দরজায় কি কেউ কড়া নাড়ছে ?
কেউ একটা এসেছে নিশ্চয়, দরজায় কড়া নাড়ছে মৃদু শব্দে । জানলার জীর্ণ পর্দাটা হঠাত্ কেঁপে উঠে আবার থেমে গেল কি ভেবে , তা বুঝে ওঠার আগেই আবার শব্দ । মৃদু নয় , এবার তা সজোরে শোনালো । মৃন্ময় দ্বার খুলে দিতে যাবে ভাবছে , এমন সময় মনে পড়ল দরজাটা তো খোলাই পড়ে আছে । এখানেও কি চোর আছে নাকি ! তবে কে হতে পারে ? এই রাতদুপুরে ঘোর অন্ধকারপুরীতে কোন অমানুষের কাজ থাকতে পারে ? কিংবা কোন কামাতুর মোহিনীর ? যে রাতযাপন শেষ না হতেই ফিরে যাবে অন্য দরজায় ? কিন্তু শব্দ তো স্পষ্টই শোনা গেল । তবে কি কেউ এলো এই স্বেচ্ছা নির্বাসনে শরিক হতে ? মৃন্ময় দরজার দিকে এগোচ্ছে মৃদুপায়ে । কিন্তু দরজাটা ঠিক কোন দিকে বুঝতে পারছেনা । ভ্যাঁপসা আঁধার । অন্ধের মত দেয়াল ধরে ধরে এগোতে হচ্ছে তাকে । স্যাঁতসেঁতে দেয়াল । দেয়ালে আবার রক্তের মত কিছু একটা লেপটে আছে , থেকে থেকে নখের ঘোষা লেগে থেতলে গিয়ে উটকো গন্ধ ছড়াচ্ছে । গন্ধটা মনে হচ্ছে অনেক আপন , অনেক পরিচিত , আবার অনেকটা ভয়ংকরও ঠেকছে । কিন্তু রক্তের মত গন্ধ ? কার রক্ত ? এ নির্জন আঁধারে সে ছাড়া তো আর কোন জনপ্রাণি নেই । তাহলে কোথা হতে এলো এ রক্ত ? তবে কি এটা ওর ক্ষতবিক্ষত হৃদয় থেকে ফিনকি দিয়ে পড়া রক্তের প্রলেপ ?
আজকাল এমন অনেক উদ্ভট সব প্রশ্নের উত্তর ওর মনের জানলা দিয়ে উঁকি দেয় কিন্তু মনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারেনা । কারনটা অবশ্য সে নিজেও জানে । ও ভালো করেই জানে ওর মনের দরজা আজ বন্ধ চিরতরে । মনে মনে এসব ভাবতে ভাবতে সে এতক্ষণে ভুলেই গেছে কেউ একটা দরজায় কড়া নাড়ছে । কিন্তু হঠাত্ করে মনে হওয়ায় দরজাটা ঠিক খোলা কিনা অথবা কেউ সত্যিই এসেছে কিনা তা জানার ইচ্ছেটা প্রবল থেকে প্রবলতর হয়ে উঠছে । সে এখন তাই অন্ধকারে হাতরিয়ে বেড়াচ্ছে দরজাটা এবং দরজায় অপেক্ষমান কাউকে । কিন্তু কই সেই দরজা ? কই সেই আগন্তুক ? মৃন্ময় তবু দরজার দিকেই এগোচ্ছে মৃদুপায়ে । কিন্তু দরজাটা ঠিক কোন দিকে আজো বুঝতে পারছেনা । ভ্যাঁপসা আঁধার । অন্ধের মতই দেয়াল ধরে ধরে এগোতে হচ্ছে তাকে ।





আধাঁর ঝাঁপসা হয় জানতাম । ভ্যাঁপসা হয় কি করে জানিনাতো !
এখন থেকে জেনে রাখুন
?????????????
???? ?
অতটা সুন্দর লাগে নাই...
আমারতো একটুও ভালো লাগেনি । তাও লিইখা আর কাটলামনা । প্লটের শুরুতেই শেষ করতে হইছে ঘুম আর শীতের টানে । হয়ত আর কিছু লিখা যেত হয়ত না । তবে খারাপ যে হইছে তা ১০০%
ভ্যাঁপসা গন্ধ -- আঁধার নয়। শব্দটা হয়েছে আমার তিন বছরের ছেলে যেমন বলতো কুচকুচে সাদা তেমন।
আপনার লেখাটা ঠিক বুঝিনি। কবিতার মত জটিল,--
আমি জেনে বুঝেই ভ্যাঁপসা আঁধার লিখেছি । দেখুন , গন্ধ ও আঁধার দুটোর প্রকৃতিই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য , তা অনুভবের বিষয় মাত্র , বিশেষণের ব্যবহারে একটু ভিন্নতাকে প্রাধাণ্য দিয়েছি , কিছুটা কাব্যিক ব্যঞ্জনার ব্যর্খ প্রয়াস বলা যায় ।
আর জটিলতার কারন হয়ত এই যে , প্রথমে কবিতা লেখার প্রয়াসটাকে একটা প্লটে রূপ দেয়ার ইচ্ছে জাগে যা দুয়ে মিলে গন্ডগোল বাধিয়ে দিলো ।
টিপসই > খুশি
ভয় লাগছে পড়ে
যাক এট লিস্ট একটা কিছুর অনুভূতি তো তৈরি হইছে ! ভয় পাইয়েন না । একটু সাহস নিজে রাখেন আর একটু আমায় দেন ।
আমার বেশ লেগেছে পড়তে। কবিতার চেয়ে ভালো বুঝতে পেরেছি
ধইন্যাপাতা
ধইন্যাপাতা
লেখাটা পড়েছি কখনো তরতরিয়ে, কখনো থেমে থেমে, কখনো পড়তে পড়তে থেমে গিয়ে ভাবতে ভাবতে...ঠিক ঠাহর করে উঠতে না পারলেও ভালো লাগার অনুভূতি ছিল। ভ্যাঁপসা আঁধার...শব্দটা বেশ লেগেছে, শব্দ বানানোর খেলা আমার দারুণ প্রিয়।
কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
মন্তব্য করুন