আউট অফ দ্য বক্স
পৃথিবীর কতোজন গহ্বর খুলে চলে গেছে অনাহারে?
কতোজন ধুলোবালি হলো বলিহারী রক্তস্রোতে
এমনো অনেকে ভেসে যায় লবনাক্ত ঢেউ ঢেউ জোছনায়
সমুদ্র যাদের ফিরিয়ে দিয়েছে আবার লোকালয়ে।
কোনো ভোরে চমকালো একজন চতুর্দশী, মৃত্যুময়
ব্যর্থতায় কুকড়ে যাওয়া যুবকের অলস চাহনী দেখে,
যার চোখ নেভে নাই মরনের আগে, অথবা জলের
ভেতরেই চন্দ্রালোক ভেঙে যায়, ভেঙে যায় নীরবতা
আর চাঁদের রূপালী শরীর কেমন রেশম কোমল দোলে।
মৃত্যুর ঠিকানা লিখে রেখে স্টিকি নোটে, কানা ভোরে
সবুজ ঘাসের গায়ে পদছাপ আঁক তুলে হেটে গেছে
যে তরুণ, তার দেহের প্রতিটি ভাঁজে কেমন অপার
ঘ্রাণ ছেয়ে থাকে, ভালোবেসে ঘ্রাণ অনায়াসে চেনা যায়।
আমি ঠিক প্রতিরাতে এমন মৃত্যুর আবেশ টের পেলে
হাতটাকে কাছে এনে দেখি...খানিক্ষণ আগে মৃত্যু
এইখানে ছুঁয়ে গেছে। সমনের কপিখানা পৌছে গেলো
তবে...ফুরিয়েছে বছরের গুণিতক, মাসের গণিত
শুরু হলো আজ থেকে; দিনের গণিত প্রত্যাশায় এলে
ধীরে স্থিতু হবে পরীদের পাখা, সামুরাই তলোয়ার,
ঘুমের নিদান, অথবা যে রসায়ন ঘেটে মানুষ জেনেছে ইতিহাস।





দারূণ...
আমি ঠিক প্রতিরাতে এমন মৃত্যুর আবেশ টের পেলে
হাতটাকে কাছে এনে দেখি...খানিক্ষণ আগে মৃত্যু
এইখানে ছুঁয়ে গেছে। সমনের কপিখানা পৌছে গেলো
তবে..
খুব সুন্দর
অনেক অসাধারণ একটি কবিতা। সত্যি সুন্দর। জীবন বোধহয় এমনিই।
শুভ কামনা ।
অন্যরকম। উদাস করে দিলেন।।
কবিতা পড়তে বেশ লেগেছে!
মন্তব্য করুন