পাহাড় আর নদীর গল্পঃ চেনা অচেনা যাপিত জীবনের আখ্যান
আজ পোষ্টটা দেয়া নিয়ে একটু সন্দিহান ছিলাম। তবে লেখাটা জরুরী ছিলো কারন বই মেলা প্রায় শেষ দিকে। কিন্তু এদিকে এবিতে প্রথম পেজে আমার পোস্ট চারটা। তাই একটু চিন্তা করে ডিসিশন দিলাম দিয়া ফালাই। জীবনে কি আর আছে খেতা আর বালিশ! একজন একটা লিঙ্ক দিলো তাই অন্য একটা ব্লগ সাইটে ঢুকলাম। সেখানে যে এবির চেয়ে খুব মান সম্মত পোস্ট আছে তা না কিন্তু আছে শুধু একটিভ ব্লগার আর যুতসই ইউসার ফ্রেন্ডলী সাইট। আমাদের এবিতে যে ধরনের পোষ্ট লেখা হয় তা কোনো অংশেই খারাপ না। কিন্তু আমাদের সার্কেলটা আমরা এতোই অলস যে আমাদের অতিথি থেকেই ব্লগ পড়তে ভালো লাগে আর ফেসবুকে তা না জানাতেই আনন্দ পাই। আমি আগে ফেসবুকে জানাতাম না যে কি লিখলাম,এখন জানাই কারন শেয়ারের কারনে অনেকেই লেখা পড়ে যাদের কখনোই পড়ার সম্ভাবনা ছিলো না। আর এবির নিয়মকানুন একটু কড়া তবে তাতে লাভ আমাদেরই। কিন্তু নিজেরাই যদি লগ ইন না করি তবে পোস্ট পড়বে কে? আর লিখবেই বা কে? তাই কাল যখন অনেক লগ ইন দেখলাম, তখন শান্তি পাইলাম না এবিতেও লোক হয়। আর আমার পোস্ট বাদে অন্য পোষ্ট গুলান যা দারুন ছিলো তাতো বলার কিছু নাই। যা শালা! আমি এই সব কইতেছি কেন? পোস্ট লিখবো তানবীরা আপুর বইটার উপরে আর বয়ান দিতেছি পাবলিকরে! এই জন্যই জাতির আজ এই দশা যে আমার মতো আলী আরাফাত শান্তও মানুষরে বয়ান দেয়। রিভিউটা আমার পাঠ প্রতিক্রিয়াই। নানান মতামতে দায় শুধুই আমার!
এবারের বইমেলায় আমার প্রাপ্তি ও কিনছি অনেক বই। আমি সাধারনত মেলার বই মার্চ থেকে পড়া শুরু করি। কিন্তু যেহেতু এবারের মেলায় বড় ভাই বোনদের বই আছে তাই আগে ভাগেই পড়া শুরু করলাম। আট তারিখে বই কিনে তিনদিনেই শেষ করলাম তানবীরা আপুর বই পাহাড় আর নদীর গল্প। কিন্তু রাজীবের নির্মম মৃত্যু আর যাপিত জীবনের ব্যস্ততায় আর লেখা হয়ে উঠলো না। তাও লেখছি কারন সময় এখনো শেষ হয়ে যাই নি।
অসাধারন একটা প্রচ্ছদ বইটার প্রথম সৌন্দর্য। তৌহিন হাসানের করা। এবার উনার সব প্রচ্ছদই দারুন হইছে। তবে প্রচ্ছদ নাম শুনলেই আমার হাসি পায়। শ্রাবন প্রকাশনীওয়ালাদের বইয়ের দোকান আজিজ থেকে উঠে গিয়ে, গেঞ্জী ফতুয়ার দোকানের নাম হলো প্রচ্ছদ। এরকম অমিল নাম করন শুধু মাত্র এই দেশেই সম্ভব! তবে এই বইটার প্রচ্ছদ অসাধারন! বইটার শুরুর ফ্ল্যাপেই লেখা যে লেখকের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যাক্তিগত উপলব্ধি আর অভিজ্ঞতা থেকেই গল্প গুলো লেখা। এই এক লাইন দেখেই আমার মাথায় খেলা করে বিচিত্রা,যায়যায়দিন আর রহস্য পত্রিকার কথা। যায়যায়দিন যতই অশ্লীল, অশালীন আর আজাইরা গল্প ছাপাক