হ্যাপী বার্থডে জেবীন আপু!
মন মেজাজ শরীর সব খারাপ। অবষাদ আর ক্লান্তিতে বসে আছি চায়ের দোকানে। বাসায় তো আর গীজার নাই তাই ঠান্ডা পানিতে গোসল করতে এতো রাতে মন চায় না। এরকম জঘন্য দিন আমার খুব কম আসছে যে একদিনে তিনটা পরীক্ষা। পারি না পড়ি নাই কিছুই তাও দিয়ে আসলাম। একেকটা পরীক্ষায় কি লিখবো তা ভাবতে ভাবতেই সময় গেছে। শুধু ভার্সিটির সেমিষ্টার ফাইনালটাই একটু জাতের হইছে ক্লাস করছিলাম বলে। অথচ বিসিএস নিয়ে পোলাপানের যে সিরিয়াসনেস তা ম্যাট্রিক পরীক্ষার নার্ভাসনেসের কাছেও হার মেনে যায়। আমি কিছুই করিনা হাড়কাপানো শীতে রিকশা দিয়ে যাই যেয়ে বসে পোলাপানের ক্রিকেট খেলা দেখি মাঠে। সবার পরে হলে ঢুকি আর চেষ্টা করি সবার আগে খাতা জমা দেয়ার। কি লিখলাম তা নিয়ে ভাবি না প্রশ্ন মিলাই না ছিড়ে ফেলে দেই। আমার পাশে যে বসা তৌহিদ ভাই তার ধারনা আমি হিমু রাশির লোক তাই সিরিয়াস না এসব নিয়ে। আসলে আমার বাংলা লেখা সহজে আসে না। পিসিতে বা মোবাইলে লিখতে দিলে দিস্তায় দিস্তায় পেজ লিখতাম কিন্তু খাতায় কলম চলে না। এ এক বিপদ। আর বিসিএসে প্রতিটা প্রশ্ন অংক বাদে প্রচুর তথ্য জানতে হয়। আগে মাথায় প্রচুর তথ্য রাখতে পারতাম এখন কিছুই মনে থাকে না। মাথায় খালি ফেসবুক চায়ের দোকান আর আড্ডা। যাই হোক এতো জঘন্য দিন শেষে না খাওয়া না ড্রেস চেন্জ চায়ের দোকানে বসে দেখলাম জেবীন আপুর জন্মদিন নিয়ে কোনো পোষ্ট। কাল শরীর খারাপ ছিলো আর সময় পাই নি তাই দেই নি কেউ দেখি লিখে নাই। কী আজব। জেবীন আপু একজন দারুন মানুষ তা আর কতো বার বলবো। নতুন করে বলার কিছু নাই। ফেসবুকের চ্যাটে বা মোবাইলে যে যত্ সামান্য কথা হয় তাতেই বুঝে নেই আন্তরিকতার রেশ। আমাকে তিনি অনেক পরামর্শ দেন কিছুই শুনি না। অনেক আশা আমারে নিয়ে তার কিছুই করতে পারি নাই। খুব মন খারাপ থাকে এ নিয়ে। যাই হোক একদিন নিশ্চই কিছু করবো সেই দিন বলবো আপু আমি পারছি। দেরীতে হলেও শুভেচ্ছা। অনেক অনেক ভালো থাকেন। আপনাকে অন্তর থেকে ভালো পাই। আর অনেক কথাই বলা যেতো কিন্তু চায়ের দোকানে মশার কামড়ে বেশি কথা বলা গেলো না মোবাইল দিয়ে লিখে।





শুভ জন্মদিন, আপুনি।
আনন্দময় হোক পথচলা।
শুভ জন্মদিন।
আনন্দে কাটুক প্রতিটি দিন, প্রতিটি ক্ষণ!
জেবীন আপুকে (মহামতি জেবীন) জন্মদিনের অসংখ্য অঢেল শুভেচ্ছা
েহপি বার্থডে জেবীন আপু। অনেক অনেক হেপি রিটার্নস্ অব দি ডে
হ্যাপি জন্মদিন জেবীন।
আমাদের ছোটবেলায় যখন গীজার কি জিনিস জানতাম না, তখন ডেকচিতে গরম পানি করে, সেটা বালতিতে মিশিয়ে গোসল করার রেওয়াজ ছিল
সারা বাসা ভরতি বাতের রোগী না থাকলে হয়তো এখনো গীজার থাকতো না
(
জেবীন কৈ?
অনেক অনেক হ্যাপি বাড্ডে
শুভ জন্মদিন জেবীন।
মন্তব্য করুন