অবলিভিয়ন [একটি দর্শক চক্ষে দেখা চলচিত্রালোচনা!]
"How can man die better:
than facing fearful odds,
for the ashes of his fathers,
and the temples of his God".
একটা মুভি নিয়ে একটা কিছু লিখতে ইচ্ছে করতেছে,
(উপরের লাইনগুলা মুভিটাতেই চোখে পড়ল।)
কিন্তু কি বলবো এবং কিভাবে বলবো তা মাথায় আসতেছে না কিছুতেই।
মুভিটা ভালো লেগেছে খুব,
কিন্তু এত্ত বড় একটা মুভিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এই ভালোলাগাটুকু
কিভাবে অল্প কিছু কথায় সবার সাথে শেয়ার করা যায় তা বুঝতে পারতেছি না!
মুভিটা সম্পর্কে দেখার মত আগ্রহ জাগাতে চাচ্ছি আবার
একটা কিছু টাইপ করার আগেই মনে হচ্ছে বেশি না বলে ফেলি!
ধারেকাছে এখন মাসুম ভাই কে পেলে ভালো ছিল,
জেনে নিতে পারতাম এ সমস্যায় কিভাবে কি করা যায়।
আচ্ছা, এখন মুভিতে ঢুকি।
নাম 'অবলিভিয়ন',
মাস চারেক আগে মুক্তি পাওয়া আমেরিকান সাই ফাই একশন এডভেঞ্চার মুভি। গত রাতেই দেখলাম।
আরেকদিন দেখতে বসেও দেখা হয়নি সাবটাইটেলের অভাবে।
যদিও ইংরেজি মুভি সাবটাইটেল ছাড়া দেখতে কেন জানি রিলাক্স লাগে না!
আজ মনে হইতেছে সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল না,
মুভিটা পুরোপুরি বুঝতে এবং মুভির পুরো মজাটা পেতে চাইলে
একটু মনোযোগ দিয়েই দেখতে হবে আর নয়তো বোরিং মনে হতে পারে।
মুভির কাহিনি শুরু ২০৭৭ সালে। এলিয়েন ইনভেশন এবং নিওক্লিয়ার ওয়ার পরবর্তী সময়ের গল্প। যুদ্ধ জয় হলেও যুদ্ধ পরবর্তী নানা ঝড় ঝাপটায় বসবাসের অযোগ্য হতেও যাওয়া পৃথিবীর শেষ কয়েকজন সারভাইবারের গল্পও বলা চলে একে।
এলিয়েনেরা চাঁদ ধ্বংস করে দেওয়ায় আমাদের পরবর্তী গন্তব্য এখন 'টাইটান'। পৃথিবী থেকে টাইটানে বসতি স্থানান্তরের মধ্যবর্তী সময়ের কার্যাবলী পরিচালিত হচ্ছে 'টেট' নামের সুবিশাল ত্রিকোণাকৃতিক মহাকাশযান থেকে। সব অপারেশন নিয়ন্ত্রনে নিয়োজিত আছে 'স্যালি চরিত্রে' 'মেলিসা লিও'। টাইটানে থাকতে হলে প্রচুর শক্তি প্রয়োজন, এ জন্যেই প্রসেসিং চলছে পৃথিবীর উপরিভাগের সামুদ্রিক পানির। এ কাজ ব্যাবহারিত পাওয়ার ষ্টেশনের রক্ষণাবেক্ষণে নিয়োজিত আছে কিছু 'ড্রোণ' আর তাদের দেখভাল করতে আছে কিছু 'টেকনিশিয়ান'। 'জ্যাক' চরিত্রে 'টম ক্রুজ' আর 'ভিকি' চরিত্রে 'আন্দ্রে রাইজবোরো' এমনই দুইজন টেকনিশিয়ান। আর তাদের চলাফেরা আর দৈনন্দিন কার্যক্রমে নানা আতঙ্ক হয়ে আছে রয়ে যাওয়া কিছু এলিয়েন।
পৃথিবীতে জ্যাক আর ভিকির মিশন যখন প্রায় শেষের পথে,
ঘটনাক্রমে মুভির কাহিনিতে বিশাল ইমপ্যাক্ট ফেলতে আবির্ভাব হয়
এক ক্র্যাশ ল্যান্ডিং করা মহাকাশযানের একমাত্র বেঁচে যাওয়া যাত্রী 'জুলিয়া' চরিত্রে অভিনয় করা 'ওলগা কুরিলেঙ্কো'। । বদলে যেতে বসে অনেক কিছুই। অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ । দেখা মিলে আরও এক রহস্যময় চরিত্র 'ম্যালকম বিচ' চরিত্রে 'মরগ্যান ফ্রিম্যান' এর।
তারপর আর কি,
একটার পর একটা সাসপেন্সে এগিয়ে চলে মুভির কাহিনি।
মুভির কেন্দ্রীয় চরিত্র খুবই কম,
আর একটু হলেই বিমল মিত্রের 'আমি' কে মনে করিয়ে দেওয়ার মত কম।
তবে একেকজনের অভিনয় নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। দুই ঘণ্টা লম্বা মুভির শুরুটা একটু স্লো হলেও পরে আর সময়ের খোঁজ রাখাই কঠিন হয়ে পরে। মুভির
ভিজ্যুয়াল গ্রাফিক আর অভারল মিউজিকও আলাদা ভাবে লক্ষ করার মত ভালো।
এখনও পর্যন্ত বক্স অফিসে ২৮ কোটি আমেরিকান ডলার আয় করা এবং আইএমডিবি'র কাছে ১০-এ ৭.১ পাওয়া মুভির এক ঝলক দেখে নিতে পারেন 'এখানে' ।
মুভি নিয়ে আপাতত আর কিছু বলার মত পাচ্ছি না,
এতটুকু পর্যন্ত পড়ে থাকলে বাকিটা মুভিতেই বরং দেখে নিয়েন একটু সময় পেলে।
এই লেখাটা আসলে না লিখলেও চলতো।
কিন্তু মুভিটা সুন্দর আর
বন্ধু দিবসে বন্ধুদের একটু আলাদা করে শুভেচ্ছা জানাতে না পারলে ক্যাম্নে কি?!
