প্রশ্ন গুলো সহজ আর উত্তরওতো জানা
সবাই দেখি বই মেলা নিয়া লিখে। বইমেলা আমার জন্যও একটা বিশেষ উপলক্ষ্য বই মেলা। চিটাগাং এ থাকতে ভাবতাম কবে টিভি বাদ দিয়ে কিউট চ্যানেলআই বই মেলা প্রতিদিন অনুষ্ঠানটা মেলায় গিয়ে দেখতে পারবো। ঢাকা এসে মুলত স্বপ্নভঙ্গের শুরু। যারা বই মেলার স্টার তারা দেখি আমার চেয়েও সহজলভ্য। তাদের একটা জবর জং বই কিনে পাশে দাঁড়ালেই দুনিয়ার আলাপ শুরু করে দেয়। যাই হোক বই মেলা নিয়া স্মৃতিচারন করার অনেক সময় পাবো। আজকে সময় নাই।
গত দুই-তিন দিন যাবত শরীর মন ভালো না। শরীর ভালো না থাকলেই আমার মাথায় খালি মরন চিন্তা ঘুরপাক খায়। যেমন দুই মাস আগে আমি মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিং এর এক রাস্তায় শাহরুখ খান আর প্রিয়াংকার গসিপ নিয়ে ভাবতে ভাবতে যাচ্ছিলাম এমন সময় এক আন্ডার কনস্ট্রাকশন ছালা বিহীন বিল্ডিং থেকে ২ সেকেন্ডের ব্যাবধানে তিন চারটা প্লেন সীট নেমে হাজির হলো। নিশ্চিত মরনের হাত থেকে বাচলাম মাত্র দুই সেকেন্ডের জন্য। অথচ আমার কোন দোষ বা ভাগ্য কোনো কিছুই জড়িত ছিলো না তখন। মরে যাবার সাথে সাথেই কিসের ক্যারিয়ার কিসের উন্নত জীবন যাপন কিসের আড্ডাবাজি কিসের স্বদেশ ভাবনা সব এক নিমিষেই মিলিয়ে যেত। তবে আমার ভার্সিটিতে একটা ব্যানার ঝুলতো মেধাবী ট্যাগে ভুষিত হতাম। আমি বুঝি না মরার পরেই কেন আপামর ছাত্র সমাজ মেধাবী রুপে ভুষিত হয় তা আজো বুঝলাম না। নাকি বেচে থাকতে তার মেধার উৎকর্ষতা টের পাওয়া যায় না।
এই সব মরন বিষয়ক প্যাচাল এমনিতে পারলাম। এইখানে তো আমি আমলে নাজাত লিখতে বসি নাই। কিন্তু এই বাংলাদেশে ভয়াবহ অনিশ্চিত জীবনে প্রতিটা দিনই এই ভাবনা মানুষের মনে তাড়িত করার কথা। কিন্তু এই দেশের মানুষরাও দিনে দিনে খাটাশে পরিনত হয়তেছে। আমার এক দুস্পর্কের বান্ধবী( মানে বন্ধুর বন্ধু)
প্রেম করে বিয়ে করছে কিন্তু ছেলে সুশীল সমাজের লোক তাই সে অন্য মেয়েদেরকে নিয়ে এমনকি কাজের বুয়াকেও ছাড়ে না রং রসের হাত থেকে। এদিকে বান্ধবীর অনাগত সন্তান নিয়ে জটিলতা। সে রাগে ক্ষোভে আশ্রয় নিছে তার ভাইয়ের কাছে তার ভাইটাও বেকার টাকা পয়সার টানাটানি। কি জঘন্য পরিস্থিতি! এরকম অসংখ্য ভদ্র চেহারার খাটাশদের আমি চিনি তাদের ঘটনা আমি জানি।এই চরম অনিশ্চিত জীবনের ঢাকা শহরে যেখানে সড়ক দুর্ঘটনায় মরার এলজিয়ারডি মন্ত্রী বলবে "এ্যাকসিডেন্ট ইজ এ্যাকসিডেন্ট"। সেখানে এই সব মন্ত্রী বা যাবতীয় খাটাশরা কেনো মরে না তা ভেবে পাই না। তখন বুঝতো মর্ম। এই সামান্য জীবনে প্রিয়জনদের বিশ্বাস হারানো সাথে সাথে অভিশাপ কুড়ানোর কোনো মানে নাই!





