নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ আট!
আবার লিখতে বসলাম সকাল সকাল। রাত তিনটার দিকে ঘুমিয়ে আট টায় উঠলে শরীরটা একটু ম্যাজম্যাজ করে। তার ভেতরে সকাল নাস্তা করা হয় না। তাই কেমন কেমন জানি লাগে। বাবা মায়ের সাথে যখন ছিলাম তখন কোনোকালেই নাস্তা জিনিসটা আমার এতো আরাধ্য ছিলো না। ঘুম থেকে উঠতাম দেখি আম্মু নাস্তা বানিয়ে রেডি তাই অল্প খেতাম। কিন্তু এখন ঘুম থেকে উঠি দেরীতে, নাস্তা প্রাপ্তির কোনো সম্ভাবনা নাই তাই চা বিস্কুটই ভরসা। ইহাই উত্তম নাস্তা। তবে আজ বিস্কুটও নাই খালি চা। আর ওদিকে বাকীর চায়ের দোকান তো উঠে গেছে। তাই সকাল সকাল বের হতেও ইচ্ছা করে না।
কিন্তু সব কিছুর ভেতরে আমার শাহবাগ যাওয়া চলছেই প্রতিদিন। টাকা পয়সা দেদারসে চলে যাচ্ছে আর তার সাথে যাচ্ছে পড়াশুনার সময়। তাও যাচ্ছি রিক্সা ভাড়া দিতে দিতে ফতুর। আমি লোকজন সাথে নিয়ে যাই যেনো রিক্সা ভাড়া কমে। উলটা লোকজনের রিক্সা ভাড়া আমাকে দিতে হয় আজকাল। কি আর করা। প্রতিদিন যাই স্লোগান শুনি তারপর হাটে চায়ের দোকানে বসে থাকি। আবার বের হয়ে স্লোগান শুনে হাটা দেই কাটাবনের দিকে রিক্সার খোজে। মানুষজন অনেক কমছে। আগ্রহে ভাটা পড়ছে। গোল হয়ে স্লোগান দেয়ার সংখ্যা অনেক কমে গেছে। বাজে সাউন্ড সিস্টেমের আওয়াজে কান ঝালাপালা। হিন্দী গানের সুরে রাজাকার বিরোধী গান শুনতে শুনতে কান পচে গেছে। খালি তিরন্দাজ শিল্পী গোস্টী হাল ছাড়ে নাই তারা এখনো নাচ গানে মুখরিত রাখছে। চারুকলার ওদিকে একটা মঞ্চ রাখছে সেখানে শিল্পীরা দেশের গান গায় আর জনপ্রিয় পল্লী গীতির সুরে রাজাকার বিরোধী গান গায়। এই সব প্যারোডী গান আমার ভালো লাগে না। কারন এই ধরনের সস্তা প্রচারনা পছন্দ না কেনো জানি। চায়ের দোকানের সার্কেল নিয়ে বসি। তাতে অন্য বিষয় নিয়ে অনেক আড্ডা হয়। নানান লোকজনের মুখে কথা শুনি। ইয়াং জেনারেশন যারা কিছুদিন আগেও স্লোগান দিয়ে গলা ব্যাথা করছে তাদের মুখে শুনি আন্দোলন নাকি পচানব্বই ভাগ পলিটিক্যাল হয়ে গেছে। তাদের এ কথা শুনে আমি বুঝানোর চেষ্টা করি আন্দোলন তো পলিটিক্যাল ই। আমরা একটা পলিটিক্যাল দলের নেতাদের বিরুদ্ধে বিচারের আশায় নামছি। আমরা দাবী করছি ফাসীর। পুরো ব্যাপারটাই রাজনীতির। তাই এখানে আওয়ামী প্রভাব থাকবে তাই তো নরমাল। তাও পোলাপান বুঝে না। বলে ভাই এই মন্ত্রী নেতারা যখন সংহতি জানায় তখন সেইটা কিভাবে জনগনের আন্দোলন থাকে? এই নিয়ে তর্ক চলে শেষে পোলাপানকে বুঝাই আন্দোলোনে মাঠে থাকার গুরুত্ব। হয়তো ওতো ভালো বলতে পারি না বুঝাতে কিন্তু দায় মুক্ত হই।
এতো অপপ্রচার চলতেছে আন্দোলন নিয়ে যা ভাবাই কষ্ট। আমারদেশ পত্রিকায় যেভাবে রাজীবের সাথে আন্দোলনকে মিলিয়ে জঘন্য মিথ্যাচার ও বানোয়াট গল্প চলছে তাতে অনেক লোকজন বিভ্রান্ত হচ্ছে। আমার দুই বন্ধু যারা চিটাগাং প্রেস ক্লাবের আন্দোলনে নিয়মিত যায় তারা পর্যন্ত বাম নাস্তিক নিয়ে প্রশ্ন করে? আন্দোলনে খানা দানা টাকা পয়সা আওয়ামীলীগ দেয় নাকি তা নিয়েও প্রশ্ন। আমি অবাক হই এই প্রোপাগান্ডার সফলতা দেখে। একদিকে আওয়ামীলীগ এই আন্দোলন নিজেদের পকেটে ভরে কাজে লাগাতে মরিয়া আরেকদিক কে খাবার দেয়? নাস্তিক আস্তিক বাম বিতর্ক? ছাত্রলীগের দখলে নাকি তাও নিয়ে সন্দেহ। সব মিলিয়ে বলা যায় আন্দোলনটা একটু স্তিমিত ভাবে পড়ে গেলো। তার ভেতরে বেলুন চিঠি