ডাইরী ১১৮
এক.
আরশোলার ঠোটে চুমু খেতে চেয়ে কাল সারা বিকেল এবং রাত ওত পেতে বসেছিলাম তাহার পাশে। আরশোলা কেবল এদিক ওদিক ঘুরে ফেরে আবিষ্কারের নেশায়। কখনো তামাম বছরের গায়ে দিয়াশলাই ঘর্ষণে জ্বলে উঠেছে আগুণ। গুনগুন গান গেয়ে আরশোলা উড়েছে আগুণের শিখায় শিখায়। আরশোলারে পোষা পাখি ভেবে আমি তার প্রেমে পড়ে গেছি, কখনো ভাবি নাই আগুণ পাখি ছাড়া আর কেউ দীপ্তিমান উড়ে...
দুই.
আমি আর আরশোলা এইঘরে থাকি। আর তুমি ও তোমরা ঐ ঘরে ডর ভয়ে কেঁপে কেঁপে ওঠো। আমি হাতের মুঠোয় আরশোলারে নিয়ে নিজেরে গ্রেগর সামসা ভাবতে ভাবতে আর্দ্র হয়ে উঠি। দরজায় তখন মৃত ভারতীয় কেবলি গোঙায়। আর আরশোলার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অধরে কামময়তা খেলেছে জীবন অথবা যৌবনের রসে।
যদিও আমার জানা নাই কোথা হতে এলো সেই মৃত ভারতীয়। তবু তার গোঙানিতে সম্মোহিত আমি আরশোলারে চুমু খেতে চাই...
হেলুসিনেশন কিম্বা ফ্রাস্ট্রেশন।
তিন.
আমি আরশোলা ভালোবাসি বলে ভালোবাসি সম্মোহনের সকল মাদকতা। আর ভালোবাসি ধোঁয়া, আর ভালোবাসি ধোঁয়ার জড়তা। আরশোলার জীবনচক্র সমাপ্ত হয় আমার বিলম্বিত স্পর্শে। ভালোবাসায় সময়-আলোক আর বয়সেরা থেমে যায় সমাপ্তির রেখা টেনে।





সাইকেডেলিক পোস্ট হইসে একদম।
হ...
বুঝলামনা কিছুই।
এইটুকু বুঝলাম যে, আড়শোলাও একটা পাখি। তাকে ভালবাসা যার চুমু খাওয়া যায়!
এইটুকু বুঝলাম যে আড়শোলাও একটা পাখি। তাকে ভালবাসা যায়, চুমু খাওয়া যায়!

আড়শো্লা!
লেখাটা কিন্তু চমৎকার হইসে
দাদারে, লেখা তো ধোঁয়া-ধোঁয়া, বুঝিনি কিন্তু পড়তে গিয়ে একটা ঘোর তৈরি হয়েছে।
পড়িয়া ভাল লাগলো। প্রকাশ করিবার অভিপ্রায় অপ্রকাশিত সারমর্ম বুঝিলাম না।
পড়ার জন্য সবাইরে ধন্যবাদ...
খুব মর্ডান কবিতা হয়েছে। আরশোলা কবিতার সাবজেক্ট
বুঝলাম
পুরা না বুঝলে ও কিছু কিছু বুঝছি। পড়তে ভালো লাগছে খুব।
মন্তব্য করুন