না কেনো একটা লেখক শ্রেনী বানাইছে যারা নিজেরা অসাধারন সব এক্সপিরিয়েন্স কিংবা ঘটনার বর্ননা দিয়ে পাঠককে মুগ্ধ করে রাখছে অনেক দিন। রহস্য পত্রিকার এখন আর খুব কম পড়া হয়। শেষ পড়ছিলাম লীনা আপুর গল্পটা পড়ার সময়। তারপরের মাসে মনে হয় আরেকটা সংখ্যা কিনছিলাম। গল্প গুলা ওতো মানের নাই আর আগের মতো। তাও এই জীবন থেকে নেয়া গল্প গুলো পড়তে আমার খুব ভালো লাগে। লেখকের এই যে সততা বানিয়ে গল্প না বলার তা আমার খুব পছন্দের। নিজে যদি আমি কোনোদিন গল্প লেখি আমিও এই পথেই থাকবো। আর আমি দেখছি ছুটির দিনে গল্প বা এক্সপিরিয়েন্স ছাপাতে পেরে মানুষের যে আনন্দ পায় তা অন্য কোথাও নাই। তবে ফ্ল্যাপেই তানবীরা আপুর শপথটা দারুন লাগছে
"লেখার মান অতি সাধারন, আমি নিজেও খুব সাধারণ, আবেগপ্রবন মানুষ। কিন্ত মনে একটা প্রতিজ্ঞা লালন করি যা লিখবো সত্যি লিখবো। আর সে গল্পগুলোই বেশী লিখবো, যেগুলো মুখ ফুটে কাউকে বলা যায় না কিন্তু যার গ্লানি প্রত্যেকটা মেয়েকে কুড়ে কুড়ে খায় সারাটা জীবন, হোক সে দেশি কিংবা বিদেশী।"
লেখকের এই দায়বদ্ধতা খুব মনে ধরছে আমার। প্রথম গল্পের নাম না বলা কথা। গল্পটা সিম্পলি দারুন। একটা সামান্য ঘটনা জীবনকে কিভাবে কত ভয়ের দিকে ওলোট পালোট করে দেয় । তবে গল্পের শেষের স্পিরিটটাই একটা মেসেজ যে মায়ের পাশে থাকাটা মেয়ের জন্য কত জরুরী! যে কথা যায় না বলা গল্পটা দাম্পত্য জীবনের। যদিও দাম্পত্য জীবনের ব্যাপার স্যাপার মাথায় আসে না তাও যাপিত জীবনের বয়ান অসাধারন ভাবে দিছে লেখক। তবে এই গল্প নিয়ে আমার বেশী কিছু বলার নাই। কারন আমি আর কতোটাই বা চিনি সেই জীবনকে। ডিম কাহিনী আর সেই ছেলে ও মেয়েটির কথা দুটোই ইন্টারেস্টিং মোটামুটি। কিন্তু মুগ্ধ হইছিলাম 'বলতে না পারা' গল্প খানি পড়ে। গল্পটাতে আপু যে দারুন ভাবে একটা ঘটনা তুলে ধরছেন তাতে আশ্চর্য হইছি। এই বাংলাদেশের বেশীর ভাগ পুরুষ মানুষই নিম্ন মানের রুচি আর পরিবেশে বড় হয়। তাই তাদের কাছে এইসব ঘটনা কোনো ব্যাপারই না যতই এডুকেটেড হোক না কেনো। তবে তার সহধর্মনীর নিস্পৃহতা আমাকে খুব চিন্তায় ফালাইছে। যে এমন কেনো হবে? তবে গল্পটা দারুন। 'কইতে পারি না সই' গল্পটা আমাকে খুব বেশী টানে নাই। একজন সগিরউদ্দিনের দিনকালটা খুব প্রাসংগিক। দেশটা ভইরা গেলো এইসব সগীরউদ্দিনদের ভারে। 