‘আমরা বন্ধু’ যেসব ক্ষেত্রে বন্ধুসুলভ নয়...
ডিসক্লেইমার: ‘আমরা বন্ধু’ অনেকক্ষেত্রেই বন্ধুসুলভ। কিন্তু নিন্দামন্দ না করলে নাকি পেটের ভাত হজম হয় না! গত দুদিনে দুটো বিয়ের দাওয়াত খেয়ে এসেছি, পেট এখনো ভুটভুট করছে। গত কদিন কারো নিন্দামন্দ করি নি বলেই হয়তো রোস্ট, কাচ্চি বিরানী বা টিকিয়া কাবাবগুলো এখনো হজম হচ্ছে না। সামনের শুক্রবারে আবার এবির পিকনিক। ইচ্ছা আছে অন্তত দুটো খাসি আর চার-পাঁচেক মুরগি সাবাড় করা, সাথে এক লিটার কোক আর যা যা থাকে, সেগুলোর একটু একটু করে চেখে দেখা। নিন্দামন্দ না করলে যদি ওগুলো হজম না হয়, তাইলে পিকনিকটা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে পারবো না। তাই এই লেখা। পরিষ্কার কথা- এর মধ্যে কোনো ভংচং নেই। 
আমরা বন্ধুতে আমি তুলনামূলকভাবে নতুন। কেন এই ব্লগে লেখা শুরু করলাম, সেটা অন্য কাহিনী। নিধির বাপ নজরুল ইসলামের কোনো লেখার মাধ্যমেই সম্ভবত এই ব্লগের সাথে প্রথম পরিচয়। তখনই রেজিস্ট্রেশন করি। কিন্তু কোনো রেসপন্স পাই না। পরে একদিন নজরুল ভাইয়ের সাথে চ্যাটে বা ফোনে এটা নিয়ে কথা হলে আমি জানাই যে, রেজিস্ট্রেশন করেছিলাম কিন্তু আমাকে বোধহয় কর্তৃপক্ষ (মডুজাদা নিন্দাবাদ- আহ! গালি দিতে কী সুখ!
) নিতে চায় না। নজরুল ভাই আবার রেজিস্ট্রেশন করতে বললেন। পরের দিন দেখি মডারেটর আমারে মেইল দিয়ে জানালো আমি চাইলে এখানে লিখতে পারি (মডুকে দেয়া আগের গালিটা তুলে নিলাম
)।
রেজিস্ট্রেশন তো করলাম। নিয়মিত পড়ি, কিন্তু কেন যেন লিখতে ইচ্ছে হয় না। তারপরও এর মধ্যেই গোটাচারেক লেখা পোস্ট করে ফেলেছি। মানুষজনেরও সম্ভবত খাওয়ার আগে কোনো কাজ থাকে না, কমেন্টে ভাসায়া দিল (কেবল মডু কোনো কমেন্ট করে নাই
)। তাতেও দেখি লিখতে ইচ্ছে করে না। আলসি তো আছেই, আমি আবার গুরুত্ববিচারের আলসিটাকে বেশিই পছন্দ করি। কিন্তু একদিন কেন যেন মনে হলো এই ব্লগের বেশ কিছু বিষয় আমাকে টানে না, কিছু কিছু সমস্যাও ফেস করি মাঝে মাঝে। কিন্তু সেগুলো কাকে বলবো বুঝতে পারছিলাম না। সেদিন ছবির হাটে টুটুল ভাইকে (আচ্ছা, আপনি মডু নাকি? দেখলে তো মডুই মনে হয়!
