পাগলের দিনলিপি (বিশ)
তুলো বনে ওলো শিমুল কেমন উড়ো?
উড়ো চিঠি তোমার পাখায় কদ্দূরে যায়?
শব্দরাশি আজ আকাশে বাতাস পেলে
কোন নিয়মে সহজ ভাবে বাক্য থাকে?
গাঁথুনিতে কি মেখেছো তাদের শরীর
আটকে দিতে? ভাব প্রকাশের অস্ত্রগুলো
কেমন সজীব নিপাট উড়েছে দিবানিশি
এতো উড়েও কেমন করে চিঠির খবর শান্ত থাকে?
তুলো বনে ওলো শিমুল উড়তে উড়তে ক্লান্ত হলে
কোন ছায়াতে আবীর মেখে রোদ্দুরকে বিশ্রাম দাও?
আমার বেলায় আলসেমিতে আয়েশী এক ছন্দ খেলে
জল ছলছল কান্না এলে চোখের পরিধী যায় ভেসে যায়
পৌরুষেরে ভেংচি কেটে আমার নাগাল পেরিয়ে যাবার
সময় মেনেছো, অথচ আমার অশ্রু মাখা শব্দে শব্দে
প্রাচীন কঠোর বিশ্বাসেরা ঠিক কেঁদেছে বিষম বেলা।
কৃষ্ণরে দেখি রাইয়ের পায়ের ধুলো মেখে কাঁদায় কাঁদায়
মান ভাঙানোর কঠিন খেলায় লেগে আছে অবিরত দিন
রাইয়ের নিকট চকচকে চোখে করুণ তাকায় অবতারে,
তার পৌরুষে কালিমা লাগেনি এমন আবেগী প্রকাশ হলে।
তবে কি ফিরেছি বর্বরতার কর্কশ যূগে, গদা হাতে গেছি
ভালোবাসার পয়গাম নিয়ে...তুমি আর তোমাদের দল
ভয় পেয়ে রুখে দাঁড়িয়েছে, দরজা আটকে আমাকে রেখেছে
বিষণ্ন চাঁদের মলিন হাসিতে, নীল জ্যোছনার পরতে পরতে।





তাল নিয়ে পড়তে পড়তে বারবার তাল কেটে যাচ্ছিলো। সেজন্য দৃশ্যগুলোও ঠিকভাবে ভিজুয়ালাইজ করতে পারছিলাম না...
মন্তব্য করুন