ডাইরী ৬৫
এক.
শুদ্ধ বালক ছিলাম না কোনদিন। পবিত্র মুখোশ পরে হয়তো হেটেছি ফুটপাতে। সবাই তখন মুখোশের রঙ-বুনোট অথবা কারুকাজ দেখে মোহিত রয়েছে। আমি আড়চোখে নারীদের শরীর কাঠামো দেখি নাই কইলে নিজেরেই প্রতারনা করি তবে।
দুই.
রাত জেগে আমিও কি আহ্বান করি নাই মদীর চাহনি, আমিও কি দেখতে চাই নাই তাহাদের সবকিছু। তাদের যখন দাঁড়াতে বলেছি তারা দাঁড়িয়েছে। যখন বলেছি, চলো না এবার ঘুরে আসি শ্বেতকায় সরোবরে...সেখানে জলজ খেলা চলবে সারাবেলা...উৎপাদন আর অনুৎপাদনের তরে। প্রতারক চোখে চোখ রেখে, তারা হেটে গ্যাছে...জলাবধি...
তিন.
এক বিদেশিনী শুনি অশ্রু সজল রয়েছে দূরপ্রাচ্যে...তার গলার লোকজ গানে বিরহ বেজেছে বহুদিন...আর আমি রয়েছি লুকিয়ে...অপবিত্র প্রাণে...
চার.
তবু যেবার তোমার হাত ধরবো বলে অনুমতি প্রার্থনা করেছি...তুমি ফিক করে হেসেছিলে...বলেছিলে আমি এতো প্রাচীন পুরুষ কেনো!? কাঁপা কাঁপা হাতে আমি তুলেছি তোমার হাত...অতোটুকু স্পর্শই যেনোবা জীবনের স্বাদ এনে দেয়...এনেছিলো...





এইভাবে ডেইলি গোটা চারেক পদ্য লিখতে থাকলে আপনে তো বিরাট কবি হয়ে যাবেন ...
ভাল্লাগছে...
যতি চিহ্ন কয়েক জায়গায় বুঝমতো থাকে নাই মনে হইলো... দেইখেন একটু
হ, এইবার পণ করছি বিরাট কবি হইয়াই ছাড়ুম...যতি চিহ্নগুলির ঝামেলাগুলি একটু ধরাইয়া দিয়েন...
আমি শুধু চার বুঝলাম... ঐটুকের জন্যই
ধন্যবাদ...
চলুক
যতিচিহ্নের সমস্যা খুব বেশি ছিলো না, একটা দুটো। এটা ব্যাপারনা। তাও আবার আপনার নিজস্ব ব্যাখ্যা থাকতে পারে। আমি তো ব্যাকরণের চোখে দেখছি, কবিতার চোখে না। তবু সুন্দর লেখা যতোটা সম্ভব ত্রুটিমুক্ত থাকা দরকার, তাই আমার মতামত জানাইছিলাম। দুয়েকটা জায়গায় চন্দ্রবিন্দু উবে গেছিলো, দুয়েকটা জায়গায় স্পেস খেয়ে গেছিলো... সবগুলো মিলিয়ে আমার যা যা চোখে পড়লো তা দিয়ে দিলাম। আমার নিজেরই ভুল হয় একশ একটা। তবু ভুল ধরার অপচেষ্টায় নিজেই শিখি আসলে প্রতিনিয়ত।
এক.
শুদ্ধ বালক ছিলাম না কোনোদিন। পবিত্র মুখোশ পরে হয়তো হেঁটেছি
ফুটপাতে। সবাই তখন মুখোশের রঙ-বুনোট অথবা কারুকাজ দেখে মোহিত রয়েছে। আমি
আড়চোখে নারীদের শরীর কাঠামো দেখি নাই কইলে নিজেরেই প্রতারণা করি তবে।
দুই.
রাত জেগে আমিও কি আহ্বান করি নাই মদীর চাহনি? আমিও কি দেখতে
চাই নাই তাহাদের সবকিছু? তাদের যখন দাঁড়াতে বলেছি তারা দাঁড়িয়েছে। যখন
বলেছি, চলো না এবার ঘুরে আসি শ্বেতকায় সরোবরে... সেখানে জলজ খেলা চলবে
সারাবেলা... উৎপাদন আর অনুৎপাদনের তরে। প্রতারক চোখে চোখ রেখে, তারা হেঁটে
গ্যাছে...জলাবধি...
তিন.