কর্মসুচী। ছোটোবেলায় শাবানা আলমগীরের এক ছবির কথা মনে পড়লো। সড়ক দুর্ঘটনায় শাবানা মারা গেছে এমন খবর পেয়ে আলমগীর আর তার সন্তান দিশেহারা। তার সন্তান মাসুম বাচ্চা আনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে পায় যে মানুষ মরে গেলে আকাশে চলে যায়। আকাশে বেলুন পাঠায়া আলমগীরের সন্তান চিঠি পাঠায়। বেলুন ভাসতে ভাসতে চলে যায় আরেক শাবানার কাছে যার এখনো বিয়ে হয় নি। আন্দোলন কারীরা মনে হয় লাখও লাখও শহীদদের কাছে চিঠি পাঠাবে বেলুন সহ। বেলুন উড়তে উড়তে কাদের সিদ্দিকীদের কাছে চলে যাবে। যেনো তারা ঠিক লাইনে আসে। ভালো আইডিয়া। কিন্তু আইডিয়াটা আমার একদম পছন্দ না। তাও আমি হতাশ না। কারন অহিংস আর কোনো আইডিয়া তো বাদ নাই। সবই আমরা করতেছি। তবে আমার মনে হয় আল্টিমেটাম দিয়ে কিছুদিন স্থগিত রাখা ভালো। দেখি সরকার কি করে? তারপর আবার পুনঃ উদ্যমে মাঠে নামা। তবে এই আল্টিমেটামের সমস্যা হলো একবার ইসু হারায় ফেললে পরে আর মাঠ দখল নাও পাওয়া যেতে পারে। দেখা যাক কী হয়। কোন পথে যাক আন্দোলন তা লোকজন ঠিক করবে আমার কী তাতে?
তারিকুল ইসলাম শান্ত মারা গেলো। ভদ্রলোককে আমি বিচ্ছুতে কার্টুন আকতে দেখতাম। তারপর নাটকও বানাইছে। স্লোগান দিতে দিতে ভীড়ের মধ্যে হার্ট এটাকে মারা গেলো। নামের মিল থাকার কারনে অনেকে আমাকে নিয়ে টেনশনে পড়ছিলেন। তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। মারা তো সবাই যেতেই পারে। তবে আমি লীনা আপুর ভাই মোস্তাক শরীফের উপন্যাসে কত আকাশ কত মৃত্যুর সেই জহির ছেলেটার মতো না হলেও মরন নিয়া টেনশনে ভুগি। যেদিন মারা যাবো সেদিন আসলে কেমন হবে? এতো নামায কাযা এতো মিথ্যা এতো পাপের কি জবাব দিবো? তা ভেবে পাই না। মরার পরে বাবা মা ভাই ভাবী কি করবে এইটা নিয়ে ভাবা শুরু করলেই রাতে আর ঘুম আসে না। কি একটা জীবন আমাদের। নিরাপত্তা নাই সমাজের আবার নিজেদেরও মানসিক ওতো আস্থা নাই যে অনেক দিন বেচে থাকবো। আমার নানুর মুখে শুনতাম মরে গেলেই ভালো পাপ কম হয়। কিন্তু সেই নানুকে যখন আম্মু এতো মিস করে তখন নানুর আর শক্তি নাই তার আদরের বড় মেয়ের মাথায় হাত রাখার। এই যে অসীম যন্ত্রনা তা সবাইকেই ভোগ করতে হবে।
অনেক ভারী হয়ে গেলো বাতাস। হালকা করি। আমি এ জীবনে কোনো সময় পেশাদার লোকজনকে দিয়ে কান খুচাই নাই। কিন্তু কিছু লোক আছে বক্স তুলা নিয়ে ঘুরে। ১৫-২০ টাকার বিনিময়ে লোকজনের কান খুচায়া দেয়। কান যে খোচায় সে বড় একটা ময়লার দানা পাইলে দেখায় এবং যার কান খুচাচ্ছে তার প্রতি সহানুভুতি প্রকাশ করে। আর যেই ব্যাক্তি পয়সা দিয়ে কান খোচাচ্ছে সে আরামে চোখ বন্ধ করে এমন এক মুখের ভংগি করে মনে হয় কি উপভোগটাই না করতেছে কিন্তু এই মজা আমার সহ্য হয় না বমি আসে। জীবনে আসলে সেই কান খোচানোর মতোই ব্যাপার। আনন্দে থাকলে উপভোগ করা যায়। কস্টে থাকলে বারবার মরন চিন্তা মাথায় আসে। আমি অবশ্য দারুন আছি অস্বাস্থ্যকর গরুর চাপ আর বুয়ার রান্না খেয়ে। তবে চায়ের দোকানে কেউ আসে না একা একা বসে থাকি! রিক্সা ভাড়া দিতে দিতে টাকা আমার পুলকের প্রায় নেই বললেই চলে। ধার করে এই ২০ দিনে এতো টাকা শেষ করছি যা আমার দুই মাসের হাত খরচ। তাও দুঃখ নাই ছবির হাটে থাকি আর শাহবাগে স্লোগান শুনি যাই করি না আমি আমার বিবেকের কাছে ঠিক। যে আমি এই আন্দোলনের একজন নখদন্তহীন ফাকিবাজ সৈনিক সেই গর্ব কয় জন পায়?
