মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন!
ইচ্ছা ছিলো আজ পোষ্ট লিখবো না। তাও লিখছি। কারন অনেকেই আজ আশায় আছে আমি পোষ্ট লিখবো। খাওয়া দাওয়া আড্ডাবাজি কেমন হলো তার গল্প জানাবো। এসব লিখতে এখন আর আমার ভালো লাগে না। কারন রাত জেগে পোস্ট লিখে ১ টি মন্তব্য যখন প্রথম পাতায় ঝুলে তখন তীব্র মেজাজ খারাপ ছাড়া আর কি হয়! মনে হয় কার জন্য এসব অযথা পোষ্ট নিরন্তর লিখে চলা? আমি কখনো শত সহস্র কমেন্টের জন্য লিখি না। লিখি মুলত নিজের কথা গুলো বলতে। আশাবাদ থাকে গোটা পাচ দশ কমেন্ট পাবো! তিন চারটা কমেন্টেও যখন লেখা নিয়া উৎসাহ, ভালোলাগা মন্দ লাগা জানতে পাই তাও ভালো লাগে। কিন্তু একটা দিনলিপি লিখে ১টি মন্তব্য প্রাপ্তি তা দেখে আজ আমার আসলেই মেজাজটা বিগড়ে গেলো। এখন বলতে পারেন তুমি কোন লেখা লিখো যে পড়ে কমেন্ট করতে হবে বাপু? ভালো কথা তাহলে আপনারা লিখেন! এই ব্লগে দিনের পর দিন পোস্ট আসে না তাই নিতান্তই ছাগলামী করে প্রতিদিন অযথা লিখে যাই। তার কারনে এখন প্রথম পাতায় আমারই গোটা চারেক পোষ্ট ঝুলে। আর লেখার ২০ ঘন্টা পরে যখন দেখি ১ টি মন্তব্য নিয়ে পোষ্ট ঝুলে তখন নিজেকেই অভিসম্পাত দেই কেন প্রতিদিন লিখে যাচ্ছি?
এরচেয়ে বই পড়া যেতো, বন্ধুদের সাথে জমিয়ে আড্ডা দেয়া যেতো, ফেসবুকে আজাইরা স্টেটাস মেরে, মাস্টার্সের পড়া পড়ে আনন্দে দিন কাটানো যেতো। তা সব বাদ দিয়ে আমি মশার কামড় খেতে খেতে লিখতে বসি। তেমন আকর্ষনীয় কিছু লেখি না, বানান ভুল, যতি চিন্হের ভুলে ভরা সব লেখা।(নিজেকে মহান বানাচ্ছি না, কিংবা ইহাকে জায়েজ করছি না) তাড়াহুরায় লেখা একেকটা দিনলিপি। লেখা টেখা শেষে বসে থাকি কে কি বলে? অনেককে মেসেজ দিয়ে জানাই লেখার লিংক। এতো আগ্রহের সলিল সমাধি হয় যখন দেখি কমেন্ট দুই তিনটা। আজ দেখলাম কমেন্ট একটা। আজ থেকে ছয় বছর আগে থেকে যখন ব্লগিং শুরু করি তখন নিজেকে ব্লগ পড়ার লোকই ভাবতাম। কমেন্ট চালাচালি করেই সময় কাটতো। কখনো লিখবো সেই ভাবনা আসে নি মনে। সামু ছেড়ে দেই চার বছর আগেই। তারপর আমার পত্রিকায় লেখার হুজুগ শুরু। নামে বেনামে নিউএইজ, বুধবার, সমকালে, সাপ্তাহিক ২০০০য়ে আমার লেখা ছাপানোর দিন। চিঠিপত্র কলামে বা অভিমত পেজে বা পাঠকের চিঠি নিজের লেখা দেখতাম তাতে আনন্দ হতো। ওতো কাউকে জানাতাম না। খালি বাসায় পত্রিকা কিনে নিজে নিজে দেখা। তারপর এই ব্লগে