'প্রেম ঢাকা স্টাইল' টা রসাত্মক। কিন্তু কেনো জানি গল্পটা খুব ভালো লাগে নাই। তার তুলনায় মানুষ কি জাত সংসারে অসাধারন গল্প। বিদেশ বিভুইতেও কি দারুন ভাবে মানুষ জাত কুল প্রথার উর্দ্ধে উঠে গিয়ে অসাধারন মানুষে পরিনত হয় তার আখ্যান দেয়া আছে নিপুন ভাবে। তিনশো টাকার গল্পটাও খুব ফানি স্যাটায়ার। কিভাবে এই বিচার সালিশী চলে দেশ গ্রামে তার বয়ান। তবে যদি আমাকে বলা হয় কোন গল্পটা তোমার মনে গেথে আছে সবচাইতে বেশী? কিংবা বারবার ভাবো তা অবধারিত ভাবে হলো 'ক্ষরন ' গল্পটা। আমি ভাত খাওয়ার সময় গল্পটা পড়ছিলাম। কিন্তু পড়া শেষে ভাত আর গিলতে পারছিলাম না। নোরার জন্য যে কি মন খারাপটা ছিলো দেখি চোখটাও পানিতে ভেজা। এরকম অসাধারন গল্প আমি অনেকদিন পড়ি নাই। ম্যান্দামারা হারুনের জন্য আমার শুধু একরাশ ঘৃনাই জন্ম নেয়। সাধারনত রাতে রিক্সায় উঠলে আমি নিজের মতোই ভাবি একা একা নানান কিছু চিন্তা করি। কিন্তু এই গল্পটা পড়ার পর থেকে আমি শুধু আশেপাশে তাকাই। আর ভাবি কোনো নোরাকে বাচাতে পারি তবে তাই জীবনের সফলতা। গল্পটা অসাধারণ। এতো দারুন গল্প পড়ার পর ব্রেইন সমস্যা গল্পটা মোটেও ভালো লাগে নাই। তার চেয়ে কেদেছেঁ একেলা গল্পটা কতো দারুন! দাম্পত্য জীবনের এডজাস্টমেন্ট নামের মুলা যে কত ভয়াবহ ব্যাপার তা বোঝা যায় গল্পতে। তবে এই মুলায় সব চেয়ে বেশি সাফারার মেয়েরাই। বকুল কথা গল্পটা ভালো মানবিক চেতনার বয়ান। তবে এলেমেলো প্রেমের গল্পটা আমাকে বেশী টানছে। হয়তো তরুন বলেই। তবে এখনকার পোলাপাইন আমি যাদের চিনি তারা তিতলী-সায়ানের মতো এতো সুইট না। তাদের কাছে ইমোশনাল এটাচমেন্ট একটা ঠুনকো বিষয়। তাও গল্পটা দারুন আর রিচার্ড বাকের সেই ডায়লগটাও। পলাশ ফুটেছে শিমুল ফুটেছে গল্পটায় ভালোই দেশপ্রেমের ছোয়া আছে। পাখি আমার পাখি নীড়ের পাখিটাও চমৎকার মানবিক গল্প। নারী দিবসের ব্যস্ততা গল্পটাও অসাধারন স্যাটায়ার। যেমন অসাধারন গল্প চৌধুরী আলমের স্যাটায়ারটাও। তবে আলম সাহেবের জন্য আমার মন খারাপই হলো আর মুখ দিয়ে বের হলো বেচারা। অপালার ঘরে ফেরার গল্পে অপালার জন্য একটু মন খারাপ হলো। তবে অপালার মাঝে কেনো জানি আপুরেই খুজে পেলাম। ভুলও হতে পারে। শেষ গল্প পাহাড় আর নদীর গল্প। এই গল্পের নামে বইয়ের নাম। গল্পটা আমার ভালো লাগছে। কিন্তু আমার এই ধরনের জীবন ভালো লাগে না। যেই জীবনে বিশ্বস্ততা ভালোবাসার ব্যাপার স্যাপার নেই। তাও মানুষের মন তো। তবে আমি কখনোই রিয়া বা সুজন হতে চাই না। আর অরন্যের মতো বাংলা ছবির স্যাক্রিফাইসিং নায়কও হতে চাই না। আমি যাকে ভালোবাসবো তাকে আমি সব ভাবেই বেধে রাখতে চাই।
