ডাইরী ৬৪
যা কিছু অদৃশ্য রয়েছে জীবনে, তারে নিয়েই তড়তড়িয়ে লেখচিত্র ক্রমশঃ উর্ধ্বমূখীন।
এক.
প্রত্যাশারা বেড়ে চলে সেইসব বাতুলতা ঘিরেই, যারে বহুদিন কিম্বা কোনদিন দেখি নাই। প্রত্যাশারে যতোই ঠেলেছি দূরে, ততোই দেখেছি তারে মহীরূহ হতে। শৈশবের সেই সমব্রানিয়া দ্বীপে আমি কখনো পারিনি পাড়ি দিতে, কিন্তু স্বপ্ন দেখার বেলায় আমি ঠিক শহরের মধ্যিখানে দাঁড়িয়ে দেখেছি পছন্দের মানুষেরা আমার চারপাশে ভীড় করে।
যদি ভেবে থাকো মুছে যাবে, যদি ভেবে থাকো প্রত্যাশার তালিকায় উঠবে না নাম...জেনে রেখো তবে, এইবেলা ভুল ভেবে বসে আছো...আমার প্রত্যাশা বেড়েছে হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস ঘিরে...
দুই.
ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠেই প্রত্যাশা ছিলো, এইবার বেঁচে থাকার সংগ্রাম শুরু, ঘুমোতে যাবার আগে প্রত্যাশিত হয় অন্ধকার...না দেখা জীবনের ছবি, মৃত্যু।
তিন.
অন্ধকারে চুপচাপ বসে থাকি আলোর প্রত্যাশা নিয়ে...লোডশেডের পরেই তো বিদ্যুৎ ঝুপ করে নামে...কোন একদিন হয়তো আর বিদ্যুতেও ভরবেনা মন...আলোতে এলেই আমার ইচ্ছেরা, আমার প্রত্যাশা বেড়ে যাবে জ্যামিতিক...





ভালো লাগলো। অন্যের ডাইরী পড়া অবশ্য ঠিক না
ধন্যবাদ...
৩ পড়ে মনে হইলো প্রত্যাশা বাড়ে জ্যামিতিক হারে আরে পুরন হয় গাণিতিক হারে (হয় কি?)
পূরণের হারটা কেউ বাইর করতে পারবো না...
মানুষের কিছু কিছু ইচ্ছা আসলে পূরণ হয় কিন্তু পূরণ হওয়ার পর আর সেইটার তেমন মূল্য থাকেনা তার কাছে; যা আপনি পান নাই আপনার মনে হবে সেটা পাওয়ার সব যোগ্যতাই আপনার ছিলো, ভাগ্যদোষে পাননাই, যে চাওয়াটা পূরণ হয় সেটায় অন্যেরা হয়তো আপনার সৌভাগ্যে ঈর্ষান্বিত হয় কিন্তু আপনার নিজের মনে হবে এমনটাই হওয়া উচিৎ ছিলো, নাথিং স্পেশাল
মন্তব্য পুরা জাঝা।
এটা আসলেই একটা অসাধারন ব্যাপার, নিত্যদিনের প্রতিটি চলাচলই যেন কাব্যময়। খুব ভালো লাগলো।
দারুণ একটা সিরিজ। অসাধারণ্
দারুণ একটা সিরিজ। অসাধারণ্
যদি ভেবে থাকো মুছে যাবে, যদি ভেবে থাকো প্রত্যাশার তালিকায় উঠবে না
নাম...জেনে রেখো তবে, এইবেলা ভুল ভেবে বসে আছো...আমার প্রত্যাশা বেড়েছে
হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস ঘিরে...
মন্তব্য করুন