ডাইরী ১১৯
এক.
সময় আমাকে জাগায় সকালে, কিন্তু আমি ঠিক ভুলে যাই প্রয়োজন কিংবা প্ল্যান। ঘুম ভাঙতেই বিছানার শরীর ছাড়তে পারি নাই অতএব; আমাকে আকড়ে রেখেছে অ্যামনেশিয়া আর মুহুর্তেরা। অপেক্ষায় থাকি কেউ এসে ডেকে নিয়ে যাবে, চুপিসাড়ে জানাবে আমার অভিনয়ের নিয়মাবলী। শিখে নেয়া বুলি সব আওড়ে যাবো চন্দ্রালেখ্য সুরে।
যেহেতু ভালোবেসেছি অ্যামনেশিয়া, তাই ডুবে ডুবে থাকি মিমিক্রি'র জলাশয়ে। ধরা পড়ে গেলে বোকাচোদা মুখ করে আলাভোলা হই...এমত পাগল মুখোশেরা সব পারে ভেবে, এই বেলা সকলের ক্ষমাটমা জুটে যায়।
দুই.
অ্যামনেশিয়া শুনেছি সব পারে। দুঃখবোধ অথবা নির্জলা রোমান্স সব সাদাখাতা হয়ে যেতে পারে। ভুলে যেতে পারি প্রিয় চলচ্চিত্রকার কিম্বা লেখকের নাম-পরিচয়, চিঙড়ি মাছের বুনো স্বাদ, তেতো জলে কতোটা অ্যালকোহল...এমন অনেক সর্বনাম।
তিন.
বিছানায় শুয়ে শুয়ে তবু স্মৃতির অধর চলে আসে পুষ্পবৃন্তে। উপস্থিতির কাঙালপনা উপলক্ষ্য খোঁজে অঙকুরোদগম কালে। বুঝি অ্যামনেশিয়া আসলে বার্ধক্যের অক্ষম প্রকাশ...





অ্যামনেশিয়া কি ? এটা কি সব ভুলিয়ে দিতে পারে?
ভুইলা যাওনের রোগটার নামই অ্যামনেশিয়া...
জীবনের নিদির্ষ্ট কিছু ঘটনারে যদি অ্যামনেশিয়ার আন্ডারে আনা যাইতো খুব খুশি হইতাম। কোন সুত্র হয়তো নাই, তবে লেখাটা পড়ে Eternal Sunshine of the Spotless Mind এর কথা মনে পড়ে গেলো।
ভালো থাইকেন, মামা।
আসলেই...কিন্তু এই তালিকা ভাবতে গিয়া দেখি আরো আরো স্মৃতি মাথায় কিলবিল করে...
...সত্যি
এ ধরনের শব্দগুলো ঠিক কবিতার জন্যে না।
মন্তব্য করুন