যাই হোক অনেক বয়ান দিলাম। তানবীরা আপুর বইটা অসাধারন কিন্তু তারাহুড়ায় কিছুটা বিগড়ে গেছে আমার মতো। আর কিছু মুদ্রন ভুল চোখে পড়ার মতো। তবে কিছু গল্প না দিলেও সমস্যা হতো না। গল্প ১২-১৫ টা থাকলেই আমার ধারনা ভালো হতো। গল্প বেশী হয়ে দাম বেড়ে গেছে আর এবারেই বই মেলার বেচা বিক্রির যে হাল তাতে প্রকাশকের মুখে চিন্তার ছায়া থাকবে। তবে যে লাস্যময়ী ছবি লেখকের প্রোফাইল ফ্ল্যাপে তাতে এড টেড দিলে ভালো বিক্রি হবার কথা। এতো কিছুর পরেও বইটা মাইন্ডব্লোয়িং। আমার এতো পছন্দের লেখক ও মানুষের বই ভালো না হয়ে যাবে কই। যদিও উনার শুভাকাংখীদের লিস্টে আমি নাই তাই হালিম কিংবা অন্য খাবারদাবারের ভাগ পাই নাই গতবছর। তবুও সামিয়ার সাথে হালকা টুকটাক এসেমেসে বিনিময় হয় সেই সুত্রেই আমি দাবী করি উনি আমার কাছের মানুষ। আর আজকে সুমি আপুর জন্মদিন। শুভেচ্ছা জানালাম। তাই এক ঢিলে অনেক পাখি মারলাম।
বইয়ের নামঃ পাহাড় আর নদীর গল্প
প্রকাশকঃ জাগৃতি
মুল্যঃ ২৭০ টাকা
পোষ্ট নিবেদন করলাম লীনা আপুকে। উনি না থাকলে আমি কোনোদিনও রিভিউ লেখার সাহস করতাম না!





বই তানবীরার, সেই বই এর রিভিউ উৎসর্গ করা হলো আমারে! প্যাচটা ধরতে পারি নাই। কিন্তু উৎসর্গ করার ব্যাপারটা তো দারুণ, তাই ধইন্যা।
বইটা আমিও কিনেছি, উল্টে-পাল্টে দেখেছি কিন্তু পড়া শেষ করিনি।
তানবীরা ব্লগে গল্প লিখেছে, সেসব পড়েছি। ওর গল্পে গল্প থাকে। আঙ্গিক বিবেচনা করলে ওর লেখাকে আখ্যানধর্মী বলা যায়। মানুষের আনন্দ, বেদনাকে ও বুঝতে পারে, এবং অল্প কথায় তুলেও ধরতে পারে। বকুলকথা গল্পটিকে যদি ধরি, তাহলে বলবো, একটি মেয়ের মনোজগতের বিশেষ জায়গায় তানবীরা পৌছুতে পেরেছে। এবং সাবলীল লেখনিতে তা তুলেও ধরেছে। বইটি পড়ে তোমার মতো করে লিখবো আশাকরি। আপাতত এই বলি, তুমি লেগে থাকলে রিভিউ রচনায় ভালো করবে।
নিবেদন করার কারন তো ব্যাখা করছি আগেই। নতুন করে আর কি বলবো। বইটা ভালোই। আপনিও বই বের করে ফালান পান্ডুলিপি পড়েই রিভিউ লিখবো ইনশাল্লাহ
আমার ধারণা আমাদের ব্লগের মান সবার চাইতে ভালো। প্রথম পাতার লেখাগুলোর দিকে তাকান। শাপলা আপুর অসাধারণ গল্পটা, মাসুম ভাইয়ের অস্কার বিষয়ক লেখা, একাধিক লেখা আছে বিভিন্ন বইয়ের উপর...। এমন একটা প্রথম পাতা আপনি আর কয়টা ব্লগে পাবেন? বইমেলায় আগুনের প্রতিবাদ, প্রজন্মের যুদ্ধের প্রতিচ্ছবি সবকিছু এক জায়গায় খুঁজে পেতে আপনি শুধু এই ব্লগের প্রথম পাতায় একবার চোখ বুলান।
আরো বড় কথা হচ্ছে, এখানে কোনো গ্যাঞ্জাম নাই, সবার ইউনিটি দুর্দান্ত। দারুণ লাগে এই সবকিছু।
তানবীরা'পু বা অন্য কারো বইই পড়া হয় নাই। বইমেলাতেই ঢোকা হয় নাই এবার এখনো। তবে রিভিউ পড়ে সবার বইই পড়তে ইচ্ছা করে।
ব্লগের মান নিয়ে আমি আপনার ঠিক একমত না আবার দ্বিমতও না। আপনি আর আমার মতো ফাকিবাজ না যে বইমেলায় গিয়ে পড়ে থাকবেন
ভাল লাগল রিভিউ কথন, অবশ্যই রিভিউ লেখকের সরল মনে বলে চলা বর্ণনার জন্য । রিভিউ লেখক ও গল্প লেখা শুরু করলে খারাপ হবেনা
আপনার মতো যদি কোনোদিন লিখতে পারি তবে অবশ্যই লিখবো!