লেখা শুরু করলাম। সবার তুমুল উৎসাহ পেয়ে আসমানে উঠলাম। খালি নিজের লেখাই না, নতুন নতুন কিছু অসাধারণ লেখককে আবিষ্কার করলাম। সবাই বলতো নিয়মিত লেখো। আমিও নিয়মিত লেখা শুরু করলাম। নিজের লেখা প্রথম পুস্তকে মুদ্রিত অবস্থায় দেখলাম এই ব্লগের কারনেই। তা দেখে আনন্দের শেষ নাই। তারপর লিখছি আর লিখেই চলছি। ব্লগে না লিখতে পারলে মনটাই খারাপ হয়ে যায়। ক্রমাগত ব্লগ ফাকা হতে থাকে। লগ ইন করতে ভুলে যায় ব্লগাররা। তারপরও লিখেই চলছি। জানি না কতদিন এরকম সেলফ মোটিভেশনে লিখেই চলবো। তুমুল খারাপ লেখকও ১টি মন্তব্যের জন্য পোষ্ট লিখবে না নিশ্চয়ই। তাও আমি লিখবো কেন? নিজের জন্যই লিখবো। নিজের জন্য লিখবো বলে আমাকে কেউ ফেলনা ভাববেন না। আপনাদের মতো অনেক কাজ না করলেও আমার কাজ কম নাই। ব্যাস্ততা আপনাদের চেয়েও কম না। তাও লিখি ব্লগটাকে ভালোবাসি বলে, ব্লগটাকে ওউন করি বলে। দুঃখের বিষয় হলো ব্যাপারটা কেউই বুঝে না। তারা মনে করে শান্তর কাজ নাই বলেই অযথা লিখে চলছে। আমার বাসায় এখনো যত বই আমার পড়ার অপেক্ষায় আছে, যত না দেখা সিনেমা হার্ডডিস্কে আছে, যত ডিভিডি কিনে রাখা আছে তা অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো। সেই সব কিছু বাদ দিয়ে পোষ্ট লিখি কমেন্ট পাই ১ টা। আমার মতো ছাগল জগতে বিরল। তাও সেই ছাগলামী করেই চলছি আরো করবো। দেখি কি হয়! অবশ্য মন খারাপ করার কিছু নাই অন্য ভাবে ভাবলে। কারন রাসেল ভাইয়ের লেখাই লোকজন কমেন্ট করে না, আমি আর কি!
যাই হোক দুঃখের কথা অনেক লিখছি এবার অফলাইনের আনন্দের কথা বলি। অফলাইনে এবির লোকজনের আজ দারুন দিন কাটলো। কামাল ভাইয়ের নিমন্ত্রনে আমরা সবাই হাজির হয়ে ছিলাম রমনা চাইনিজে। ছোটোবেলায় জাফর ইকবালের ছবি দেখতাম সেখানে নায়িকাকে নিয়ে সে রমনা চাইনিজে খেতো। আমি আগে কখনো আসি নি। শত সহস্রবার বাসে করে সেই রাস্তা পার হলেও আমার কখনো যাওয়া হয় নি সেখানে। এমন কি চিনিও না এর গেইট কোথায়? ভাগ্যিস তাতাপুর গাড়ী ছিলো নয়তো আমার খুজতে হতো অভাগার মতো। তাতাপু যেই সময়েই আসতে বলছিলো তখনি হাজির হয়ে যাই। এসেই জানতে পারি জেবীন আপুর দেরী হবে। মেজাজটা গেলো খারাপ হয়ে। আগে জানলেই হয়তো পরে আসতাম। অগ্রনী ব্যাংকের এক্সাম দিতে আমার বন্ধু আসছে আমার বাসায় চিটাগাং থেকে। তাকে সময় না দিয়ে আমি আগে ভাগে হাজির হতে চেয়ে বৃষ্টিতে ভিজলাম রিক্সায়। ঢুকলাম