বাড়ী ও বন্ধু
এর আগে কেউ মোবাইলের বাংলা কি প্যাড দিয়ে পোষ্ট লিখছে কিনা তা আমার জানা নাই। তবে এই অন্ধকারে কারেন্টহীন অবস্থায় ভাবলাম আকাশে মেঘের গর্জনে এই অল্প চার্জ দিয়ে একটা পোষ্ট লিখলে মন্দ হতো না। লেখা যায় অনেক কিছুই। অনেক ভাবনাই মাথায় আসে কিন্তূ তা আর লেখা হয় না সময় সুয়োগের অভাবে। যেমন বলা যায় জামালপুরে আছি গত চারদিন যাবত এর ভিতরে একদিন ছিলাম এক মামার বিয়ের কারনে গেলাম রাজশাহীতে। কত কিছুই ঘটে গেলো। রাজশাহীতে যেয়ে মোবাইলের কারনেই ১২ বছর পরে এক স্কুল ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করলাম। দেখলাম সে অনেক ম্যাচিউরড আমি নিতান্তই ছোট মানুষ সেই তুলনায় । তার বাবা মারা গেছে, বোনের বিয়ে হয়েছে, তার বড় তিনভাই সবাই বিয়ে করে আলাদা, বন্ধুদের কারনে একটা দুই নম্বর মামলা খেয়ে রাজশাহীর যত বড় নেতা খেতা আছে সবাইকে সে চিনে ভালো খাতির। ইতিহাসে মাশ্টার্স করছে রাবি থেকে এখন পুলিশের সার্কুলার আর বিসিএস দেয়ার জন্য বসে আছে। লোকজন আছে চাকরী পাওয়া খালি সময়ের ব্যাপার। তারসাথে কথা বলে দেখলাম আমি এখনো ছোটো, বয়স হইছে কিন্তু কিছুই করি না। অথচ খুলনা নেভি স্কূলের যখন পড়তাম তখন দুজনে একিই চিন্তার ছিলাম। স্কূলের পোলাপাইন পড়াশুনা নিয়ে খুব বিজি কিন্তূ আমাদের এইটা নিয়ে কোনো টেনশনই নাই। আমরা নেভি কলোনীতে পোলাপান না পেয়ে আমরা বাইরে বাস্তোহারা কলোনীর পোলাপানের সাথে মিশতাম। সারাদিন বাইরে বাইরে। লোকজন বলতো তোমাদের পড়াশুনা নাই তখন আরিফ বলতো পাশতো চল্লিশেই এমনিতেই তা হবে। এরপর আমি চলে গেলাম বাবার বদলীর কারনে চিটাগাং। ও এসএসসি দিলো খুলনা থেকে আর আমি চিটাগাং থেকে। আমি কলেজে ছিলাম চিটাগাংয়েই আর ও চলে গেলো বাবার চাকরী শেষ হবার কারনে রাজশাহী। এই লম্বা সময়জুরে ওর সাথে আমার যোগাযোগ নাই। আমি ২০০৯ সালে দুবার গেছিলাম রাজশাহী। ৯দিন থেকে গরু খোজা খুজছিলাম আরিফকে কিন্তু পাইনাই। ২০১০ সালে খুলনার এক ছেলে যোগার করে দেয় ওর নাম্বার। দুদিন কথা বলার পরেই দেখি নাম্বার অফ। অনেক বার ফোন দিয়েও যখন গত ১ বছর নাম্বার পেলাম না তখন ওর ভাইদের নাম্বার খুজতে থাকলাম। ফেসবুকে হাজার হাজায় আতিকের মাঝখানে খুজে পেলাম ১ দিন। দেখি ইনফো খোলা সেখান থেকেই নাম্বারটা নিয়ে ওর ভাইরে ফোন দেই। উনিও ধরে না ফোন। গত সপ্তাহের এক দুপুরে উনারে পাওয়া গেলো। বাস কথা বারতা বলেই আরিফের সিটিসেল নাম্বার সাথে আন্টির নাম্বার সব নিলাম। তারপরেই হলো যোগাযোগ শুক্রবারেই হলো দেখা। আমি আরেক স্কুল বন্ধুকে খুজতেছি নাম তার শুভাশিষ। কেউ কোনো খোজ জানে না তার। একদিন হয়তো ঠাস করেই খবর পাবো দেখা হবে তারপরে। দেরী হলেই ভালো আবেগটা জমা থাকে অনেক দিন। জামালপুর ভালো লাগে না। বন্ধু বান্ধব নাই. এখন বন্ধু বান্ধব করার মতো বয়সও নাই। স্টেশনে যাই পত্রিকার দোকানে ছেলেটা আমারে খুব ভালো পায়। তার সাথে গপসপ করি হালকা। আম্মু খুব আদর করে বাড়ী আসলে। আব্বু আগেরমতোই বকাঝকা করে এমনিতেই। ভালোই লাগে এইসব। খালি একটাই দুঃখ ইস সমমনা যদি একটা বন্ধু থাকতো। আমার চাচতো ভাই বোনেরা ছোটো ছোটো তারা জি বাংলা স্টার জলসা নিয়েই ব্যাস্ত। এইসব বাদ দিলে দারুন আছি। কারেন্ট নাই এই পাচ ঘন্টা ধরে। আরো লিখতাম কিন্তু একটুও চার্জ নাই। কি আর করার!