বইমেলায় গেলাম কাল। বদরুদ্দীন ওমরকে অবশ্য এখন সবাই ছাগু বলে। তবে আমার কাছে তিনি এতো খারাপ কিছু না। তার ইতিহাসচেতনা, বোধ, লেখার শক্তি আমাকে মুগ্ধ করে। শ্রাবন থেকে তার সমগ্র দুই খন্ড বের হইছে দাম ১৮০০। আমি দাম শুনিয়া পুলকরে বললাম পোস্টার কিনবেন? চলেন আপনেরে পোস্টার কিনে দেই। ওমর সাহেবের অনেক লেখাই আমার পড়া। পাব্লিক লাইব্রেরীতে যেয়ে আরো পড়বো। এতো দাম দিয়ে কেনার মানে নাই! এখনো আহমদ ছফার এতো ভক্ত হয়েও তার সব লেখা মুখস্থ রেখেও খান ব্রাদার্সের সমগ্রের ২৭০০ টাকার সমগ্রটা কিনি নাই আর ওমর তো অনেক পড়ে। তবে বই পড়াই আসল। সংগ্রহে রাখা ভালো। তবে পড়ে শেষ করার আনন্দের সাথে তার তুলনা নাই।
এই পোস্টটা বন্ধু নুর ফয়জুরকে নিবেদন করলাম। আমার পোস্ট পড়ার জন্য সে এই ব্লগে নিয়মিত আসে আর অতিথি সেজে কমেন্ট মারে। মডারেশনের গেড়াকলে পড়ে তা অনেক পড়ে দেখতে পাই কিন্তু আমি জানি সে অনেক বিজি মানুষ তাও তার এই আন্তরিকতায় মুগ্ধ হই!





নিবেদন দেখে লজ্জাই পেলাম। আমিতো এমন কোন ব্যস্ত মানুষ না। আর স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে আমি তোমার লেখার ফ্যান। এখানে বন্ধুত্বের আন্তরিকতার কোন অবদান নেই।
ভালো থাকো আরও লিখতে থাকো এই শুভকামনা রইল।
(লেখা প্রসংগেঃ আমার কাছেও মনে হয় আন্দোলনে একটা ব্রেক দরকার। ব্যাপারটাতে এখন কেমন জানি "পিকনিক" মুড চলে আসছে। )
ভালো লাগলো শান্ত। বেলুনে করে চিঠি পাঠানো টা আমার কাছেও খুবই হাস্যকর মনে হয়েছে। বেলুন পর্যন্ত ঠিক ছিল চিঠিতে গিয়ে তেনা পেচায় ফেলল।
প্রতি প্যারার পরে অনেক কথা মনে আইছে শেষে আইসা সব ভুলে গেছি
এককথায় অনেক ভাল লাগছে !!
বইপড়ার জায়গায় তোমাকে বসালে যেমন দারুণ লাগে, আন্দোলন নিয়ে সোজাসাপ্টা অবস্থানেও তেমন দেখি। প্রায় বেকার এমন কারো দিনলিপি হিসেবে বিবেচনা করলে, নাস্তা করে নাই, একা একা খালি চা খায়-এসব পড়ে দুঃখবোধ জন্ম নেবার কথা; কিন্তু আমার তা হয় না, বরং এতো অকপটে নিজের কথাগুলো বলে মানুষকে মোহিত করো বলে তোমাকে নিয়ে দুঃখের জায়গায় গর্ব করার মতো একটা অনুভূতি টের পাই।
প্রায় ভাবি শান্তর মতো লিখতে পারলে বৈচিত্রহীন জীবনযাপন নিয়াও তো লিখতে পারতাম যখন মজার কোন ঘটনা ঘটে যায় । কিন্তু পারি না ।
যা হোক। অসাধারণ দিনলিপি । কেমন অস্থির একটা সময় । আস্তিক / নাস্তিক বিভক্তি । আন্দোলন নিয়ে কতকিছু ! ছবিরহাট / শাহবাগে বসে শ্লোগান শোনা হচ্ছে না দুইদিন । টিভির সামনে বসে থাকি ।
ভালো থেকো শান্ত ।
খুব সুন্দর!!!