তাতাপুর বাসায়। উনি রেডী হলো। জেবীন আপু বাংলাদেশের মানুষ যেমন করে সময় নেয় সে মতো করেই আরো দেরীতে হাজির হলো। গাড়ীতে বের হলাম। যে জ্যামের আশায় ছিলাম তা আল্লাহর রহমতে পেলাম না। জেবীন আপু আর তাতাপু গাড়ীতে বসে প্যাচাল তো পারছেই। এতো কথা লোকজন কিভাবে খুজে পায় তা ভেবে পাই না। জেবীন আপু আমাকে আবার জিগেষ করে শান্তর কি মেজাজ খারাপ? আমি কেমনি বুঝাই আমার মেজাজ ভালো রাখার কোনো কারন পাচ্ছি না। সারাদিন রোজা রেখে আর অযথা বসে থেকে মেজাজ আমার এমনিতেই খারাপ। পৌছলাম অবশেষে। সেখানে শুভ ভাই কামাল ভাইরা আছে, তাদের খুজে পাচ্ছি না। আগ বাড়িয়ে জিগেষ করলাম বিখ্যাত লেখক আহমদ মোস্তফা কামালের কোনো বুকিং আছে কিনা? কোনো পাত্তা না দিয়েই বললো হারুন সাহেবের বুকিং আছে! পাশেই সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ইফতার পার্টি। তারা দল বল নিয়ে ঢূকতেছে। শুনলাম এক পীরও আসছে, সবাই তারে চুম্মা কদমবুছি দিতেছে। আমি দেখি নাই। শুভ ভাইদের পাওয়া গেলো বাইরে। কামাল ভাইকে দেখে মন ভাল হয়ে গেলো আমার। উনারে যে আমি অসম্ভব পছন্দ করি তা নতুন করে বলার কিছু নাই। এবির সব আড্ডাই আগামীতে ফডোগফুরদের দখলে যাবে তা বোঝা গেলো। মুরাদ ভাই আসলো। প্রতিযোগীতা শুরু হয়ে গেলো কামাল ভাইয়ের সব চাইতে ভালো ছবি তোলার। জেবীন আপুর দয়াতে আমার ছবিও তোলা হলো। রায়হান ভাই তাতাপুকে ক্যামেরা বিষয়ক জ্ঞান দিলেন। আমি সেই সময় কামাল ভাইয়ের গল্পটা পড়ে ফেললাম দ্রুত। কালি ও কলমের পেইজ অলংকরটা দারুন হইছে। কামাল ভাইয়ের পুরষ্কার প্রাপ্তি মুলক শুদ্ধস্বরের এডটা দেখে দিল খুশ হয়ে গেলো আমার। শুদ্ধস্বরের টুটুল ভাইও উপস্থিত ছিলো। নিপাট ভদ্রলোক। উনার একটা কথা খুব মনে ধরছে যে উনি হলেন সি, আর আমরা সবাই এবি! রাসেল ভাই ও লিপি আপু আসলো। কামাল ভাই এক টাক মাথার ভদ্রলোকের দিকে নির্দেশ করে আমাকে বললো এইসব টেকোরা সুশ্রী মেয়ে নিয়ে ঘুরে, আর তুমি কি করলা? আমি আর কি ব্যার্থতা লুকালাম। ঋককে দেখেও আনন্দ পেলাম। রাসেল ভাইয়ের ইনসিডেন্টের সময় আমি ঋকের কথা অনেক ভাবতাম। ছেলেটা আসলে জেন্টেলম্যান পিচ্চি। এইসব জেন্টেলম্যান পিচ্চিদের আমার খুব পছন্দ। রিহান আসলো। ফাড়া কেটে গেল মনের উপর থেকে। চিন্তায় ছিলাম অসুস্থ বার্থডে বয় আজ আসবে কি না। রিহান আসলে তো টুটুল ভাই ও নাজ আপু আসবেই।
