পাগলের দিনলিপি (একুশ)
................................................................
................................................................
..................................................................
................................................................
...............................................................
...............................................................
একটা মেঘে ঢাকা সকাল বেরিয়ে এলো,
তার জিহ্বার মতো পথ বেয়ে চলে গেলো
একটা ভাড়া খেটে বুড়ো হয়ে যাওয়া
নিখাদ স্কুটার। চলে গেলো শহরের পেটে।
শহরের ক্ষুধা মিটিয়ে দেবে বলে দলে দলে
হেটে চললো গার্মেন্ট কন্যারা, উপন্যাসে নাম লিখে
রেখেছে তাদের বিবিধ চুলের ফ্যাশন দুরস্ত লেখকেরা।
তাদের ছায়ায় ছায়ার স্কুলের কিছু বালক-বালিকাও
ব্যাঙ লাফে, ব্যাঙ লাফে চলে যাচ্ছে নিরাপত্তাহীন
এই শহরের কোনায় কোনায় ছুরি হাতে ছেলেধরাদের
দল ওৎ পেতে থাকে রাত অব্দি...তারপর পুলিশ নেমে এলে
তারা ঘরে যায়, ছেলেধরা-ছিনতাইকারী অথবা পকেটমারদেরো
ঘরে বৌ আর স্কুলে শিশু থাকে।
ভোরে চলেছিলাম এক নতুন শহরে,
সেই শহরের জিভ ঝুলে থাকে নাই কোনোকালে
সেই শহরের পুরোটাই শষ্য আর সর্ষের জমিন।
আমি হলুদে হলুদে নিজেকে মেলেছি একটা
ছোট হলদে পাখির...লুকিয়ে থাকা হলদে পাখির সন্ধানে।
সব অদৃশ্য মানব সন্তানেরা বলছিলো
হলদে পাখি চলে গেছে, কোনো এক পরম সত্যের পথে
আমি হলদে পাখির নিকুচি করি।
পরম সত্য বলে কিছু নেই...সত্যের নিকটে পৌছেছে শুনেছি
কেবল হোসেনী দালানের হাজী সাব
আর তার সরিশার তেলে রান্না সবুজ পান্নার মতোন বাশমত
বিরিয়ানি।
পিছু ফিরে ঘরের আঁধারে তাকাতেই দেখি সুর্যেরা নেমেছে
জানালায় জানালায়। আলো ঠিকরে যেনো ঠুকরে খেয়ে ফেলে
চোখের কাজল, চোখ আর জল নেমে আসে পথে পথে।
যদি সব একসাথে মিলে যায়...তবেই না ইস্কুল খুলে যাবে।
স্কুলের ভেতর আমাদের আস্ত একটা মাঠ লুকিয়ে রেখেছে
কয়েকজন অপরাধী, আর কিছু দোকানদার।
আমাদের মাঠটাকে একদিন মুক্তি দিতে হবে...
ভয় হয় শঙ্খচিলের মতোন যদি মাঠটাও চলে যায়
পশ্চিমের বিরহ জরীপে?





দারুণ!
লেখাটা পড়বার পরপরই কেমন একটা ফ্রেশ / উজ্জীবিত ভাব আসলো মনে...
মেলা দিন পর একটা কবিতা পড়লাম। এবং ভাল লাগলো।
কঠিন লাগলেও ভালো লাগছে।
কঠিন লাগলেও ভালো লাগছে।
মন্তব্য করুন