) বলতেই তিনি বললেন লিখে ফেলতে। সুতরাং লিখছি। এই লেখা পড়ে কোনো মডু যদি মাইন্ড খান, তাহলে প্লিজ টুটুল ভাইকে ব্যান করে দিয়েন। আমি কইতে চাই নাই, টুটুল ভাই কওয়াচ্ছেন।
১. আমার ব্লগের ব্যাকগ্রাউন্ড ১০০% সাদা নয়। অন্তত আমার পিসিতে কিছুটা কালো কালো মনে হয়। মুক্তাঙ্গন ব্লগের আগের থিমটাও এরকম ছিল। কিছুদিন আগে তারা সেটাকে পুরোপুরি সাদা করেছে। ব্লগের থিমটার যদি ঔজ্জ্বল্য বাড়ানো যায় এবং সুন্দর ও আকর্ষণীয় থিম দেয়া যায়, তাহলে বোধহয় মন্দ হয় না। ব্লগে ঢুকেই মন কালো করা থিম দেখলে লেখার মুড আসে না।
২. প্রথম পৃষ্ঠায় লেখার সংখ্যা আরো বাড়ানো উচিত। মাত্র কয়েকটি লেখা পড়তে না পড়তেই দেখি পৃষ্ঠা শেষ।
৩. নিচে পৃষ্ঠা সংখ্যা দেখি ইংরেজিতে লেখা। এগুলো সত্ত্বর বাংলা করা দরকার।
৪. ইমোটিকনগুলো সুন্দর না। আমার কাছে ইয়াহুতে ইমেইল করার সময় যে ইমোটিকনগুলো দেখায়, সেগুলোই সুন্দর মনে হয়। সবচেয়ে বাজে লাগে সামহোয়্যারের ইমোটিকনগুলো।
৫. প্রথম পৃষ্ঠায় লেখার যে সাইজ দেখায়, মাশাল্লাহ। সম্ভবত প্রথম প্যারাটা প্রথম পৃষ্ঠায় দেখাবে এরকম কিছু ডিফল্ট করা আছে। সেক্ষেত্রে কারো লেখা তিন লাইন, কারো ১৫ লাইন বা কারোর ছড়া হলে প্রথম পৃষ্ঠায় পোস্টটা বিশাল লম্বা দেখায়। প্যারা বা শব্দ বা লাইন সংখ্যা দিয়ে না দেখিয়ে যদি প্রতিটি পোস্টের জন্য একটি নির্ধারিত সাইজ দেয়া যেত, তাহলে সুন্দর দেখা যেত।
৬. কমেন্ট করতে গেলে আলাদা একটা পৃষ্ঠা আসে। এটা খুবই বিরক্তিকর এবং সময়ও লাগে বেশি। এর বদলে অ্যাজাক্স-বেজড কমেন্ট সিস্টেম করতে পারলে ভালো হতো।
৭. কমেন্ট করা শেষ হলে কমেন্টটা যেখানে করা হলো কার্সর সেখানে না গিয়ে পুনরায় মন্তব্যের বাক্সের ঘরে চলে যায়। এটাও বিরক্তিকর। বারবার স্ক্রল করে উপরে যেতে হয়।
৮. অন্য ব্লগ-সাইট-সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ারের অপশন তুলনামূলকভাবে কম।
৯. এখন তো বেশ কিছু বাংলা ব্লগ আছে। একেকটির একেক দিক শক্তিশালী। আমরা বন্ধুতে এরকম অনেক ফিচার নাই। প্রতিটি ব্লগ ব্লগারদের কী কী সুবিধা দিচ্ছে তা দেখে সবগুলো সুবিধাই এখানে ঢোকানো যেতে পারে।
১০. এই যুগে কি আর HTML ট্যাগ দিয়ে লেখার ইচ্ছে হয়! কিন্তু নিচে দেখি বেশ কিছু ট্যাগ-টুগ নির্দেশনা দেয়া আছে। এগুলোকে রিচ টেক্সট এডিটরে ঢুকিয়ে দেয়া যায় না?