তাজ্জব হলাম মোবাইল দিয়া এতকিছু লিখতে পারলা।আমি তো এক লাইন লেখতে পারি না।
এই গরমে এতক্ষণ কারেন্ট নাই মানে দোজখে বসবাস। এই দোজখেই তো আছি আমরা। তবু আমাদের কিছুই করার নাই।
ভাল্লাগসে ব্রাদার। দারুণ ভাল্লাগসে।
পুরান বন্ধুদের অনেকেরেই খুঁজি। কাউরে পাই, কাউরে পাই না। বহুদিন ধরে খুঁজতেসি আরাফাত নামের এক বন্ধুরে। অনেক কুট্টিকালের বন্ধু আছিলো। চিটাগাং-এ থাকতো। সিডিএ-১০ নম্বর রোড। ওর বাবা ছিলো জাহাজের ক্যপ্টেন। আমি চিটাগাং থাকতে থাকতেই ওরা ঢাকায় চলে আসে। ফার্মগেটের আল-রাজী হাসপাতালের পিছনে বাসা নেয়। কিন্তু যোগাযোগ হয় নাই আর কোনোদিন
আপনের লেখাটা পড়ে ওই বন্ধুটার কথা মনে পড়ে গেলো। আমরা একসঙ্গে খেলতাম। অনেক রকম খেলা। তখন আমরা এত ছোট যে, অনেক রকম আজগুবি খেলা খুব আগ্রহ নিয়ে খেলার সুযোগ ছিলো। জীবনে এমন সুযোগ কয়বার পাওয়া যায় বলেন?
পুরানো বন্ধুদের আমি খুব একটা খুঁজি না
স্মৃতি তুমি বদনা.....

বন্ধুর নতুন পুরাতন নেই। বন্ধু বন্ধুই। সমমনা কাউকে পাওয়া হলোই আসল
আমি এখনো পর্যন্ত ৩টা পোস্ট দিছি ডাইরেক মুফাইল থিকা,
আর ২ টা পোস্টাইতে গিয়া হারাইয়া গেছে!
মোবাইলে এতো কিছু লিখলেন ক্যাম্নে? আশ্চর্য!
আমিও আমার এক বন্ধুকে খুঁজছি বহুদিন ধরে।
সর্বশেষ জানতাম ও শ্যামলীর রিং রোডে থাকে। সেটা ২০০১ সালের কথা।
তারপর আর দেখা/ যোগাযোগ নেই তার সাথে।
ও আমার বন্ধু, বোন...।
ওর নাম তনু। বরের নাম রানা... সূত্র শুধু এটুকুনই।
ফেসবুকে বিভিন্নভাবে সার্চ দিয়েও পাইনি তনুকে...
মেয়েটা কোথায় জানি হারিয়ে গেলো।
শান্ত'র এই লিখা পড়ে আজ আবার তাকে মনে পড়লো...
সব্বাইকে ধন্যবাদ। এই পোষ্টের মাধ্যমেই মোবাইলে পোষ্ট লেখার সাহসটা পাইছি!
মন্তব্য করুন