যদিও মুভিটাতে লাভ আর হিউম্যানিটিই বেশি টের পাওয়া যায়,
এই দুই জিনিস ফ্রেন্ডশিপে না থাকলেই বা কিভাবে চলবে!
সব্বাইকে বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা,
ভালো থাকুন সবাই - অনেক অনেক ভালোবাসায়।
আর শেষে এসে একই মুভির চমৎকার কিছু লাইন শেয়ার না করে পারলাম না -
If we have souls,
they're made of the love we share.
Undimmed by time,
unbound by death.
আবারও, হ্যাপি ফ্রেন্ডশিপ ডে! হ্যাপি ব্লগিং!





আজকালকার হাই থটের সিনেমা বুঝি কম। তবে সোজা সিনেমা বুঝি। কি বুঝায় সেটাই বুঝতে বুঝতে সিনেমা শেষ। জেমস বন্ড বুঝি আবার এ্যাভাটর বুঝি কিন্তু ইন্সেপ্সন বুঝি না, ওমেন ইন ব্লাক বুঝি না।
এটা অত হাই থটের না,
দেখে ফেলেন - মজাই লাগবে।
ইনসেপশন আমি তিনবার দেখার পরও
শিওর না
যে ঘটনা বুঝছি কি না!
আরেকবার একটা মুভি দেখলাম
এ সিরিয়াস ম্যান,
চরম নাকি কমেডি।
একটা হাসি দেওয়ার আগেই মুভি ফিনিস,
মাথার আড়াই হাতে উপর দিয়ে গেছে!
দেখা দরকার
হ, পাইলে দেইখা ফেলান।
লেখাতো ভালই পাইলাম... মাসুম ভাইরে একটা ফোন দিয়া জাইনা নিতা?
লাম্বার জানি না।
তারুপর রোজার দিনে সেহরির পরে কাউরে ফোনাইলে বিপদ হইতারে!
মুভি নিয়ে আলাপ আমার কাছে অনেক জটিল লাগে ভাই। দেখি আর ভুলে যাই ।
ঘটনা কি বলুন তো? আজকাল এই সিনেমাটা নিয়ে প্রচুর মাতামাতি দেখতে পাচ্ছি।
কন কি?
আমি তো কোন আওয়াজই পাইলাম না!
উইশিং ইউ আ হেপ্পি হিপ্পি বাড্ডে... অনেক হেপ্পি থাকো সারাজীবনভর...
শুভ জন্মদিন
ধন্যবাদ।
এইচডি প্রিন্ট ও সাবটাইটেল সহ হজম করেও আমার কাছে ভালো লাগে নাই ছবিটা।
হুম। ব্যাপার না, সব মুভি যে সবার ভালো লাগবো এমন কোন কথা নাই।
আমি মুভি দেখলাম ইয়ে জাওয়ানী হ্যায় দিওয়ানী ..........ভাল লাগছে

এইটা দেখার ইচ্ছা আছে,
ভালো প্রিন্ট হাতে পাইনাই এখনও।
সিসতার ফিল্মস্ট্যাডনে থ্রিডিতে দেখেছিলাম। গল্পের প্লটটা নতুনত্ব থাকলেও পরে কেন যেন মনঃপুত হলো না। এখানে একক সত্বা নিয়ে ভাবলে নায়কের মারা যাবার পর তার ক্লোনের মাঝে খুজে পাওয়া এছাড়া এলিয়েনদের ব্যাপারটা পুরাটাই ধোয়াশায় রেখে দেয়া হয়েছে।
উপভোগ্য এজন্য যে পুরো এফেক্ট টা থ্রিডির উপযোগী বলেই।
আমার তো টুডি তে দেখেও ভালো লাগলো।
ক্লোনের ক্ষেত্রে সবার একটা কমন মেমোরি থাকাটাই স্বাভাবিক লাগে আমার কাছে।
পুরাতন লেখায় নতুন মন্তব্য পেলে ভালো লাগে অনেক। থ্যাঙ্কস ফর দ্যাট।
মন্তব্য করুন