কলকাতার কিছু সিনেমা নিয়ে কথাবারতা
টিভি দেখি না গত চার পাচ মাস ধরে। এতে উপকার অপকার দুটোই আছে। এতো বড় আন্দোলন গেলো কত খেলা টেলা গেলো কিছুই দেখতে পারলাম না টিভিতে। আর উপকারের দিক হলো টেলিভিশন না থাকলে অনেক কাজে মন বসে। অনেক সময় নষ্ট বন্ধ হয়। এই যে গত সাতদিন কত গুলান বই পড়লাম তার কোনো কিছুই সম্ভব হতো না টিভি থাকলে। এই যে দুপুর বেলা পড়তে বসি সকাল বেলা ব্লগ লিখি টিভি থাকলে খালি রিমোট চেঞ্জ করতে করতেই টাইম শেষ হয়ে যেতো। তবে আমি টিভি দেখতে পারি না এই আপসোসটা আম্মুকে খুব জ্বালা দেয়। বলবে 'বাড়ীতে আয় কারেন্ট টারেন্ট থাকে ভালো মন্দ খায়া টিভি দেইখা যা' মায়ের এই আদরের আসলেই কোনো তুলনা নাই।
তবে টিভি না দেখতে পারার কারনে এতো চ্যানেলে কি সব সার্কাস চলে তা নিয়ে ব্লগে লিখে ফাটাতে পারতেছি না। বাসা তো সেই আগেরটাতেই আছি এই বাসায় থাকলে আবারো ১০০০ টাকা লাইন চার্জ নিয়ে ডিস নেয়ার কোনো মানে হয় না। কিন্তু সমস্যা হলো আমি সিনেমা দেখারও অতো লোক না। রিমোটের ফাকে মাঝে সাজে টিভিতে সিনেমা দেখাতেই আমার আনন্দ। পিসিতে সিনেমা দেখার অভ্যাস একেবারেই নাই। আর এই জন্যেই এতো টাকা পয়সা প্রাপ্তি সত্তেও আমার পিসিতে ডিভিডি রম নাই আছে একখান সিডিরম।
গত দুই মাস ধরে আমি টিভির অভাবে সিনেমা দেখছি কিছু। হয় ডিভিডি আজিজ থেকে কিনে মামা কে দেই, মামা অফিস থেকে পেনড্রাইভে আনে আর নয়তো মামাই পেনড্রাইভে আনে অফিস থেকে ডাউনলোড করে। গত ১০-১৫ দিন যাবত অনেক কলকাতার সিনেমা দেখলাম। দেশে এখন কলকাতার সিনেমা দেখার হিড়িক চলতেছে। নিম্নবিত্ত গ্রাম বাংলার মানুষেরা দেখে পাগলু আওয়ারা টাইপ সিনেমা। আর শহুরে মিডলক্লাসরা দেখে বেডরুম ল্যাপটপ টাইপ সিনেমা। দুটারেই জেনারেলাইজ করলে ভুসি মাল ছাড়া আর কিছুই না। তাও দেখি কারন আমগো বিনোদনের বড়ই অভাব।
অঞ্জন দত্তের আবার ব্যোমকেশ সিনেমাটা দারুন। শিল্পী অঞ্জন দত্তকে ভালো লাগে বলেই তার সিনেমা মুগ্ধ চোখে দেখার চেষ্টা করি। কিন্তু ওতো মুগ্ধ হই না তাও ভালো লাগে। আবার ব্যোমকেশও ভালো ছবি। আবীরের ব্যোমকেশ অভিনয় খারাপ লাগে না। যদিও শরবিন্দুর বই পড়ি নাই কখনোই তাই জানি না বইয়ের ব্যোমকেশ থেকে সিনেমার ব্যোমকেশ কত আলাদা। দেখলাম হেমলক সোসাইটি। ফেসবুকে যত প্রশংসা শুনছি বাস্তবে ওতো ভালো লাগে নাই। বিশেষ করে কোয়েল মল্লিকের ডং দেখে পিত্তি চলছে ভাগ্যিস পাথর হয় নাই! পরমব্রতর অভিনয় দারুন লাগছে। আর পাওলো কোয়েনহো নাকি কি নাম তার গল্পের সাথে মিলিয়ে কলকাতার আরবান উচ্চ মধ্যবিত্ত নিয়ে ভালোই কাহিনী ফাদছে। আর গান গুলাতো ছোট ভাই সাইফের ভাষায় বলি 'অস্থির' শুরু থেকেই। এরপর দেখছি লাইফ ইন এ পার্ক স্ট্রিট ফালতু সিনেমা। অনেকটাই লাইফ ইন এ মেট্রো থেকে মেরে দেয়া।