১১. আমরা বন্ধুতে লেখার জন্য লেখার বক্সের সাথে ইনবিল্ট বাংলা সফটওয়্যার নেই। এগুলোতো ফ্রি পাওয়া যায়। পোস্ট লেখার বক্সের সাথেই বিভিন্ন কিবোর্ডের অপশনগুলো থাকা দরকার।
১২. লেখার ট্যাগ হিসেবে কিছু ডিফল্ট ট্যাগ দেওয়া আছে। অনেক লেখার সাথেই সেগুলো যায় না। আবার আমি যদি ‘পেচ্ছাপেচ্ছি’ (আচ্ছা, এই জিনিসটা আসলে কি? পিছলা-পিছলি?) ট্যাগ দিতে যাই, তাহলেও নিরূপায়! ব্লগাররা নিজেরা যাতে ট্যাগ দিতে পারে সেই ব্যবস্থা করা দরকার। (দেখেন তো, এই পোস্টে কী ট্যাগ দিসি
)
১৩. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে নানান জায়গায় বাক্সবাক্স দেখায়। যদিও বাসায় ফায়ারফক্স ব্যবহার করি, কিন্তু অফিস থেকে দেখতে হলে আইই ছাড়া উপায় নেই। বাক্সগুলো ঠিক করা দরকার।
আরো অনেক আছে। সেগুলো আস্তে ধীরে বলবো। পিকনিকে কী খাওয়ায় তার ওপর নির্ভর করবে পরেরগুলো বলবো কিনা। জনাব মডু, এগুলোর দিকে আপনার নজরখানা প্রদান করিবেন?





আমার সুখ নাই, তাই দুখও নাই । গৌতম যা বলল তার বেশির ভাগই বুঝিনা । ইন্টারনেট, ব্লগিং ইত্যাদির পুরোটাই আমার কাছে সমস্যা - এর সমস্যা আমি বুঝবার কে ?
গৌতমের আজকের লেখায় উপন্যাস, খেলাধুলা, রান্নাবান্না পেলামনা । স্যাটায়ার, ভালোবাসা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বোধহয় আছে কিছু কিছু ।
অনেকেই দেখি একাধিক ট্যাগ লাগায়, আমি পারিনা একটার বেশি ।
হে হে হে।
আপনার প্রস্তাবগুলো বেশিরভাগই টেকনিক্যাল আমি নন টেকি লোক তাই এসব বুঝিনা। যে কয়েকটি বুঝতে পারলাম, সেগুলো গুড পয়েন্ট। আশাকরি এসব বিষয়গুলো মডুরা দেখবে।
কিন্তু মডুর তো কোনো খবরই নেই!
সমস্যগুলোর সঙ্গে একমত ।
ধীরে ধীরে সমস্যাগুলো কাটিয়ে ওঠা খুব জরুরী ।
ইউজার ফ্রেন্ডলী না হইলে আরো বেশী বেশী ফ্রেন্ড আমরা কিভাবে পাবো !
দারুণ বলেছেন তো!
গৌতম, আমার পিসি'তেতো ১০০% শাদাই আসে...।
তাইলে ক্যাম্নে কী! আমি তো এই এখনো একটু একটু ঘোলাটে দেখছি!
আমিও এটা লিখবো ভেবেছিলাম। আমার ল্যাপিতেতো "ও মানিক কি বাত্তি লাগাইলির" মতো ফকফকা সাদা আসে
সমস্যাটা গৌতম বাবুর চোখে না মনে?
জ্বি, দারুণ একটা প্রশ্ন করেছেন। আমি অভিভূত।
গৌতমের সাথে এক্মত ।
তাইলে আমি আটখানা।
আমারটাতেও সাদা আসে!
একমত একমত একমত!
প্রথম পাতার দৈর্ঘ আরও বাড়ানো যেতে পারে। অন্যান্য খুটিনাটি দিকগুলোও মডিফাই করা যায়।
প্রথম পাতার দৈর্ঘ্য আরো বাড়ানো উচিত। অন্তত ২০টি পোস্ট না থাকলে মনে হয় লেখা খুব তাড়াতাড়ি প্রথম পাতা থেকে হারিয়ে যায়।
আমি মনে হয় অনেক লেখাই এখানে দেই না রিচ টেক্সট এডিটরের কার্যকারিতার অভাবে। রিচ টেক্সট এডিটর একটা আছে, কিন্তু এত্তো বাজে যে আউটপুট কবিতা হয়ে যায়। আমি ব্লগারে লেখি, সেখান থেকে কপি পেস্ট করার সুযোগ নাই। সুতরাং ফরম্যাটিং বেশি করা লেখাগুলো দেয়া হয় না কষ্ট করে।
ইদানিং যেই সমস্যাটা বিরক্ত করে, কোন পোস্টে ঢুকলেই মন্তব্যের বাক্সে ঢুকায় দেয়। আরে বাবা, পড়ার আগেই মন্তব্য করবো নাকি?!
