ডাইরী ৭৭
ফিরে এসো এ্যামনেশিয়া, ভুল খেলবার রাতের আঁধার...
এক.
স্মৃতির রকমফেরে পাল্টে যায় আবেগের মেঠোপথ। আমি মেট্রো পথযাত্রী বিলা খেয়ে উলট পুরাণ পাঠে মগ্ন প্রাণ...খেয়ে ফেলি শব্দরাশি, বাক্যের বন্ধনী আর অনুচ্ছেদে বেধে ফেলি যৌবনের বিরহ শিকল। তবু মেঠো পথ এতো বেশী নাড়া দেয়...আহা আমারেও তার শরীরের বন্ধুরতা পেড়িয়ে যাবার আশা জাগানিয়া গান শোনাতে চায়। স্মৃতির আনন্দ যেমন রয়েছে সেই পথে, ঠিক তার বিপরীতে নোনা জল জমে থাকে উত্থান পতনে...
দুই.
অতএব চলো ছক মেলে শুরু করি ভুল খেলাটাকে। যা কিছু নিয়ম তার ছন্দ-মাত্রা ভেঙে ফেলি, ফেরি করে নিয়ে আসি অনিয়মের হ্যাঙ্গার। ঝুলে থাকা অনিয়মেরে ছড়িয়ে দেই স্মৃতির প্রান্তরে...যেমতো ছড়ায় এ্যামনেশিয়া।
তিন.
ভুলে থাকবার সবচে সঠিক পথে যেতে চাই...রজনীর দৈর্ঘ্যে নাকি জড়িয়ে জড়িয়ে থাকে ভুলে যাবার ফর্মুলা। আমি সারারাত জেগে জট ছাড়িয়ে তাহারে যতোই নিয়েছি কাছে, ততোটাই নিকট প্রবণ জেনেছি রক্তপাতের প্রয়োজনীয়তারে...





আজকেরটা কিছু কঠিন হইছে। তবে যথারিতী ভালো লাগছে। দুই একটা টাইপো আছে মনে হয়, (পেড়িয়ে, যেমতো) নাকি শব্দের ভিন্ন ব্যবহার।
যেই দিন যেইরম মুডে থাকি সেইভাবেই লেখা হয়। টাইপো না...বানান দুইটা আমি সবসময় ভুল করি...ধরাইয়া দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ তোমারে...
ভুলে থাকার চেষ্টাটা বোধয় আরো প্রকটভাবে মনে করিয়ে দেয়, ভুলেথাকাটা আরো কঠিন করে তোলে
কাঁকন
আপনি বোধহয় আমার ডাইরীর সবচাইতে নিয়মিত পাঠক। আজকের অনুভূতিটা আপনি একদম জায়গামতোন ধরছেন দেইখা ভালো লাগলো। শেষ পর্যন্ত পাঠকই আসলে লেখককৃতি তৈরী করেন...
ধন্যবাদ...
জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে বেশির ভাগ মানুষ ই বোধয় কিছু না কিছু যত্ন করে ভুলতে চায়; আপনার ডাইরীতে নিজেকে খুজি কখনো পাই কখনো পাই না; যখন পাই তখন খুব ভালো লাগে সেজন্য অপেক্ষা করি আপনার ডাইরীর জন্য
হুমম...
ভুলে থাকবার সবচে সঠিক পথে যেতে চাই......ভুলতে চাইলেই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে।
এই সত্য জানলেও কিছু করনের থাকে না আসলে...এর জন্যই প্রয়োজন এ্যামনেশিয়া...
...এই পর্বে কাব্য অনেক কম....স্মৃতি নিয়া ম্যারিক্যাচার...কিন্তু বলার স্টাইলটাই ভাল্লাগে....
একটা সত্য কথা হইলো, ডাইরী লিখতে গেলে আমি আঙ্গিকের বৈশিষ্ট্য নিয়া তেমন ভাবি না। মাথায় একটা উপলক্ষ্য নিয়া লিখতে শুরু করি...সেই আবেগ আমারে যেইদিকে নিয়া যায় সেইদিকেই গন্তব্য ভাবি।
ধন্যবাদ আপনার প্রয়োজনীয় মন্তব্যের জন্য...স্মৃতির ক্যারিকেচার আসলেই হয়তো কাব্যটারে পাশে ঠেলে রাখে...
ভুলে থাকার চেষ্টা করার অর্থ হলো ভুলে যাওয়া সম্ভব না...
========================================
আপনার ডাইরীর নিয়মিত পাঠক বোধহয় এবির সবাইই
আপনার মন্তব্যের একটা সেকেন্ডারী মিনিং মাথায় আসলো...যেই স্মৃতিরে ভুলতে চেষ্টা করতে হয় তারে আসলে ভুলে যাওয়া যায় কী না তা নিয়া সন্দেহ আছে।
পাঠক নাই বা আছে এই হাহাকারে আমি খুব বেশি থাকি না...প্রকাশে যতোটুক আছে মনে আসলে তার কানাকড়িও নাই...
অনেক রাতে দেখছি আমাগো রাত আড়াইটা মানে আপনেগো সাড়ে ৬টায় এক পাতা লেখছি...কাঁকন ঐ সাড়ে ৬টায় আমার ডাইরীতে কমেন্ট কইরা আবার অফলাইন হইয়া গেলো দেখতে পাই...এই কারণে তারে একটু বেশি নিয়মিত পাঠক মনে হইছে...এর বেশী কিছু না...নিজেরে দিয়া বিবেচনা করি বইলা এইটারে আমার উল্লেখযোগ্য মনে হইছে, কারণ অনেক সময় অনলাইন থাকলেও পছন্দের লেখক কিম্বা লেখারে পরে পড়ুম বইলা ফালাইয়া রাখি...
উমম
পোস্টে কমেন্টস দেয়ার জায়গা থাকেনা দেইখা আম্রা কমেন্টস দেই না ... আশা করছি এইটারে ভাষ্করদা পাঠক বিমুখ পোস্ট ভাব্বেন্না
আপনে ডরাইয়েন না বস, আমার আহাজারি হুদাই...
আপনে ডরাইয়েন না বস, পাঠক বিষয়ে আমার এই আহাজারি হুদাই...
কবি, স্মৃতির রকমফেরের ঘেরাটোপে আটকে পড়ে গেলাম, স্মৃতি সহজ বিস্মৃতি কী এতই সহজ?
আমি একটা সমাধান পাইছি। কিন্তু এই সমাধান আসলে বাস্তবাশ্রয়ী হইতেছে না...নতুন স্মৃতি নির্মাণের সম্ভাবনায় অনেকসময় পুরান স্মৃতি বিলোপ পায়...কিন্তু পুরান স্মৃতির কারণে নতুন স্মৃতি তৈরীর আগ্রহ নষ্ট হয় তার আগেই...
ফিরে এসো এ্যামনেশিয়া, ভুল খেলবার রাতের আঁধার..
ভুলে থাকার চেষ্টায় রয়েছি রাতদিন
তবুও ভুলার খাতায় জমা পড়ে হাজারো ঋন
অন্তত এই চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রতিটি দিন
মন্তব্য করুন