পথ আর পথিকের সংঘাত বিষয়ক ভাবনা (১)
...
একটা পথ এলোমেলো ছড়িয়ে পড়েছে,
আর পথিকেরা ছুটেছে চারপাশে ব্যস্ত,
নতুবা গন্তব্য কখন বদলে যাবে
তার নিশ্চয়তা নেই, আছে
অ্যামনেশিয়া ভীতি, বিষ্ফোরণের সম্ভাব্য
ইতিহাসে শংকিত হৃদয়ে অস্থিরতা বোধ।
কেউ অনুসরণে রয়েছে অলস প্রজাপতিরে
সে হয়তো তাদের নিয়ে যাবে ফুলের বাগানে।
কেউ কেউ পিছু নিয়েছে বেপথু বিড়ালের
তার জন্য অপেক্ষাতে আছে সুসজ্জিত মালকিন।
অনেকেই চলেছে নিজের ঠিকানাতে
পথ যেদিকেই চলে যাক, ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাক
যোগাযোগের সমস্ত নদী-রেললাইন-মেঠোপথ
পরিবার নিয়ে ঘরে আবদ্ধ সুখের মূল্যমান
তাদের নিকট যেনো সবচেয়ে বেশি।
পথের এমন ভাষা অচেনা ঠেকেছে
সব পথিকের, যারা যারা মাসের বাজার করে,
কিম্বা যারা দিন আনে দিন খায়, সকলের কাছে।
চিরকাল মানুষ জেনেছে তারা পথের সৃজন করে,
পথিক নিজের প্রয়োজনে একেছে পথের রেখা।
পথ যখন নিজের মতো এলোমেলো ছড়িয়েছে
মানুষেরা হারিয়েছে সরলতা-মনন-লক্ষ্যের দিশা।
পথের কিছু ইমেইজ তৈরী হইতেছিলো মাথার ভেতর। তারপর হঠাৎ সেই ছবি চৌচিড়। চিন্তার এলোমেলো অস্থিরতায় তখন ভবিতব্যের অন্য এক শহরের দৃশ্যকল্প তৈরী হইতে থাকে। অস্থিরতার শব্দগুলিরে লিপিবদ্ধ রাখি...





ভালো লাগল। আপনার বরাবরের জটিল লেখার মতো না। ধন্যবাদ।
মহাসড়কের যে অবস্থা পথের ইমেজ তো চৌচির হবেই
সকল সড়কের অবস্থাই একরকম মাসুম ভাই, মহাসড়কে গেলে খানাখন্দগুলি অনুভব করা যায়, আভ্যন্তরীন সড়কের গতি জড়তায় বিষয়টা বোঝা যায় না। যোগাযোগের গভীর সমস্যা নিয়াই আমরা সব একা একা লোকেরা চলতেছি আর কি...
কিসের খানাখন্দ!!! মন্ত্রী বলেছেন কোন গর্ত/ খানাখন্দ নাই। সব ঠিক করা হয়েছে।
মজার ব্যাপার হলো, বিগত সরকার যা করে নাই, আড়াই বছরে এই সরকার যা করতে পারে নাই সেই কাজ নাকি এক মাসেরও কম সময়ে শেষ।
অনেক ভাল লাগলো..
চমৎকার লাগলো পড়তে, বিশেষ করে এই লাইনগুলো -
মানুষেরা হারিয়েছে সরলতা-মনন-লক্ষ্যের দিশা
কী অসাধারণ!
যোগাযোগ মন্ত্রীর কি গভীর প্রভাব কবির ওপর
যোগাযোগ ছাড়া আর আছে কী?
মন্তব্য করুন