পাগলের দিনলিপি (চার)
মধ্যরাতে গ্রামের সমস্ত মাটি তারা নিয়ে আসে
শহরের উচ্চতা এইভাবে বেড়ে যায়।
শহরের মানুষেরা মধ্যরাতে চায়ের দোকানে থামে
তাদের আঙুলে আঙুলে চায়ের কাপ ঝোলে।
জুতায় মাটির দাগ আর ঘ্রাণে পাগল হয়েছে
শহুরে কুকুর; অনাবাসী ঘেয়ো কুকুরের নাকে
ইতিহাস জেগে ওঠে, পোড়ামাটি আর পাল পাড়া।
গ্রামগুলো ক্রমশঃ চাঁদের অবয়ব পেতে থাকে।
নভোচারী কৃষকের ঘুম ভাঙে বৃথাই চিন্তায়
বাজারে তখন আয়েশে ঘুমায় ফড়িয়ারা
ভোর হলে ট্রাক ভরে যাবে লালশাকে, করলায়।
তারা স্বপ্ন দেখে আগুনে লালশাকের
মূল্য আর মূল্যবোধ উভয়ই বেড়ে গেছে।
চুপিচুপি স্বপ্ন দেখতে রয়েছে তাহারা...
অভাবী কৃষক যেনো ভুলেও ঠাহর না পায়
সেইমতো তারা লেপমুড়ি দিয়ে স্বপ্নের অবুঝ
লীলাখেলা ঢেকে দ্যায়।
প্রতিরাতের মতোই আমি বাঁদরের মতো
বারান্দায় ঝুলে থাকি। কৃষ্ণপক্ষে চাঁদ ইচ্ছেমতো
অন্ধকার নিয়ে খেলতে থাকে...





মন্তব্য করুন