অংক মিলে যায়, তবুও অপেক্ষা থাকে
তারপর মিলে গেলো অংক,
ফাঁস হয়ে গেলো সকল সংখ্যার জারিজুরি।
আমরাও তাকাই ফিরে সবুজ বনের দিকে,
তার পাজর জুড়ে থাকা কাঠবিড়ালীরা
ক্রমশঃ কেমন ঘোলা চোখে
তাকিয়ে সুরুৎ করে গর্তে ঢুকে যায়
যেন নেউলের বাচ্চা! আর শীত ঘুম থেকে
উঠে আসা সাপগুলো ফোশ করে
ফনা তুলে মনিটাকে খুঁজতে বেরোয়।
অংকটা যেহেতু মিলে গেছে তাই
সবকিছু ওলোট-পালোট হলেও যেনোবা
কারো কিছু আসবে অথবা যাবে না।
বিকেলের রাতজাগা চোখে ধুলো দিয়ে
চলে গেছে রোদ্দুর ও তাহার দল
সময়ের আগেই নেমেছে সন্ধ্যা,
রান্না থামিয়ে উঠোনে নেমে আসে মা, শিঙায় মুখ
রেখে উলুধ্বনি! গর্ত থেকে সাপ আর নেউলেরা উঁকি দেয়
তাদের দুপাশে রেখে মাঝখানে জাকিয়ে বসেছে অসুখি অ্যালিস...
বিস্ময় জগতে ভ্রমণ তখনো শেষ হয়নি!
আসলে ধারণা ছিলো অংক মিলে গেলে
কারো কোনো কাজ থাকবে না আর
সবাই অলস বসে থাকবে মৃত্যুর আশায়
সবকিছু চুরি করে এনে কপালে সাজিয়ে রাখা যায়
কেবল মৃত্যুর বেলা, একজন যমদূত অথবা আজরাইল
যে নামেই ডাকা হোক, তাকে আমাদের খুব প্রয়োজন!
অংকটা মিলেছে...আমরা অর্থাৎ সাপ-নেউল-অ্যালিস-আমি
আরো অনেকেই নিশ্চুপ! কেবল অপেক্ষা থাকে
খর্গ হাতে খুব শিগগীরি নেমে আসবেন জড়তা,
থামিয়ে দেবেন একে একে সব গতির কাহিনী।
কেউ আর প্রাঙ্গন পেরিয়ে ঘরে ফিরে যেতে চাইবেনা, পারবে না।





আপনার কবিতা নিয়ে কি আর বলবো বলেন? ভালো হয়, এইটাও হইসে।
এই কবিতাটা পড়ে মনে হচ্ছে সম্পুর্ণ একটা কবিতা পড়লাম...
আমার মন ভরে নাই। খেই হারিয়েছি বারবার।
খেই হারানোর বিষয়টা আমার বেলাতেও ঘটছে (প্রথম পাঠক হিসাবে)। তবে তাতে নিজের কিছু পছন্দ-অপছন্দ, অমুক-তমুক অনুসঙ্গ কাজ করছে। আপনার খেই হারানোর জায়গাগুলি নিয়া বিষদ আলোচনা না হইলে এই কমেন্টের অনুভূতি মূল্য থাকলেও শিক্ষণীয় মূল্য থাকে না (এই কথাটা একটু জটিল হইয়া গেলো কি!)।
অংক মিলে যাবার কথা বলে শুরু, এরপর সাপের মনি খুঁজতে যাবার অংশ পর্যন্ত ফ্রেম আর দ্যোতনা ঠিক ছিলো, এরপর কবিতার ফ্রেম, সুর, গল্প সবটাতেই হোঁচট খেয়েছি। শিক্ষণীয় কোনো রিভিউ আমি করতে পারবো না কারণ আমি কবিতা কেবল অনুভব করতে চাই, বিশেষত আপনার কবিতা।
তাই হয়তো অংক মিলে না
সাধারণ মানুষের অংক করতে করতে আর অপেক্ষা করে জীবন চলে যায়
মন্তব্য করুন