কিছুই করার নাই। কারন তুমি একা কিছুই করতে পারবা না। এখন জীবনের নিয়মটাই এমন হয়ে গেছে । যুদ্ধ করে থাকা লাগে নাইলে অন্যের মিথ্যা চাপের নিচে মিন মিন করে জীবন কাটিয়ে দিতে হয়। প্রতিটা ঘটনার পিছনে ঘটনা থাকে আর সব ঘটনা সবার জানা থাকে না কেউ খুজতেও যায় না শুধু চোখে পড়ার মত ঘটনা গুলোই সবার মস্তিস্কে গেথে থাকে। তবে এতো কিছুর ভিড়েও নতুন করে বাচতে ইচ্ছা করে নতুন স্বপ্ন নিয়ে।
লেখা ভালো লেগেছে। ভালো থাইক্কো।
তোমারে থ্যান্কু জুনাক।তুমি শত বছর বেচে থাকো আর দেশে এসে পার্টি দাও বেশি বেশি!
খাটাশে ভরে গেছে দুনিয়া। এখন ভালো হয়ে বেঁচে থাকাটা অনেক কষ্টকর।
তবুও বেচে থাকতেই হয় নিজের জন্যে অন্যের জন্য।
ছুটোকালে খাটাশ শব্দটা শুনে ভাবতাম টক ধরনের কোন খাবার। এখনও শব্দটা শুনলে ঐ একি রকম মনে হয়। টক টক কিছু।
ভালোইতো।টক জিনিষ খায়া মজা পাই না।
আজব দুনিয়ায় আমাদের বসবাস। সবাবধানে থেকো। খাটাশ হওয়া থেকে দূরে থেকো সবসময়।
আপনার জন্যেও শুভকামনা।
সাবধানে থাইকো শান্ত। আল্লাহ ভরসা।
দোয়া কইরেন আপু।আপনেও ভালো থাকেন টেনশন ফ্রি!
দুনিয়াটাই খাটাশে ভইরা গেছেগা, আমরা নিজেরাও মনে হয় খাটাশ।
হ রে ভাই কিন্তু আমরা অরিজিনাল খাটাশ হতে মেলা দুরে আছি।আপনার কি অবস্থা?দেখি টেখি না।
কাজে-কামে এট্টু ব্যস্ত আছি। তোমার দিনকাল কিরাম যায়?
খাচ্ছি দাচ্ছি ঘুমাচ্ছি বাপের হোটেলের বিল শুধু বাড়াচ্ছি এই ভাবেই দিন কাটাচ্ছি!
খাটাশগুলা থেকে দূরে থাকো, নিজেরে টাইম দেও। সাবধানে থাকো আর ভালো থাকো।
যেহেতু সারাদিন বাইরে বাইরেই থাকি তাই এই সব গপ্প এই সব মানুষের সাথে দেখা চলাফেরা হয়।তবে সব কিছুর মধ্যেও নিজেকে আলাদাভাবে লুকাতে পারি।
ভালো থাকেন আপু।জানি ভালো থাকার কিছু নাই তবুও একটু ভালো ভাবে কাটুক সামনের দিনগুলো!
অনেক বিষাদ ভরা লেখা!
মরণ চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দেন ভাই।
আপনার বন্ধুর বন্ধুটির জন্যও খারাপ লাগছে।
ভালো থাকুন যেকোনোভাবে! শুধু ভালো থাকুন
মরন নিয়া ভাবনা না ভাবতে চাইলেও আমার এসে পড়ে।ভালো থাকেন আপনিও!
এতো সত্যি কথা লেখা অনেকদিন পড়া হয় নাই
ভালো থেকো
ধন্যবাদ আপু।আপনিও ভালো থাকবেন!
আমার তো নিজেরেই সবচে' বড় খাটাশ মনে হয়।
তবুও অরিজিনাল খাটাশ থেকে আপনি ম্যালা দূরে আছেন!
আগে নিয়মিত পেপার পড়ার অভ্যাস ছিল। এখন আর পড়ি না। এইসব বদ মানুষজনের অসভ্য কথাবার্তা অসহ্য
সারাদিন এই একটা কাজই মন দিয়া করি তা হলো পেপার পড়া!
মন্তব্য করুন