ডাইরী ৬২
এক.
সে আমাকে ডেকে নিয়ে যায়। আমিও সকল সংসারে আগুন জ্বেলে দিতে সাথে সাথে সাড়া দেই। তবে তার আগে খেয়ে নেয়া যাক চকোলেট চিপ বিছানো নতুন ফ্র্যাপে...
যার হিম বরফে আমার প্রতিহিংসার আগুন নিভে গেলো, দপ করে। আহা কফি ওয়ার্ল্ড, কেনো যে আসি নাই এতোদিন আমি তোমার নিগরে। অতঃপর আমি তারে সোজা না বলেছি, বলেছি চিকিৎসক রমনীরা সুখেই থাকুক...
আমি চাই নাই যেভাবে কনিকা কিম্বা সুমনারা ব্যর্থতার জলযানে ভেসে চলে গেছে মৃত্যু আলিঙ্গনে, রুমানাও সেরম করুক পান, সায়ানাইড তরল...
দুই.
দিনের শুরুতে যেহেতু মহানুভব হই...তাই কফি ওয়ার্ল্ডেই কাটাই বাড়তি বেলা। একজন ধোঁয়াটে কিশোরী আসে। আমি তারে না চিনেই বলেছি ঘ্রাণের বাতুলতা। যদিও কর্কশ ছিলো আমার বচন, তবু দেখি কিশোরী গোগ্রাসে গিলে খায় তারে। তার ফ্র্যাপের গেলাসে বাষ্প কনিকা জমেছে ততোক্ষণে...
বাষ্পগুলি ধীরে ধীরে জল হয়...বেড়ে যায় চাপ-তাপমাত্রা...
তিন.
সন্ধ্যায় এসেছে বিজু। তার সাথে ঠিক ভেসে ভেসে চলে যাই রবীন্দ্র সরণী। লা বাম্বায় সব পৃথুলা রমনীরা বসে তখন কাবাবে মত্ত...আমরাও।
চার.
হেইগ সাহেবের ব্লেন্ডেড স্কটিশ পানীয়ের সাথে মাংস চিবাই। আজকের ক্ষণ শেষ হয় তোমার খোলা হাওয়া'য়...
মাঝির লাগি আছি জাগি সকল রাত্রী বেলা
ঢেউগুলো সব আমায় নিয়ে করে কেবল খেলা...





বাহ্! ভাস্করদার কিবোর্ডে দিনপঞ্জীও কবিতা।
বাষ্পগুলি ধীরে ধীরে জল হয়...বেড়ে যায় চাপ-তাপমাত্রা...
বিজ্ঞানপড়ুয়া ছোকরারা আইসা প্রতিবাদ করতে পারে
ধন্যবাদ নুশেরা...
পাল্টাইয়া দিবো নাকি ঐ লাইন?
না না দেখি কেউ কিছু বলে কিনা।
তখন বিজ্ঞানের তত্ত্ব বনাম ভাবপ্রকাশের মননশীলতা নিয়ে একটা যুগলবন্দী দেখার সম্ভাবনা আছে
আমার তর্কপ্রিয়তা নিয়া বাজারে বদনাম আছে...:p। আপনে যে তর্করে ভালো পান সেইটা জাইনা ভালো লাগলো :)। বেশিরভাগ মানুষই তর্ক আর ব্যক্তি আক্রমণের ফারাকটা ধরতে পারে না।
আজকের ক্ষণ শেষ হয় তোমার খোলা হাওয়া'য়.........
ক্ষণটা ওভাবে শেষ হয় বলেই হয়তো জীবন সুন্দর
আপনি দেখি আকন্ঠ কবিতায় ডুবে আছেন। দিনলিপিও কবিতা! দারুণ স্বাদ! এইটা কন্টিনিউ করেন।
লেখালেখিতে আমি কোনদিনই খুব বেশি ভাবনা চিন্তা করি না। এই যে ডাইরী লেখি সেইটাও ঠিক মুহুর্তের উপলব্ধি। প্রথম যেই লাইনটা মাথায় আসে সেইটারে ধইরা আগাই। এখন সেইটা কবিতা হইয়া যায় হয়তো, বা হয় না।
তয় ৯১'এর দিকে শোয়েব সাদাবের লগে টানা কয়দিন আড্ডা মারার এক্সপেরিয়েন্স থেইকা জানি যে কোন কিছুই কবিতা হইতে পারে...কেবল ব্যক্তিগত মুখোশটা চড়াইতে হয়। আর বিনয় বসের থেইকা জানি কবিতার বড় উপাদান রহস্যের বাতাবরণ...
গদ্যের মধ্যে কবিতার সুবাস সর্বদা আদরনীয়
ধন্যবাদ...
এত ছোট ছোট দিনপঞ্জি? আরেকটু বড় করোন যায় না? তাইলে মুগ্ধতার আবেশটা আরেকটু পাকা-পোক্ত হয়।
ইশ, যদি আমার এই সব লেখা যদি বড় করনের ক্ষমতাটা থাকতো...
আপনার লেখা পছন্দ করা ফরজ।
ভালো লাগলো
লা বাম্বায় সব পৃথুলা রমনীরা বসে তখন কাবাবে মত্ত...আমরাও।
মন্তব্য করুন