মানুষের মরণচক্র
.........................................................................................................
.........................................................................................................
.........................................................................................................
উদ্বেগ
ঘুঘু যেনো মৃত্যুর প্রহরী,
গলা ফুলিয়ে হুংকার দ্যায় ক্রমাগত;
নিরুদ্বিগ্ন রিকশার চাকায় সভ্যতা
আটকে গেলে ছিটকে পড়ে
ইতিহাসের বয়ান, স্মৃতির ফুলেল
ঝাঁপি। তারপর বর্তমানের
শূন্যতায় সুরে বেজে উঠে,
"তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ..."
হনন কাহিনি
বহুদূর গ্রামে জলে ভরা সরোবরে
নেমেছে পার্পল সন্ধ্যা। তারসাথে উৎসব
বেজে উঠে ঢাকে আর বিউগলে, যেনো
আজ মৃত্যুর দেবতা অন্য কোনো নামে,
ছদ্মবেশে, চুপিসারে এসে হানা দেবে
তার সংকেত হিসেবে হুশিয়ারী চলে...
মৃত্যুরে যতোই ডড়িয়েছে আধুনিক
মানুষেরা, আসলে তাদের ভালোবাসা
বেড়েছে নিয়ম মেনে তার চেয়ে ঢের বেশি।
পার্পল সন্ধ্যায় অতএব জ্যোছনায়
জ্বলে উঠে নিভে যায় স্টিলেটো আবেগ।
হনন তৃষ্ণায় যেনো ভালো যায় আবেগ হীনতা...
কফিন বক্স
থির হয়ে থাকি বিছানায়,
নিথর শরীরে মাছিদের লালসা ঝরেছে
আঠালো লালায় ত্বক প্রতিরোধ ক্ষমতা হারায়।
এইদিনে প্রয়োজন কাঠের তক্তায় ঘেরা
অন্য ঘর...যারে অনেকে মৃত্যুযাত্রার বাহন হিসাবে
মেনে নেয় জাগতিক ধর্মে ও অধর্মে।
বোল তুলে ছন্দে ছন্দে এগিয়ে গিয়েছে বেহারারা
"উ-হুমনা! উ-হুমনা..."





চক্র পড়লাম।
চক্র পড়লাম।
প্রথম দুটো পড়ে গেছি, শেষটায় আটকে গেছি।
মাঝে মাঝেই মনে হয়,
কিছু একটা যদি লিখতে পারতাম এমন।
আকা বাকা পথ চলা গহীনে।
আগেরটা আরও ভাল লাগছিল!
ভালো লাগার বিষয়টা এতোটাই ব্যক্তিগত অনুভূতি যে তারে নিয়া কোনো আলোচনায় আগ্রহী হইতে পারি না। যদি দূর্বলতা নিয়া প্রশ্ন তুলতেন তাইলে হয়তো কিছু বলতে পারতাম।
মন্তব্য করুন