তোমার সব লেখায় আমি লেখার পানচ লাইনটা (আমার চোখে'র) কপি পেষট করি
লেখাটার বর্ননা এতটাই সাবলীল লাগলো যে আমার কাছে মনে হলো যেন কয়েক টুকরো শাহাবাগ এসে আমার চোখের সামনে উপস্থিত...দারুন!
লেখাটার সেন্সিটিভ অনেক অংশের সাথেই আমি একমত না--এটা জানানো প্রয়োজন মনে করি একজন পাঠক হিসাবে এবং এও প্রয়োজন মনে করি জানানো যে একটা লেখা কিংবা একজন লেখক কখনোই তার সকল পাঠককে তুষ্ট করে এগিয়ে যেতে পারেনা এবং তা একটি লেখা কিংবা তার লেখকের সফলতায় বিন্দুমাত্র কোন কালিমা লেপন করে না যদি না লেখক শুধু মাত্রই নিজের মতামত প্রকাশে সচেষ্ট থাকেন, পাঠকের ঘাড়ে নিজের মতামত চাপিয়ে দেয়া বা আড়ালে বৃহত্তর কোন মতামত বা মতবাদ প্রতিষ্ঠার হীন উদ্দেশ্য সাধন থেকে বিরত থেকে ...(এই মাপকাঠিতেও আপনার লেখা সফল বলা যাবে যা শাহাবাগ আন্দোলন এবং এই আন্দোলন পরিচালনাকারী গোষ্ঠীটির সম্পূর্ন বিপরীত, যদি শাহবাগ আন্দোলনকে একটি লেখা আর আন্দোলন পরিচালনাকরী গোষ্ঠীকে সেই লেখার রূপক হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
শুধু বদরুদ্দীন ওমরের কথাটা নিয়ে একটু বলি, এবং এই প্রসংগে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আর ড. ইউনুসও চলে আসেন ... এদের কে ছাগু বলা হচ্ছে .. তা বলা যার যার ব্যক্তিগত মতামত ...খালি বলি যে "অল্প বিদ্যা ভয়ংকর" .... আার বলি যে হেমিলনের বাঁশিওয়ালার বাঁশির বিধ্বংসী সুরকে মাদকীয় সুর ভাবে বিধায়ই তো চারিদিক থেকে দলে দলে ইদুরেরা হুমড়ি খেয়ে বের হয়ে আসে, তা দেখে বা শুনে বুদ্ধিমান মানুষ তো আর ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসার বোকামি করতে পারে না....
আরামে থাকেন, আর লিখতে থাকেন...।
আমার ধারণা ভবিষ্যতের সবচেয়ে ভাল প্রতিষ্ঠিত ট্রাভেলগ লেখার মানুষটি হচ্ছে শান্ত
এক কথায় দারুণ!
শাহবাগ নিয়ে আর কথা বাড়াবো না, অনেক কথাই তুমি বলে দিয়েছ। তবে ব্লগারদের ব্যাপারে আমার দেশসহ বিভিন্ন ছাগু পত্রিকায় ও ছাগু ব্লগে অপপ্রচার ও কুৎসা রটনার বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে। বিভিন্ন মিডিয়াতে বাংলা ব্লগের অবদান, ব্লগারদের বিভিন্ন অর্জনগুলো তুলে ধরা প্রয়োজন।
মারাত্নক গবেষণা জীবন নিয়ে
তোমার পোষ্টটা আবারও পড়লাম। শাহবাগের কথাগুলো একদম মনের কথার সাথে মিলে যায়। আর মিস করছি বিকেলবেলায় চায়ের দোকানে গিয়ে বসে থাকা। জীবন যে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে!
লেখা সম্পর্কে সবাই সব ভালো কথা বলে ফেলেছেন। আমি কি বলবো?
মীরের মন্তব্যে একমত এমনকি কান্নার ইমোতেও...
শাহবাগ নিয়া এত বিতর্ক, বিভক্তি আর ভাল্লাগে না।
সকালের নাস্তাটা অনেক দরকারি জিনিস, এত মিস দিয়েন না ভাই।
মন্তব্য করুন