলো সুন্দর হয়েছে আর বর্ননা হয়েছে অসাধারন
মন্তব্য করুন