থীমটা আমি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডেই দেখি, আমার ভালোই লাগে। পোস্টের ফন্ট সাইজ আরো বড় করলে আরো ভাল লাগবে, বাংলা ফন্টগুলো বড় করে দেখতে সুন্দর। থীমের যেটা ভাল লাগে না সেটা হল উপরের সবুজ দাগটা। কালো ব্যানারে সবুজ দাগ, লাল ব্যানারে সবুজ দাগ...কনট্রাস্টিং হয় না। ব্যানারের সাথে তাল মিলিয়ে সিএসএস পাল্টালে ভাল্লাগতো।
ইমোটিকনে তেমন সমস্যা হয় না, রিচ টেক্সটে গিয়ে ইয়াহু থেকেই কপি মারি, তবে সরাসরি দেয়ার ব্যবস্থা থাকলে সুবিধে হতো আর কি!
অ্যাজাক্স কমেন্টের ব্যাপারটা চতুরে দেখছি, ভাল লেগেছে। হলে ভাল, তবে পোস্ট লেখার বিষয়টা মানে রিচ টেক্সট এডিটরটা ঠিক করলেই আমি আপাতত খুশি
রিচ টেকস্ট এডিটরের তুলনা নেই; কিন্তু শুনেছি অনেকের কম্পিউটারে রিচ টেক্সট এডিটর দিলে সাইট স্লো হয়ে যায়। সম্ভবত এই কারণে রিট টেক্সট এডিটর দেওয়া হচ্ছে না।
...আমি স্ট্রংলি অ্যাজাক্স বেজড কমেন্টের পক্ষে।
আরেকটা সমস্যা বলতে ভুলে গেছি, নিউলাইন একটার বেশি মারা যায় না
আমার মাঝে মাঝে অনেকগুলা মারতে মন চায়। বড় লেখায় এরকম স্পেসিং না থাকলে লেখার পড়ার ধৈর্য্য থাকে না। এবিতে আমার লেখা পড়ার ধৈর্য্য কমে গেছে।
আমি আরো যোগ করি
১. ব্যাক্তিগত মেসেজ দেয়ার অপশন নাই
২. চ্যাটরুম নাই (অবশ্য থাকলেও কি লাভ হইতো কে জানে, আমি ঘুম থেকে ওঠে আসতে আসতে সব পেচ্ছাপেচ্ছি শেষ)
৩. মন্তব্য সম্পাদনা করার সুযোগ নেই
৪. সাপ্তাহিক জনপ্রিয় পোষ্ট আসে মন্তব্যের সংখ্যা ধরে যেটা আমার ধারনায় ঠিক না। ভালো লেখায় অনেকেই কমেন্ট হয়তো করেন না, সেগুলো কখনোই ডান পাশে আসে না। ঠিক বানিজ্যিক ফ্লিম আর আর্ট ফ্লিমের মতো ঘটনা
গরীবের মন্তব্য
আমারও ধারণা এটা ঠিক না । যে কোন পোস্ট 'আড্ডা' পোস্ট হয়ে ওঠলে সেটাই 'সাপ্তাহিক জনপ্রিয়' পোস্টে পরিণত হয় । এতে করে, ভালো অনেক লেখায় তথাকথিত 'জনপ্রিয়'তার কাছে ধরা খায় !
আজকাল বিভিন্ন পোষ্টে অতিথি নিকে অনেক চোখা বিদগ্ধ মন্তব্য আসে। এ চর্চাটাও ব্যক্তি আমার খুবই অপছন্দ। মিনিমাম নিজের নাম যে প্রকাশ করতে চান না, অন্যকে আক্রমনাত্বক মন্তব্য দেয়ার অধিকারও তার নাই।
অতিথি নিকে রেফারেন্সবিহীন মন্তব্য করতেও দেখা যায়। এই সব এর দিকে খেয়াল দেয়া দরকার
...কিন্তু তানবীরা আপা, ব্লগের একটি অন্যতম মজা তো এখানেই। আর আপত্তিকর মন্তব্য নিশ্চয়ই মডুরা ছাড়েন না!