অপরাজিত তুমি দেখলাম। সুনীলের এক বিখ্যাত উপন্যাস থেকে নেয়া কিন্তু বোরিং ফালতু সিনেমা। এইসব পরকীয়া আর ন্যাকা ন্যাকা ইংরেজী শুনলেই গা জ্বলে। আর যেভাবে বাংলাদেশী এক তরুনকে দেখাইছে যে ঢাকায় গিয়ে কুলসুম নামের এক অল্পবয়সী মেয়েকে বিয়ে করছে তা আমার ভালো লাগে নাই। তবে সিনেমার গান গুলো খুব দারুন। এতো কিউট গান বাংলা সিনেমায় পাওয়া যায় কম। এরপর দেখলাম বেডরুম। মৈনাক ভৌমিক আগে অঞ্জন দত্তের এসিটেন্ট ছিলো। কিন্তু অঞ্জন দত্তের সিনেমার যাও একটা ক্লাস আছে ইনার তাও নাই। বেডরুম দেখলে মনে হবে যেই সমস্ত মেয়েরা স্মোক করে না ভদকা খায় না তারা কলকাতায় খেতের শিরোমনী। আর কলকাতায় মেয়েদের ছেলেদের একটাই কাজ তা হলো সময় অসময়ে শারিরীক সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়া। আমি দেশ পত্রিকা সানন্দা নিয়মিত পড়ছি একটা সময়। এরকম উদ্ভট কলকাতার জীবন যাপন আমি কোথাও পাই নাই তবে কার মুখে জানি শুনছিলাম কলকাতার সাউথ সিটিতে এরকম ছেলেমেয়েদের অনেক আবাস আছে। কিন্তু তাদেরকে এইভাবে প্রমোট করার মানে কি? আর এমন একটা ভাব যেনো কলকাতার বিয়ের চল উঠেই গেছে। সবাই লিভ ইনেই পড়ে মরে। এই কথা জানতে আমার এক কলকাতা থেকে ট্রেনিং ফেরত বন্ধুরে জিগাইছিলাম এক মাসের জন্য যাস লিভইন টিভিন তো করতে পারোস। সে কয় পাগল হইছোস নাকি কলকাতার মেয়েরা মোহামেডান শুনলেই পালায়া বাচে। তখন আমি বুঝলাম এফডিসির সিনেমাতেও যেমন বাংলাদেশ রিপ্রেজেন্ট হয় না তেমন তথাকথিত জীবনমুখি ভিন্নধারা কলকাতার সিনেমাতেও কলকাতার রিফেল্কশন নাই।
এরপর দেখলাম চিত্রাংগদা। অতি জঘন্য সিনেমা। তিনকন্যা আর চারুলতা নায়িকার কাপড় খোলার উত্তেজক সিনে বমি আসে। আর দুটার কোনোটারই কাহিনীর কোনো মা বাপ নাই। ল্যাপটপ সিনেমাটা ভালো। ফারুকী স্টাইলের নাটক নাটক ভাব আছে। গোড়ায় গন্ডোগোল সেই পুরানো বস্তাপচা কমেডী হলেও সবার অভিনয়ে তা উতরে যায়। বাইশে শ্রাবন সিনেমাটা দারুন। যদিও থ্রিলারের মৌলিকত্ত্ব নিয়ে সন্দিহান তাও কবিতার সাথে সিরিয়াল কিলিং আর প্রসেঞ্জিত পরমব্রতের অভিনয় দারুন। ফেরদোসের অভিনীত হঠাৎ সেদিন দেখে মনে হলো এর চেয়ে সজলের নাটক দেখা ভালো।
তামিল তেলেগু থেকে কপিরাইট করা সিনেমা যেমন আওয়ারা, পাগলু, চ্যালেঞ্জ টু, হানড্রেড পারসেন্ট লাভ এই সব উদ্ভট মাদ্রাজী সিনেমা দেখলে স্রেফ টাইম পাস হয়। ভালো খারাপ কিছুই লাগে না। কারন লজিক বিদ্যে বুদ্ধির কোনো প্রশ্নই এখানে নাই। তাই আপনি টেনশন ছাড়া সার্কাস দেখবেন। কিন্তু তথাকথিত জীবন মুখি ভিন্ন ধারার ছবি এইসবও সেরকম গর্দভ মার্কা ছবি হয়েও শুধু লেভেলের কারনে আমরা সবাই দেখি প্রশংসাও করি। ভাত না খেয়ে লেখলাম এই পোস্ট ভালো খারাপের ধার না ধেরে। মনে চাইছে লিখছি!