ইফতারীর সময় হয়ে গেলো। অন্যরা খাওয়া শুরু করলো তাই আমরাও খাওয়া শুরু করলাম। ইফতারী খাচ্ছি বেখেয়ালে দেখি মাসুম ভাই উপস্থিত। টেবিল লম্বা বলে মাসুম ভাই আর রাসেল ভাইদের গল্প শুনা যায় না। আমি জেবীন আপু, লিপি আপু আর তাতাপুর গল্পই শুনলাম। শুদ্ধস্বরের টুটুল ভাইয়ের সহীহ ভাবে কামাল ভাইয়ের পুরষ্কার প্রাপ্তির পার্টির ফেসবুকে ছবি পোষ্ট দেখতে দেখতে মজা পাচ্ছিলাম। খাওয়া শেষে সবাই সিগারেট খেতে বাইরে গেলো আমি চেয়ারে বসেই গল্প শুনছিলাম। আমি বলার লোক না। কথা প্রসঙ্গে তাতাপু আমাকে পুরুষ লোক গার্জিয়ান বলে ঠাট্টা শুরু করলো। শুভ ভাই বিদায় নিলো তার ফ্যামিলী ব্যাস্ততায়। দ্বিতীয় দফা খাবার আসলো। এবার চায়নিজ। এতো খাবার দেখে চোখ ছানাবড়া। মনে হলো ইফতারীটা কম খেলেই হতো। তাও হাল না ছেড়ে দিলাম খাওয়া শুরু। খেলাম দারুন। অন্যরা খেতেই পারলো না। তাতাপু সব চাইতে কম খাইছে। এখন আমি বুঝি কেন উনি লাঞ্চে সালাদ খেয়ে কিভাবে দিন কাটায়। তিনি রান্নার বদনামও করলেন, বললেন বাবুর্চী নাকি রোজা রেখে রান্না করছে! আমি তো হেসেই খুন। ভারতে ভেজিটেবল আইটেম কতো দারুন হয় তা নিয়ে জানলাম। শুদ্ধস্বরের টুটুল ভাই বিদায় নিলো আর মাসুম ভাই তো ঝটপট খেয়েই চলি বলে দোড় মারলো। আমি বসে বসে সবার কথাই শুনছিলাম। আমার বলার তেমন কথা নাই। রাসেল ভাইয়ের কথা সব সময়ই শুনতে আনন্দ। মেসবাহ ভাই আসলো। অনেক দিন পরে দেখা। এসেই গল্প শুরু। কিন্তু সব আনন্দেরই শেষ আছে। বিদায়ের সময় হলো। রাত বাড়ছে। সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে, আবারো তাতাপুর গাড়ী তে কলাবাগান। সেখান থেকে রিকসায় জেবীন আপুকে নামিয়ে দিয়ে আমি চায়ের দোকানে ফিরি। এক কাপ চা খেয়েই আবার রিকশাতেই বাসা। রিকশায় বসে কতো কিছু নিয়ে আলাপ হয় জেবীন আপুর সাথে। বেশীর ভাগই থাকে পাঠশালার ক্লাস নিয়ে। অবশ্য এতো ভালো খাবার খেয়ে শরীর ছেড়ে দিচ্ছিলো। মনে হচ্ছিলো এখনই শুয়ে পড়ি। বাসায় এসে তা উদাও। তাই বসে লিখে ফেললাম এই অপদার্থ পোষ্ট
থ্যাঙ্কস এ লট কামাল ভাই। এরকম চার পাঁচটা পোস্ট লিখে ফেললেও আপনার আতিথেয়তা ও মানুষ হিসাবে প্রশংসার শেষ হবে না। আপনার পুরষ্কার প্রাপ্তির আনন্দ আমাদের মনেও যে কিভাবে আলোড়িত করেছে, তা জানানো গেলো না আর!





শুরুর কথাগুলা নিয়া
কিছু বলার নাই।
বাকি অংশে, হিংসা!
হিংসা করে কি হবে রে ভাই!
বিরাটায়োজন!!!