আমি টেকি লোক না, তাই অতশত বুঝি না। গৌতমের পয়েন্টগুলো যুক্তিসঙ্গত মনে হলো বলে মডুদার কানে ঠেলা দিলাম।
তবে আমার সবচেয়ে বিরক্তি লাগে লাইন স্পেস আর প্যারা স্পেসের মধ্যকার দুরত্ব। দুটোর দুরত্বই সমান ফলে কোনটা প্যারা স্পেস আর কোনটা লাইন স্পেস বোঝার উপায় নেই। এইজন্য আমি ডটুদার আশ্রয় নিয়ে থাকি প্যারা ভাগ করতে গিয়ে। এই সমস্যার আশু সমাধান অতীব জরুরী।
আমাদের সবার সমস্যাগুলো কাছাকাছি। তবে প্যারার এই সমস্যাটা আগে চোখে পড়ে নি। আপনার মন্তব্য পড়েই প্রথম এটা সম্পর্কে জানলাম।
চমৎকার কিছু আলোচনা সমালোচনায় এবি ঋদ্ধ হোক... টেকি এবং ননটেকি সকলেরি মতামত কাম্য
আসলে সেটাই কাম্য। ইতোমধ্যে অনেক মতামত এসেছে। সেগুলো নিয়ে মডারেটর বা ডেভলপার কেউ কিছু বললে ভালো হয়।
গৌতম দারে ধন্যবাদ।
তাতাপু আর ভাঙ্গার সাথে একমত।
পোস্টটা স্টিকি করা হোক।সবাই সবার মতামত দিক।পরে এই নিয়ে আমাদের মডুবাবু একটা ভাষন দিক কবে নাগাদ আমাদের দাবী তিনি মানবেন।আর দাবী যদি না মানেন তাহলে তারে আমরা ব্যান করুম।
অনেক দিন তো হয়ে গেল! মডুর কোনো দেখা নেই।
সব হয়তো একদিনে করা সম্ভব না; কিন্তু মডু যদি কোনটা কোনটা করা সম্ভব, আর কোনটা সম্ভব না কিছু একটা বলতেন, তাহলে ভালো লাগত!
এত এত কতা কৈলেন, মাগার আমারে লৈয়া কোনো কতা নাই...

পিকনিকে আসেন, তারপর বুঝবেন, খানা কারে কয় ???
খানা কিন্তু বেশ উপাদেয় হৈসে। থ্যাংকু।
পোস্ট টা স্টিকি হলো বলে আলোচনার সুযোগ বাড়লো। আমি তুলনামুলকভাবে অন্যদনের চে' আজকে ব্লগটা বেশি সাদা দেখছি, যার ফলে লেখাগুলো অনুজ্জ্বল দেখাচ্ছে, সাদার ভেতর সবুজ রঙটাও হালকা লাগছে।
লীনাপু, গৌতম হলো "ইষ্টার কাবাব" থুক্কু "ইষ্টার ব্লগার", পোষ্ট লিখলেই স্টিকি।
এইটা বোধহয় আমার লেখা দ্বিতীয় পোস্ট যেটা আঠালো হইল। আপনাগো মতোন ইস্টার হৈতাম চাই।
কিন্তু এটা নাকি মনের সমস্যা?
সহজ কথা সহজ ভাবে না নেয়াটাই মনের সমস্যা
আচ্ছা, আমি ইমোটিকন প্যানেল থেকে কোন আইকন সিলেক্ট করলে তা তা আসে না। তাই টাইপ করে ইমোটিকন দিতে হচ্ছে। এটা কী সবার সাথে হচ্ছে নাকি আমার নেট স্পিড সমস্যা?
আইরিন, আমারও এইরাম হয়।
আমারও বাসাতে এই সমস্যা হয়। বাসায় ফায়ারফক্স ব্যবহার করি।
কিন্তু অফিসে এই সমস্যা হয় না। সেখানে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করি।
একমত। উন্নয়নকর্মী কৈ?
