ঘামে ঘামে তারা ক্রমে মে দিবস হয়ে উঠে
...............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
শ্রমিকের মজুরীতে যারা ভাগ বসায় নিয়তঃ
তাদের শূন্যতা নেই জলে, তবু তাদের শরীরে
কখনো ঘামের ঘ্রাণ কিম্বা কাদার আস্তর পড়ে নাই
শ্রমিকেরা ভিজে কাদা হয় ঘামে ঘামে;
সেইসব ঘামহীন মানুষেরা কাদা মাটি
নিয়ে খেলতে শুরু করে, পাল্টে দিতে থাকে
শ্রমিকের শরীরের মানচিত্র আর স্বপ্নরেখা...
ঘামে ঘামে ক্রমশঃ নরম হয়ে পড়া শরীরের
বক্রতা-ঋজুতা পাল্টে দেয়া নিতান্ত সহজে...
ভেঙে দেয়া যায় বলিষ্ঠ পাজর, মুষ্টিবদ্ধ হাত,
চোখের তীক্ষ্ণতা, ঔদ্ধত্যের সর্বনাম।
কিন্তু ঘামের ঘেরান মাখা হৃৎপিণ্ড ঠিক
টিক টিক ঘড়ির সাথে দপদপ করে বেজে যায়...
তার সাথে তাল মেলাতে মেলাতে বছর-বয়স সব
সমুখে এগোয়। ন্যুজ শরীরের গল্পগুলোতে শ্যাওলার
আস্তরণ পড়ে কবিতার মতোন সবুজ হতে থাকে।
সবুজের বুকে ঘামের লবন মিশে শিহরিত হয়
শাশ্বত হৃদয়-হৃদয়ের মাত্রা গুনে চলাচল।
আর এভাবেই যেনো ঘামে ঘামে মে দিবস রচিত হয়েছে
কোনো এক মেঘে ঢাকা শহরের মেজাজী পথের পীচে
... রক্তে রক্তে!





সকল শ্রমজীবী মানুষ সুখে থাকুক।
ধন্যবাদ বিমা। আমাদেরকে শুভকামনা জানানোর জন্য
বাই দ্যা ওয়ে, তুমি কি জীবি? বুদধি?
হে হে হে ... আমি আপাতত বেকার আছি তাই বুদধি জীবী কইতে পারেন
আমাদের নিয়া কবিতা
কবিতাটা শ্রমজীবীদের নিয়াই লেখা। যদিও পত্রিকায় কিম্বা বিদেশী অফিসে কম্পিউটারের সামনে বইসা কাজ করাটারে অনেকে বুদ্ধিজীবীতার সাথে গুলাইয়া ফেলেন ইন্টেনশনালি। কায়িক শ্রমের সাথে গুনগত পাথর্ক্য থাকায় আর আয় বেশি হওয়ায় এইটা হয়। চাকুরীজীবী মধ্যবিত্তও আসলে শ্রমিক...তুলনামূলক আরাম আর কর্পোরেটিয় ষড়যন্ত্র তারে মন্ত্রণা দেয় অপেক্ষাকৃত গরীব শ্রমজীবীর সাথে বৈষম্যের বোধে সজাগ থাকতে...যাতে তারা অসচ্ছল শ্রমিকের সাথে বিরোধকালে বেড়া হিসাবে কাজ করতে পারে। বাস্তবিক এই মধ্যবিত্তরা হিউম্যান শিল্ড হিসাবে ব্যবহৃত হয়। তারা খালি শ্রমই বেঁচে না বড়লোকের বন্দুক তাক করার জন্য কাঁধটাও বেঁচে দেয়...
মন্তব্য করুন