এক বিদেশিনী [এখানে আমি একটু কনফিউজড, বিদেশী হবে। তবে নি/নী কোনটা সঠিক মাথায় আসতেছে না] শুনি অশ্রু সজল রয়েছে দূরপ্রাচ্যে... তার গলার লোকজ গানে বিরহ বেজেছে বহুদিন...আর আমি রয়েছি লুকিয়ে...অপবিত্র প্রাণে...
চার.
তবু যেবার তোমার হাত ধরবো বলে অনুমতি প্রার্থনা করেছি...তুমি
ফিক করে হেসেছিলে... বলেছিলে আমি এতো প্রাচীন পুরুষ কেনো!? কাঁপা কাঁপা
হাতে আমি তুলেছি তোমার হাত... অতোটুকু স্পর্শই যেনোবা জীবনের স্বাদ এনে
দেয়... এনেছিলো...
ধন্যবাদ নজরুল...
ভালো লাগলো; চার বেশি ভালো লাগলো
প্রথম তিনটা স্মৃতিচারণে আমি খারাপ মানুষ আর শেষে আমার ভালোবাসার ভালোমানুষি থাকাতে বোধহয় ঐটা ভালো লাগতেছে...খুব স্পেকিউলেটেড জবাব দিলাম...ভুল হইতে পারে...
এইটা হওয়াটা একেবারেই অস্বাভাবিক না। অবচেতন মনেও আমরা ভালোমানুষেরে ভালোবাসি।
অবচেতনে এই ব্যাপারটা কাজ করা খুবি স্বাভাবিক; তবে ৪ পড়তে গিয়া আমার যেটা মনে হইছে সেটা হইলো আমার পোস্টে আপনি কালকে এই স্মৃতির কথা লিখছিলেন মন্তব্যে; এমনিতে হয়তো আপনি মাঝেমাঝেই এই স্মৃতিটা হাতরান কিন্তু কালকে আমারপোস্টা আপনাকে স্মৃতি মনে করায় দিছে তাই এই লিখাটায় আমার একটা পরোক্ষ ভূমিকা আছে মনে কইরা আরাম পাইতেছিলাম।
হ আমিও আছি সাথে। আমি না কচলাইলে হয়তো এত বড় পোষ্ট শুরু থেইকা শেষে গিয়া হাত ধরার কথা ভুইলা যাইত।
নুশেরান্টিপু বলেছেন সহোযোগী ব্যাটস্ম্যান যেই থাকুক পোস্ট যার, সেন্চুরীও তার, সো আমি আপনারে সাথে রাখতে রাজি না
আশ্রাফুল্রে ১ রান বোনাস দেয়া হোক
আমিও সাবকন্সাসলি তা'ই করি...তয় খানিক্ষণ নিজের লগে বাৎচিত করলেই আবার বাকী মূল্যায়ণটা পাল্টায়...
আমার সব কয়টাই ভালো লাগছে।
ধন্যবাদ রাকিব...আমার গুটিকয় উৎসাহদাতার মধ্যে আপনেও একজন...
আপনার ডাইরী পড়ে আমারও ডাইরী লিখতে মঞ্চায় কিন্তু শখের সাথে সাধ্যির সামঞ্জস্য না থাকায় আর হয়ে ওঠেনা।
নিয়মিত চোখ রাখি এই সিরিজে , যদিও সময়াভাবে জানান দেয়া হয়না
লেইখা ফেলেন বস। শখ আর সাধ আর সাধ্যি'র সম্মিলন ঘটাইতে ঘটাইতে আমরা অনেক ভালো কিছু থেইকা বঞ্চিত হইয়া যামু...
কোন সমস্যা নাই...নজর রাখলেই হয়...জানান দিয়া ভালো লাগানের প্রয়োজনীয়তাটা অনেক আপেক্ষিক...
হু ম ম
হু ম ম
উপস্থাপনটা শিখার ইচ্ছা
আপনেরাই ভালো আছেন...ধান্দাবাজী নাই কোন...যা কওনের সব সোজাসাপ্টা...
শব্দের বুনন চমৎকার!
পুরোটা পড়তে হয়!!
ধন্যবাদ...
এ্যবসলিতট কৈতে কিছুনাই, সবারই আকাম আছে আর মুখোশ পড়ে...
কিন্তু ইদানীং আমার কাছে, মুখশ পড়ি, এইটা কৈতেও শরম লাগে, অনেকে ফ্যাশন কৈরা কয়তো...নয়া স্টাইল চালু করলে কেমন হয়? মুখশ পড়া বিষয়টাই ড্যাম কেয়ার করা?...(ধুরু, আজাইরা কথা বার্তা কৈলাম...
)
মন্তব্য করুন