মডুর বাংলা নামটা সোন্দর হৈসে।
তানবীরা, আপনার এই মন্তব্যের সংগে আমি সম্পুর্ণ একমত। ব্যাপক পেচ্চা-পেচ্চির ফলে অনেকের পোস্টে মন্তব্যের সংখ্যা এতো বেড়ে যায় যে, সেই পোস্ট'র জনপ্রিয় পোস্ট হওয়াটা ঠ্যাকায় কে ! তাই কোন পোস্টে একজন ব্লগার যদি একাধিক মন্তব্য করে, তবে তার একটি মন্তব্যই কাউন্ট করা উচিত। মন্তব্যের সংখ্যা দিয়ে নয়, মন্তব্য প্রদানকারীর সংখ্যা দিয়ে অথবা পাঠক সংখ্যা বিবেচনা করে সাপ্তাহিক জনপ্রিয় পোস্ট নির্বাচন করা হোক। আর পরিচয় না দিয়ে অতিথিদের মন্তব্য করার সুযোগ বন্ধ করা হোক।
আমি অবশ্য ঠিক এভাবে ব্যাপারটা বুঝাইনি ঈশান। মন্তব্য আসুক, পেচ্ছা - পেচ্ছি হোক।
কিন্তুঃ
আমিও যেসব ব্লগে নিয়মিত নই, সেখানে গেলে আমিও যে পোষ্টে হিট বেশি বা যে পোষ্ট বেশি রেটিং পায় সেটিতে আগে ক্লিক করি। আমার ধারনা অন্যদের বেলায়ও ব্যাপারটা তাই। যারা এ ব্লগে নিয়মিত নন, তারা এসে যেনো চিন্তা ভাবনামূলক পোষ্টগুলোর হদিস পান, সেজন্যই সাপ্তাহিক জনপ্রিয় পোষ্টের ধারাটির পরিবর্তন আসা হয়তো উচিত। টুটুল ভাই, মাসুম ভাই শেয়ারের ওপর ভালো ভালো লেখা দিলেন, সেগুলো অনেকেরই জানা দরকার। সেই ভাবনা থেকেই আমার উপরোক্ত মন্তব্য।
হিটের ভিত্তিতে 'সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্ট'; মন্তব্যের ভিত্তিতে 'সর্বাধিক আলোচিত পোস্ট' ইত্যাদি নানা ধরনের অপশন থাকতে পারে।
* 'আমার ব্লগ'-এর মত একবার ক্লিক করে 'আমার মন্তব্য' পাওয়া গেলে সুবিধা হয় ।
* 'বিস্তারিত' পড়বার আগেই মন্তব্য কলাম আসে । এটা বিরক্তিকর ।
* 'নতুন মন্তব্য' ক্লিক করলে নতুন মন্তব্যই তো আসা বাঞ্ছনীয় ।
* প্রয়োজনে ফন্টের আকার ছোট-বড় করার সুবিধা থাকা দরকার ।
পাদটীকা বা অফটপিক দেবার সময় তা কাজে লাগতো ।
সব কয়টি পয়েন্টই গুরুত্বপূর্ণ।
বেশিক্ষণ থাকতে চাইলে কয়েকবার লগইন করতে হয়- এইটাও কওনের দরকার ছিলো।
কিন্তু আপচুচ! কইলেন্নাহ!