আমি হলাম অনিয়মিত দর্শক। সবার কথাবার্তা শুনে মুভি দেখা হয় তা-ও ছ'মাসে-ন'মাসে এরকম।
কলকাতার কয়েকটা মুভি তো বেশ ভালো লেগেছিল। কঙ্কনা সেন-এর অভিনয় করা প্রায় সবই দেখেছি। নাম করতে পারছিনা। কিন্তু কোনোটাই খারাপ লাগেনি।
সামাজিক পরিবেশকে অস্বীকার করে সম্পর্ক বিনির্মাণ চলচ্চিত্রকে প্রশ্রয় দেবে না। কিন্তু, বাস্তবতা যদি হয় এমন- যা তুমি বললে, আমি মনে করি সেটি নাটকে-গল্পে-সিনেমায় আসবেই। এবং সেটাই আসা উচিত। যা কিছু ঘটমান-চলমান-বাস্তবিক তা অস্বীকার করে গল্প বানানো হলে তাতে সত্যের অপলাপ হয়।
আমিও যে খুব নিয়মিত লোক তা না। হাতে সময় আছে টিভি নাই তাই দেখা আর কি! ব্যতিক্রম অনেক কিছুই সমাজে আছে থাকবেই কিন্তু ঝাক বেধে সবাই মিলে ছবি তা প্রমোট করার আমি কোনো মানে পাই না!
কমেন্টের জন্য থ্যাঙ্কস আপু। এতো আগ্রহ নিয়ে পড়েন আর এইসব বস্তাপচা ব্লগর ব্লগর হজম করতে হয়!
এইটা অবশ্য খারাপ বলো নাই। সবাই মিলে এক থিমে থাকা...। ভুতের ভবিষ্যৎ কিন্তু দারুণ ছিল। ইটিশ পিটিশ ছিল না।
তোমার ব্লগ তো পছন্দের জিনিস। ভাব মারো ক্যান?
ভাব মারি না আপু আপসোস লাগে কেনো এতো তাড়াহুরায় লেখি এতোসব!
তবে আমার মনে একটা ভয় কাজ করে যে যা লেখার লিখে ফেলাও পরে আর লেখা হবে না
ড্রাফট করে রাখলেইতো হয়!
খুব উপদেশ দিলাম। লেখো তোমার মতো
ড্রাফট লেখা লিখতে মন টানে না। লেখা লিখবো গরম গরম সাথে সাথে পোষ্ট করবো কমেন্ট আসবে এইটাই ব্লগের আনন্দ! তাও দেখি ড্রাফটের দিকেই যেতে হবে!