ভালো থাকবেন ভাইয়া। শুভকামনা!
ব্লগ নিয়া বয়ান ভালো হয়েছে প্রথমেই। লোকজন ব্লগে আড্ডাইলেই পারে। এফবিতে সুন্দরবনের মধু। দেখনা আমিও সারাক্ষণ লগইন থাকি ফোনে আর টাকা খরচ হয়! (হিন্দি চুল পুরাই।)
রিভিউ পড়তে তো ভালো লাগছে খুব। শান্ত আবেগী ছেলে লেখা থেকে বুঝতে পারি।
এবার বই কেনা হয়নি বললেই চলে। মেলায় যাওয়ারও সুযোগ হয়ে উঠছে না। তাতাপুর বইটা পড়ার ব্যপক আগ্রহ ছিলো, রিভিউ পড়ে আগ্রহ আরো বাড়লো। তাতাপুর বইয়ের জন্য শুভকামনা।
ভাইবার চালাতে চালাতেই নিঃস্ব হলেন আর বই কিনবেন কোতথেকে?
থ্যাঙ্কু আপু। আর কেউ পড়ুক না পড়ুক আপনি যে নিয়মিত পড়েন কমেন্ট দেন শেয়ার দেন পোস্ট তাতেই শান্তি!
প্রিয়তে রাখলাম শান্ত। ভাল লেগেছে।
একমত।
থ্যাঙ্কস আপি। যদিও ওতো ভালো হয় নাই তাও লিখছি আর কি। পছন্দের মানুষদের সব কিছুই ভালো লাগে তাই সে অধিকারেই কিছু কথা বলা। ভালো থাকবেন। চৌধুরী আলমটা পারলে আবার শুরু করেন!
আমাকে নিয়ে বা আমার দ্বারা কোন আডডা হয় নাই গতবার
( । তুমি কিছু মিস করো নাই শান্ত। সামিয়া আমাদের সবার জীবনের মেইনসুইচ। তুমি গোড়ার সাথেইতো যোগাযোগ রাখছো। আর আমার নিজের ভাইয়া - সুমি আপু - সামিয়া বাদে যার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হয় বা আমার খোজ নেয় সেটা তুমি 
গর্বিত হলাম
চমত্কার রিভিউ,
লেখাটা আরও আগে আসলে আরও ভাল ছিল।
তা ঠিক। তবে জানেন ইতো ব্যস্ত ছিলাম কেমন! কি আর করার। দেরী হলেও খুব বেশী দেরি নিশ্চয় হয় নি।
ভালো থাকেন। শুভকামনা
আমি কিছু পড়ি নাই, কিছু কিনি নাই এবং বই মেলায় যাই নাই।
কহালি আফসোস খাই খাই মোটা হই যাইতেছি।
ছবি আকেন মন হালকা হবে আশা করি!
ওতো টেনশন নিয়েন না সব বই একদিন রাগ করে কিনে ফেলবেন আপু
বইটা আমিও কিনেছি কিন্তু পড়া শেষ করতে পারিনি।
রিভিউ ভাল লাগলো
পড়ে ফালায়েন ভালো লাগবে আশাকরি!
রিভিউ দারুণ। তবে প্রচ্ছদটা আমার বেশি ভাল লাগে নাই। আরো ভাল হইতে পারতো, উচিৎ ছিল
হইতে পারে। কিন্তু খারাপ না। চলে যায়!
থ্যাঙ্কু ভাই। আগামী বই লেখার প্ল্যানিং সময় এসব নিয়ে এখনই ভাবা স্টার্ট দেন!
আরে, আমি লেখক নাকি?
ওরে আমিতো উড়ে যাব!!! আমাকে শুভেচ্ছা জানানওর জন্য
নেন
খান!
মন্তব্য করুন