রাত পোহালেই মৃত্যু এসে দাঁড়ায় চৌকাঠে
এক.
রাত শান্তিময়।
সময়কে ছেড়ে দিলে সেও পৌছে যায়
রাতের গহ্বরে, গহীন জঠরে।
রাতের পরিধী জুড়ে ঘুম
রাতের ভেতরে সুনসান
রাতের অন্তরে প্রিয়তমা,
ওম!
দুই.
শান্তির শুলুকে যখন তোমার পেছন পেছন ঘুরছি,
তখন তখন চোরাচোখে রাতের শরীর দেখা,
রাতের শরীরে ঘাম;
রাতের শরীরে ঘ্রাণ
রাতের শরীরে প্রেম
রাত আর শরীরের গল্প এভাবে একক হয়ে যায়।
শরীরের সব কাহিনী রাতের...শরীর হয়তোবা
শরীর হয়েছে রাতের ছোঁয়ায়।
তিন
ভোর রাতে বেজেছে সাইরেন
অনেকে হয়তো স্বপ্নের নাগাল থেকে
যাবে কাজের সন্ধানে।
রাত মানে আপন চৌহদ্দিময়
গোনাগুনতি, জাল বোনা;
মাছ ধরতে যাবো মাঝরাতে, ঢেউয়ে ঢেউয়ে
উলুখড় ভেসে যায়...তাহাদের খোঁজ কে রেখেছে
কোনোকালে।
কেবল রাতের কাছে তারা দামী,
রাতের শরীর ভেদ করে জাল ছুড়ে দিলে
উলুখড় জড়ানো মাছেরা তাকায় করুণ চোখে।
এরচে' মরে যাওয়া ভালো, রাতের আঁধারে চোখে
সংশয়ী শব্দেরা ভীড় করে, কেমন ভাষাহীন
ভাসমান তারা...কারা?
মলিন মাছেরা।





অন্যরকম ৩টা কবিতা।
১ নম্বরটা বেশি ভাল লাগছে।
২ নম্বরটার ভাব অসম্পূর্ন লাগলো কেন জানি!
৩ নম্বরটা কেমন জানি ঘোরলাগা।
আরো কয়েকটা লেইখা ফালান!
ভাল থাকুন,অনেক ভাল।
তিন নম্বরটা। কবিতার নাম বা শিরোনামটা মারাত্বক
মন্তব্য করুন