আমি একদিন কামাল ভাইকে বক্তৃতা দিতে দেখেছিলাম কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে। রবার্ট ডি নিরোর মতো লাগছিলো উনাকে।
যাই হোক্ লেখাটা আসলে ভালো হয়েছে। ধন্যবাদ শান্ত ভাই
আপনার এই রবার্ট ডি নিরো অবজারবেশনটা দারুন হইছে। আজকে আমার এক খুব আপন বন্ধু বললো আসলেই তো ঠিক!
জয় মীর ভাইয়ের জয়!
হ ...... বুড়া

নামী লেখকরা একটু বুড়োই হয়!
আড্ডা, পার্টি, আনন্দ - দারুণ সময় কাটানো!
ভাল লাগলো লেখা। কেউ কমেন্ট নাই করুক, লিখতে থাকো নিজের মত।
নিয়মিত এসে পড়ে যায়েন ভাইয়া!
৪
হ চাইর!
প্রথম দুই প্যারা নিয়ে কিছু বলার সাহস পাইনা । কারণ আমি নিজেই পোস্ট পড়ে কমেন্ট না করেই চলে যাই । তবু বলি শান্ত লিখা থামিও না প্লিজ! আমি জানতাম আড্ডায় যাইনি কিন্তু শান্তর পোস্ট থেকে জানব কেমন হলো আড্ডা । রোজ তোমার পোস্ট পড়ে কত কি জানা হয় ! এমনকি দৈনন্দিন জীবনের কথাগুলোও কত ভাবনা এনে দেয় !
ব্যপক আড্ডা হলো, ব্যপক ঝামেলায় ব্যপক মিস করলাম ।
আপনে কষ্ট করে একটু আসলেই পারতেন। মিস!
থ্যাঙ্কস এ লট আপু।
কমেন্ট করা হয় না, কিন্তু পোস্ট পড়তে ভুলিনা শান্তু। শুধু শুধু রাগ করে আমাদেরকে বঞ্ছিত করো না ভাই, তোমার লেখা পড়তে সত্যিই ভালো লাগে
দেখি কি করা যায়!
কামাল ভাই আবার কবে খাওয়াবে??
ঈদের পরেই হয় তো। ঈদ পুর্নমিলনী অনুষ্ঠান করে!
জেন্টেলম্যান পিচ্চটাকে দেখার আমার খুব শখ। দেখি রাসেল ভাইয়ের সাথে আলাপ করে যদি রাজি হয়
আর ভাই আপনি ও একদিন দাওয়াত করে খাওয়ান। তারপরে আমিও এমন একটা লিখবো
আচ্ছা!
গফুরও গেছিলো
!
কয়েকজন খ্যাতনামা গফুর ছিলো!
যত দোষ জেবীন ঘোষ!!
তাই তো!
আমারে কি কেউ কইছিলো? আমি কুনু খবর পাইলাম না কেনু?
তাই নাকি?
আবার কবে কামাল ভাই খাওয়াবে?
ঈদের পরেই আমি আশাবাদী
অভিমানী ছেলে শান্ত। কষ্ট করে প্রতিদিন লিখে। আমরা পড়তে ভুলি না, কিন্তু হয়তো আলসেমি করে অনেকে কমেন্ট করি না । হ্যাঁ এটা সত্যি কথা কমেন্ট দেখলে লখার আগ্রহ বাড়ে। আর সেটা যদি হয় আমার মত নতুন ব্লগার
থ্যাঙ্কস ভাইয়া! আপনি তো নিয়মিতই কমেন্ট মারেন!
আমারে কি ভাল কইলা না পচা কইলা শান্ত !!!!! বুঝলাম না
অবশ্যই ভালো কইলাম! আপনার ভ্রমন ক্লান্তি কাটছে? নক দেই না এই জন্যেই!
আমি কিন্তু সব পোষ্টই পড়ে যাই এসে!
থ্যাঙ্কস এ লট!
মন্তব্য করুন