আশফাকুর র'এর ব্লগ
একজন গোলকিপারের আত্মজীবনী
আমার সারাটা জীবন মোটেমাটে ঘুরতে ঘুরতে কেটেছে।পিতৃদেবের সরকারি চাকুরির সুবিধায় আমাকে ক্লাস টেন পর্যন্ত সাতখানা স্কুল চেন্জ করতে হয়েছে।স্কুল জীবনে খেলা বলতে খেলেছি ফুটবল,কাবাডি আর যৎসামান্য ক্রিকেট।কাবাডি ক্যারিয়ার রীতিমত ঝলমলে ।পরপর দুইবার সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে কাবাডি চ্যাম্প.(একটুও বাড়িয়ে বলিনি।)।ক্রিকেটে ক্যারিয়ার ঝরঝরে।সারাজীবনের সর্বোচ্চ রান - তাও সিলেটে পাড়ার এক সম্মান রক্ষার ম্যাচ
চুয়েটের ছবি ও বন্ধুদের ছবি..
আমার প্রজেক্টের কাজ আরেকটু বাকি।কাজ আসলে একরকম শেষ বাট আমার বানানো স্টার্লিং ইন্জিনটা পর্যাপ্ত Air Pressure পাচ্ছেনা।তাই পিস্টন মুভ করতেছেনা।মনটা তাই একটু খারাপ।আপাতত স্যারের পিছে পিছে দৌড়াইতেছি। আজকে আমার ক্যাম্পাসের কিছু ছবি শেয়ার করব।চুয়েটের ছবি ও বন্ধুদের ছবি..
এ সব ছবিতে আমি আছি, বন্ধুরা আছে..আছে এক মুঠো স্মৃতি...
আজ থেকে অনেক বছর পর যখন এব্লগ পোষ্ট দেখব আশা করি খারাপ লাগবেনা.।
লাল মনিরহাটের প্রথম যুদ্ধ
মুক্তিযুদ্ধ বাংলার মানুষের এক অহংকার।আমরা আমাদের অস্তিত্বের সাথে এক রকম মিশিয়ে দিতে চাই মুক্তিযুদ্ধকে-যেন স্মৃতিতে অটুট থাকে তাদের কথা যাদের আত্মত্যাগের কারনে আজ আমরা লাল সবুজের এই পতাকা নিয়ে নির্বিবাদে হেটে চলি, যাদের কারনে বলতে পারি আমার একটা দেশ নাম বাংলাদেশ।সে সব মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা আমার সারা জীবনের যাদের কারণে আমরা এদেশের সবকিছু আমাদের বলতে পারি।আর মুক্তিযুদ্ধ শুধুই একটা যুদ্ধ নয়।এটা এক অন
মায়ের জন্য লিখা ডায়েরী
মা ----

বন্ধু তোদের............
আমার ব্লগিং জীবন দুই বা আড়াই মাসের অন্যমানুষ হিসেবে আমার ব্লগে।বন্ধু মুক্ত বয়ানের সাথে থাকার লোভ সামলাতে না পেরে আমরা বন্ধুতে অনুপ্রবেশ।এমন এক সময়ে এ প্রবেশ যখন আর দিন সাতেক পর আমার শেষ সেমিস্টার ফাইনাল।আনুষ্ঠানিক ছাত্রজীবনে বাজছে বিদায়ের বাঁশি।হারিয়ে যাবে এ জীবন থেকে আমার অনেক বন্ধুরা।দেখা হবেনা অনেকের সাথে আর কখনও।আমি এ পর্যন্ত যত পোস্ট দিয়েছই তার সবই আগে লিখেছি তারপর শিরোনাম দিয়েছি ...।এ প্রথম