এই সমস্যাটা অবশ্য আমার হয় নি।
আমি ফাকতালে আমার সমস্যা গুলো বলে যাই --
১। ষ্টিকিপোস্টের কোন মার্কার নাই -- সুতরাং চারপাচদিন ধরে এক পোস্ট ঝুলতে দেখে কনফু
খাওয়ার একটা ভালো চান্স আছে।
২। আমার কম্পুটারে হাইবারনেট করা থাকে - অথবা ফায়ারফক্সে সেভ করে পরের বার ওপেন করলে এবি রিফ্রেশ হয় না ।
মানে আগের পেজেই আটকে থাকে । এটা ল্যাপটপে বা অন্যান্য কম্পুতেও দেখেছি।
ক্যাশ সিষ্টেমের সেটিং এর কোন ঘাপলা হতে পারে।
৩। থিমটা বড়ই সাদামাটা - আরো অনেক ভালো থিম আছে - সেগুলো ট্রাই করা যেতে পারে।
৪। মাঝে মাঝে রং পাল্টালে নতুন নতুন লাগে সবকিছু -- ব্লগাররা চাঙ্গাবোধ করে।
আমার সমস্যা গুলো মনে হয় পাঠক হওয়া সংক্রান্ত -- রেজিষ্টার্ড ব্লগার ছাড়া অনেকেই পড়েন ব্লগ
তাদের কথা মাথায় রাখা উচিত।
মানুষের কথা শুনে যা বুঝলাম - টাইনিএমসিই বাদ দিয়ে দেয়া উচিত - নিজেরা ভালো এডিটর তৈরী করে নেয়া যায় - টেক্সটএরিয়াতে প্রোগ্রামিং করে।
সবাইকে শুভেচ্ছা ।
দুই নম্বর সমস্যাটা আমিও প্রায়ই ফেস করি। তিন ও চার নম্বরটার সাথে একমত।
...আর কিছু বলার নেই?
মানুষ এর কেবল ই চাহিদা আর চাহিদা
মানুষ খুব খ্রাপ।
আমরা বন্ধু'কে আরো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে! অনেক কিছুতেই পিছিয়ে আছে! হা হা.।। থাক বন্ধুর দোষ আবার কি ধরুম, যেম্নে আছে তেম্নে থাক।
(আবার আমারে ব্যান করে দিব না তো?)
বন্ধুর দোষ ধরতে হয় বন্ধুকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তাতে বন্ধু মাইন্ড করে না। ব্যান তো অনেক দূরের কথা!
অন্য সাইটগুলির মত ইউটিউব ভিডিও দেয়া যায় না ।
মানিক ভাই, কোথায় হারিয়ে যান। আজকাল আর আপনার লিখা পাচ্ছি না কেন।
ইউটিউবের কথা অবশ্য মাথায় ছিল না। আপনি বলায় মনে পড়লো।
'আমরা বন্ধু'র সব বন্ধুর তালিকা সকলের নিকট দৃশ্যমান করার ব্যবস্থা করা যায় কি ? সে তালিকায় কি কি তথ্য থাকবে তা আলোচনা সাপেক্ষ । তবে অবস্থান, কর্মক্ষেত্র, ব্লগে যোগদানের তারিখ, পোস্টসমূহের নাম ইত্যাদি থাকতে পারে ।
এটা অবশ্য একটা ভালো প্রস্তাব। তবে ইন্টারনেটের মতো উন্মুক্ত জায়গায় অনেকে অবশ্য অবস্থান বা কর্মক্ষেত্রে ধরনের তথ্য প্রকাশ করতে চান না। সেক্ষেত্রে যে ধরনের তথ্য প্রকাশ করলে কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা না (যেমন- ব্লগে যোগদানের তারিখ ইত্যাদি) সেরকম বেশ কিছু আইডিয়া বাছাই করে তা প্রকাশ করার একটা উপায় বের করা যেতে পারে।
সবার সাথে একমত।
বাসুদ!
আঠাঁ খুলার আগে মডু ভাইয়ার উত্তর জানা দরকার ছিলো।
৬৫ নং মন্তব্যের সাথে আরও কিছুঃ
১. 'আমরা বন্ধু'র রেজিস্টার্ড বন্ধুর সংখ্যা,
২. তাদের এ ব্লগে অবস্থানকাল,
৩.দীর্ঘদিন (ধরুন ৩ মাস) কোন পোস্ট বা কমেন্ট না দেওয়া বন্ধুদের সংখ্যা (নাম দিতে পারলে আরও ভাল হয়),
৪. বিতাড়িত বন্ধুদের সংখ্যা নাম (সম্ভব হলে কারণ)সহ
এই পোস্টে অনেকগুলো মন্তব্য এসেছে। সবকিছু হয়তো এখনি করা সম্ভব হবে না, তবে বেশ কিছু ফিচার সত্যিই আপগ্রেড করা দরকার। এ ব্যাপারে ডেভলপারদের বক্তব্য আশা করি।
মন্তব্য করুন