খালি ভাব মারে
অপরাজিত তুমির গান ছাড়া কিছু নাই। অন্তহীন আর অনুরণনের পরিচালক হতাস করছে। তবে রূপকথারা................গানটা অসাধারণ
চিত্রাঙ্গদা করছে চরম হতাশ। ঋতুপর্ণ নিয়া অঞ্জন দত্তের কথাটা ঠিকই লাগছে।
হেমলক সোসাইটি এন্টারটেইন করছে আমারে। তোমার মতো কেউ নেই এই গানটা আমি আজকেও শুনছি।
ব্যোমকেশ আমার পড়া সেরা রহস্য উপন্যাস। ফেলুদার চেয়েও। আমার ব্যোমকেশ নিয়ে সত্যজিত রায় চিড়িয়াখানা করলেও উপন্যাসটা বেশি ভাল।
এই ইন্টারভিউটা আমি পড়ছিলাম। অঞ্জন দত্ত পাথ্থর মারা সব কথা বারতা বলছে। যদিও উনি নিজেও যে খুব উত্তম কিছু ডেলিভারী দেন তা না। তাও বলছেন দারুন।
গান গুলো আসলেই ভালো কি অপরাজিত তুমি আর হেমলক সোসাইটি কিংবা বাইশে শ্রাবন, কিন্তু ছবি গুলান যদি গানের মতোই দারুন হতো!
থ্যাঙ্কস। এই সব লেখালেখিতে ব্লগে আপনেই পথ স্রস্টা
"মাছ, মিষ্টি আর মন" .. এই সিনেমাটা দেইখেন .. আমার কাছে চমৎকার লাগছে
অবশ্যই দেখবো ভাইয়া ডিভিডি আসুক আজিজে।
মাছ মিস্টি এন্ড মোর সিনেমার গান গুলান আমার খুব পছন্দের! পোস্টও দিছিলাম একটা গান নিয়ে!
হেমলক সোসাইটি ভালো লেগেছে কোয়েলের ঢং বাদে। বাকীগুলো সম্পর্কে একমত। কাল দেখলাম আবার বোমক্যেশ। আবীরের অভিনয় ভাল হয়েছে।
মাছ, মিষ্টি আর মন ডাউনলোড দিলাম।
থ্যাঙ্কু ভাইয়া
বউয়ের নাম যে ছবিতে আছে সেই সিনেমা তো দেখতে হবেই!
সিনেমা দেখাই হয় না। খবর দেখা হয় প্রায় প্রতিদিনই। এছাড়া টিভিতে আর কিছু দেখা হয় না বলতে গেলে। ফেসবুক আছে বলে তাও কিছু জানা যায়। মানুষজন শেয়ার দেয় তাই ভালমন্দ গান শুনতে পাই। ভালো থাকো। কম কম ভাব আর বেশি বেশি পোস্ট দাও
তুমার তো সিসিমপুর বাহিনী আছে ক্লাসের ব্যাস্ততা আছে ফ্যামিলির রেন্সপন্সিবিলিটি আছে তাই অনেক বিজি। আমি তো বিজি না ওতো। তাই ভাত খাওয়ার অবসরে কিংবা না ঘুমানোর রাতে দুপুরে কানে হেডফোন লাগিয়ে দেখি সিনেমা টিনেমা। পোস্ট দিবো। ভাব নেই না ইহাই বাস্তবতা!
শুভকামনা থাকলো! নিরাপদে থাকো!
লেখাটা পড়ে ভাল লাগলো। অনেক অপ্রিয় সত্য উঠে এসেছে। দুই বছর আগে কারো প্রলাপ শুনে ভেবেছিলাম চলচ্চিত্র থেকে অফুরান জ্ঞান লাভ করা যায়। আংশিক সত্য বটে...। তবে কলকাতার চলচ্চিত্রগুলো দেখার পর থেকে মনে হতে লাগলো শারীরিক সম্পর্ক বিষয়টা খুব সস্তা!!! বিশেষ করে বেডরুম দেখার পর থেকে। তবে দি জাপানিস উয়াইফ এবং আবহমান বেশ লেগেছে। যত যাই বলি না কেন, কলকাতার চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত গানগুলো অসাধারণ।
আমাদের দেশের একটি বড় অংশ যদিও এখন জি বাংলার দুষ্টু আর নার্গিসের দখলে। ঘরে ঘরে মায়েরা ভাত রান্না করতে ভুলে গেলেও জি বাংলার সিরিয়াল ভুলেও বাদ দেন না।
থ্যাঙ্কস আপনাকে। আসলেই কলকাতার সিনেমার গান গুলো তুলনা হীন। কিন্তু সিনেমা গুলান আমরা যে মুল্যায়ন করে মুল্যবান সময় নস্ট করে দেখি তা নিয়ে আমি একটু হতাশ। দুনিয়ায় এতো সিনেমা বাদ দিয়ে দেখতেছি এইসব আর তারা এইসব কি বানায়? যাই হোক তারা তো বানাচ্ছে চেস্টা করছে আমরা তো কিছুই করছি না!
তোমার পোষ্ট দেখে মোবাইলে আগেই পড়ছিলাম। আমারও মন চায় সিনেমা দেখে, বই পড়ে এরকম লিখতে। পারি না। এই কয়দিনে বই পড়ছি। আর কোথাও মনোযোগ দেওয়া যাচ্ছে না। অফিস যাওয়া হচ্ছে না।
আবার বোমক্যাশ আছে...দেখা হয়নি। অপরাজিতা তুমি, হেমললাক সোসাইটি, চারুলতা ছাড়া অার কিছু দেখা হয়নি।
সম্পর্ক নিয়ে অনেক কিছু বলতে ইচ্ছা করে।
আছেন তো বিজি। যখন সময় পাবেন তখন দেখে নিয়েন। আপনি তো ডিভিডি কেনার লোক। বই যেইসব পড়ছেন তাই নিয়ে লিখেন জলদি!
দেখি লেখার চেষ্টা করব। মা এত নার্ভাস যে দুশ্চিন্তায় অস্থির আছি। ভালয় ভালয় হয় যেন দোয়া করো। মনটা ভালো নাইরে!
জানি তো।
দোয়া সব সময় করবো। আন্টিকে মন শক্ত করতে চেস্টা করান। ঠিক হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ!
ব্যোমকেশ ভালই লাগছে, তবে ফেলুদার প্রতি টানটা বেশিই থাকবে এই ২এর মাঝে, চারুলতা, অপরাজেয় তুমি আহামরি লাগে নাই এক্টুও, মাঝে মাঝে বিরক্তিকরই! বাইশে শ্রাবন, ভুতের ভবিষ্যাত ভালো লাগছে, দত্ত ভার্সেস দত্ত নামাইছি দেখে হয়নি.।.।
মাছ, মিষ্টি, মন - এর কথা জানতাম না।
বই জমছে বেশ কতগুলা, পড়া হয়ে উঠছে না.।
পোষ্ট মন চিয়ালেই লিখে ফেলবা, জমাইলে দেখা যায় করা হয়ে উঠে না
ছবির নাম টা সম্ভবত মাছ মিস্টি এন্ড মোর!
আপনি তো কর্মকর্তা মানুষ নানান দিকে বিজি।
সময় নিয়ে বইগুলা শেষ কইরেন। কারন সিনেমা দেখার সময় অনেক আসবে। কিন্তু বই পুস্তকের প্রতি আগ্রহ না পড়লেই চলে যাবে!
হুম . ছবিটার নাম মিস্টি এন্ড মোর! আমি ভুলে লিখছিলাম মন .. তবে ছবিটা জোশ!!
দেখবো সামনেই!
ব্যোমকেশ আর মিস্টি এন্ড মোর বাদে বাকি সব দেখা। এবং তোমার পোষটের সাথে একমত। খুব ভাল হয়েছে রিভিউ
থ্যাঙ্কস আপু। সামনে ভাবতেছি আপনাকে নিবেদন করে হিন্দী ছবি নিয়েও লিখবো! তবে ডিভিডিটাই পাচ্ছি না!
ডিভিডি এর কি দরকার? অনলাইনে দেখো, ১০১টা ওয়েব সাইটে ফ্রী দেখা যায়
অটোগ্রাফ সুন্দর সিনেমা। ইতি মৃণালিনী ও মন্দ না।
হূমম। তবে এই সব তো পুরানো হয়ে গেছে!
ছবি দেখা হয় না তেমন। টিভির দখল থাকে মা-মেয়ের কাছে, মায়ের হিন্দি-বাংলা সিরিয়াল আর মেয়ের কার্টুন! তবে গান শোনা হয় বেশ, গান ছাড়া একটি দিন কবে কেটেছে বলতে পারব না।
আমার ভাল্লাগে না এইসব মুভি, এদের গান বরং অনেক ভাল হয়।
হক কথা!
হুমম
মন্তব্য করুন